Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, সেপ্টে. 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » রোগ প্রতিরোধ করা না গেলে বড় বড় হাসপাতাল গড়ে লাভ কী?
    মতামত

    রোগ প্রতিরোধ করা না গেলে বড় বড় হাসপাতাল গড়ে লাভ কী?

    এফ. আর. ইমরানসেপ্টেম্বর 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    রোগ প্রতিরোধ করা না গেলে বড় বড় হাসপাতাল করে লাভ কী?
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হলেই যেন সবার আগে উঠে আসে বড় বড় ভবন, চকচকে হাসপাতাল, আধুনিক যন্ত্রপাতি আর অবকাঠামোর তালিকা। মনে হয়, স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বাংলাদেশ বুঝি সিঙ্গাপুরের থেকে কম নয়। কিন্তু এসব বড় বড় ভবনের কংক্রিটের দেয়ালের ভেতরে রোগীরা সময়মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন কি না? রোগ সঠিকভাবে শনাক্ত হচ্ছে কি না? নাকি সঠিক রোগ শনাক্তের অভাবেই ঝরে যাচ্ছে বহু জীবন? – এই প্রশ্নগুলো অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়।

    পাশাপাশি, একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে – রোগী যদি রোগের শুরুতেই সঠিক চিকিৎসা না পান, রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণ যদি নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে শুধু বড় বড় হাসপাতাল নির্মাণ করে সাধারণ মানুষের কতটা উপকার হবে? নাকি সঠিক রোগ শনাক্তের অভাবেই ঝড়ে যাচ্ছে বহু জীবন?

    কারণ একজন রোগীর জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় রোগের প্রথম পর্যায়। কিন্তু বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে অনেক উপজেলা ও জেলা পর্যায়েও এখনো রোগ শনাক্তকরণে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। সাধারণ জ্বর, দুর্বলতা, বুকব্যথা, পেটের সমস্যা বা দীর্ঘদিনের কাশি- অনেক সময় এসব উপসর্গের পেছনে থাকা গুরুতর রোগের কারণ শুরুতেই ধরা পড়ে না। ফলে রোগী এক চিকিৎসকের কাছ থেকে আরেক চিকিৎসকের কাছে ঘুরতে থাকেন, সময় চলে যায় এবং রোগ যখন ধরা পড়ে, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা বারবার বলে আসছেন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, হৃদ্‌রোগ, থাইরয়েড সমস্যা, ফুসফুসের রোগ, ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিস, ক্যানসারসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগের ক্ষেত্রে দ্রুত শনাক্তকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দেশের বড় একটি অংশের মানুষ এখনো নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ফলে রোগ নীরবে মানুষের শরীরে বেড়ে ওঠে এবং গুরুতর অবস্থায় পৌঁছে যায়।

    সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, গ্রাম পর্যায়ে রোগ প্রতিরোধের সংস্কৃতি এখনো শক্তিশালী নয়। মানুষ সাধারণত অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসকের কাছে যান। অথচ অনেক রোগের ক্ষেত্রে আগেভাগে পরীক্ষা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং সচেতনতার মাধ্যমে বড় ধরনের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। কিন্তু ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগ শনাক্তকরণ কর্মসূচি এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম এখনো প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত।

    রোগ শনাক্তে দেরি: একটি জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন

    দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা, ওজন কমে যাওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বুকের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা দীর্ঘস্থায়ী জ্বর- এসব উপসর্গের পেছনে বড় কোনো রোগ লুকিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, গুরুতর রোগের প্রাথমিক লক্ষণকে সাধারণ সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও সঠিক রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক রোগীর সময় ফুরিয়ে যায়।

    বিশেষ করে ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ, টিউমার,  কিডনি রোগ ও স্নায়ুরোগের মতো জটিল রোগের ক্ষেত্রে দেরিতে শনাক্ত হওয়া চিকিৎসার সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অনেক পরিবার তখন আর্থিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

    প্রশ্ন হলো, একজন মানুষ যখন প্রথমবার অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য যান, তখন কি তিনি সঠিক পরামর্শ পাচ্ছেন? তাঁর কথা কি মনোযোগ দিয়ে শোনা হচ্ছে? তাঁর আগের ইতিহাস, উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থার পূর্ণ মূল্যায়ন করা হচ্ছে কি? নাকি শুধু কয়েক মিনিটের মধ্যে কিছু পরীক্ষা লিখে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হচ্ছে?

    চিকিৎসা শুধু ডিগ্রি নয়

    চিকিৎসা একটি পেশা হলেও এটি মূলত মানুষের জীবন রক্ষার দায়িত্ব। একজন ভালো চিকিৎসকের শুধু ডিগ্রি থাকলেই হয় না; প্রয়োজন রোগীর কথা ধৈর্য ধরে শোনা, রোগীর ভয় ও উদ্বেগ বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করা।

    বাংলাদেশে অনেক চিকিৎসক সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও আন্তরিকভাবে মানুষের সেবা করছেন। কিন্তু একই সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে অবহেলা, দুর্ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা, অতিরিক্ত খরচের চাপ এবং দালাল চক্রের হয়রানির অভিযোগও শোনা যায়।

    একজন অসুস্থ মানুষ যখন হাসপাতালে যান, তখন তিনি চিকিৎসার পাশাপাশি, নিরাপত্তা, সম্মান এবং আস্থাও চান। কিন্তু অনেক সময় রোগী ও তার পরিবার মনে করেন, তারা চিকিৎসা ব্যবস্থার কাছে অসহায়। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ নেই, রোগের ব্যাখ্যা পরিষ্কারভাবে পাওয়া যায় না, কোন পরীক্ষা কেন প্রয়োজন তা বোঝানো হয় না, এমনকি জরুরি অবস্থাতেও সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়।

    স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আস্থা। রোগী যদি চিকিৎসকের ওপর আস্থা হারান, তাহলে স্বাস্থ্যব্যবস্থার এই দুর্বলতার দায় কে নেবে? আদৌ কি দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, নাকি সবাই ধরাছোঁয়ার বাইরে?

    দালাল, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার অস্বচ্ছতা

    বাংলাদেশের অনেক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থায় আরেকটি বড় সমস্যা হলো দালাল চক্র। অসুস্থ মানুষ ও তার পরিবারের অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে অনেক সময় রোগীকে নির্দিষ্ট পরীক্ষা, হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে।

    প্রশ্ন হলো, একজন সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝবেন কোন পরীক্ষা সত্যিই প্রয়োজন, আর কোনটি অপ্রয়োজনীয়? চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা না থাকলে রোগী ও স্বজনেরা আস্থা হারাতে থাকে এবং চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যায়।

    স্বাস্থ্যসেবার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা, রোগীর দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া নয়।

    তৃণমূলের হাসপাতাল শক্তিশালী করা জরুরি

    দেশে আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ প্রয়োজন। উন্নত চিকিৎসা অবকাঠামো ছাড়া একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী হতে পারে না। কিন্তু শুধু বড় বড় ভবন নির্মাণ করলেই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয় না।

    একটি হাসপাতালের মূল্য নির্ভর করে সেখানে কতজন রোগী সময়মতো সেবা পাচ্ছেন, কত দ্রুত রোগ শনাক্ত হচ্ছে, চিকিৎসার মান কেমন এবং রোগীর সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে।

    একটি বড় হাসপাতালের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে, কিন্তু সেই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, যন্ত্রপাতির ব্যবহার, জনবল নিয়োগ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে- সেই বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

    বড় ভবনের পাশাপাশি প্রয়োজন শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জেলা হাসপাতালগুলোকে আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।

    কারণ একজন রোগীকে যেন শেষ পর্যায়ে বড় হাসপাতালে যেতে না হয়- বরং রোগের শুরুতেই যেন রোগীরা সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ পায়, সেটিই হওয়া উচিত ‘স্বাস্থ্যনীতি’।

    প্রযুক্তি ও আধুনিক রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার প্রয়োজন

    বর্তমান বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্য রেকর্ড, আধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রোগ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চিকিৎসাকে আরও কার্যকর করছে।

    বাংলাদেশেও এসব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তবে শুধু যন্ত্র কিনলেই হবে না; প্রয়োজন প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সঠিক ব্যবহারের নিশ্চয়তা।

    অনেক সময় দেখা যায়, কোটি টাকা ব্যয়ে যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, কিন্তু দক্ষ জনবল বা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা পড়ে আছে। এ ধরনের অপচয় বন্ধ করতে হবে।

    প্রশ্ন হলো, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ অর্থের প্রতিটি টাকা কি জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহার হচ্ছে? হাসপাতাল নির্মাণের বাজেট যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই অর্থের স্বচ্ছতা ও সুস্পষ্ট জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে।

    স্বাস্থ্য খাতে নজরদারি ও জবাবদিহিতা কতদূর?

    একটি উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য শুধু চিকিৎসক বা হাসপাতাল নয়, প্রয়োজন একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। চিকিৎসকের দায়িত্ব, হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, ওষুধের মান, পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্বচ্ছতার ওপর নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

    রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য প্রতিটি হাসপাতালে একটি কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোনো চিকিৎসক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবহেলা বা অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা মন্ত্রণালয়ের কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন, যাতে রোগীরা যথাযথ প্রতিকার ও আস্থা ফিরে পান।

    একই সঙ্গে চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ, জনবল সংকট এবং কর্মপরিবেশের সমস্যাগুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ একটি ভালো স্বাস্থ্যব্যবস্থা তৈরি করতে রোগীর পাশাপাশি চিকিৎসকদের প্রয়োজন ও সমস্যাকে বিবেচনায় নিতে হবে।

    আমরা কি শুধু হাসপাতাল বানাব, নাকি স্বাস্থ্যব্যবস্থা তৈরি করব?

    স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন কতগুলো হাসপাতাল তৈরি হয়েছে, তা নয়। বরং প্রশ্ন হলো, সাধারণ মানুষ অসুস্থ হলে কত দ্রুত, কত সহজে এবং কতটা মানসম্মত চিকিৎসা পাচ্ছেন?

    একটি শিশুর সাধারণ জ্বর যদি সময়মতো সঠিকভাবে শনাক্ত না হয়, একটি নারীর ক্যানসারের লক্ষণ যদি বছরের পর বছর অজানা থাকে, একজন হৃদ্‌রোগীর সমস্যা যদি দেরিতে ধরা পড়ে- তাহলে বড় বড় হাসপাতাল তৈরি করে সেই ক্ষতি পূরণ কীভাবে দেবেন!?

    স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শুরুতেই রোগ শনাক্ত করা, রোগ প্রতিরোধ করা এবং মানুষকে সুস্থ রাখা।

    বাংলাদেশের প্রয়োজন এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তি থাকবে, দক্ষ চিকিৎসক থাকবে, কিন্তু তার পাশাপাশি থাকবে মানবিকতা, জবাবদিহিতা এবং রোগীর প্রতি সম্মান।

    কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি খুবই সহজ, মানুষ যদি সময়মতো চিকিৎসা না পায়, রোগ যদি শুরুতেই ধরা না পড়ে, তাহলে শুধু বড় বড় হাসপাতাল করে লাভ কী?

    রাষ্ট্র, নীতিনির্ধারক, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এখন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।

    কারণ একটি দেশের উন্নয়ন শুধু বয়ান বা বড় বড় ভবন নির্মাণে নয়, বরং তার নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও সুস্থ জীবন পাচ্ছে, তার ওপর।

    • এফ.আর. ইমরান: সিটিজেন্স ভয়েস-এর নির্বাহী সম্পাদক
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনারকে সবুজ সংকেত দিল ভারত

    সেপ্টেম্বর 22, 2026
    বাংলাদেশ

    লোডশেডিংয়ের তালিকায় বারবার শীর্ষে ময়মনসিংহ, কারণ কী?

    সেপ্টেম্বর 22, 2026
    বাংলাদেশ

    সরকারি টেন্ডারে নতুনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ

    সেপ্টেম্বর 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.