ষষ্ঠ ধাপ (ফেব্রুয়ারি ১–আগস্ট ৩০): নির্বাচন কমিশন
একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবে—
ভোটার তালিকা হালনাগাদ: নির্বাচন কমিশন বায়োমেট্রিক আইডি ব্যবহারপূর্বক ও প্রয়োজনীয় তথ্য–উপাত্ত যাচাই করে নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রস্তুত করবে। নতুন ভোটারদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ও জালিয়াতি প্রতিরোধের জন্য ডুপ্লিকেট এবং মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ দিতে হবে।
২০০৮ সালে ভোটার তালিকা পুনর্গঠনের মাধ্যমে আট কোটির বেশি ভোটার নিবন্ধিত হয়েছিল। বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পদ্ধতি প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও দ্রুত করে তুলবে বলে আশা করা যায়।
নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সমন্বয়করণ: নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সরঞ্জাম বরাদ্দ নিশ্চিত করবেন। বিশেষভাবে দুর্গম এলাকার ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
মাঠপর্যায়ে নিয়োগ: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধীকরণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলো নিশ্চিত করতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ: নির্বাচনসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে তুলতে নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন, যাতে উভয় পক্ষের মধ্যে একটা আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি হয়।
নির্বাচনী সময়সূচি ঘোষণা: সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর ইসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এটি রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে ও ভোটারদের কাছে তাদের ইশতেহার তুলে ধরার সুযোগ দেবে।