Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 19, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মাইলস্টোন ট্রাজেডি: অপ্রস্তুত স্কুল ব্যবস্থার নির্মম শিক্ষা
    মতামত

    মাইলস্টোন ট্রাজেডি: অপ্রস্তুত স্কুল ব্যবস্থার নির্মম শিক্ষা

    এফ. আর. ইমরানজুলাই 31, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ২১ জুলাই রাজধানীর উত্তরার একটি স্কুলের ওপর বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণরত অবস্থায় বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণ হারাতে হয়েছে আমাদের, যাদের বেশির ভাগই শিশু। গুরুতর আহত মানুষের সংখ্যা আরও বেশি, যারা বিভিন্ন হাসপাতালে শুয়ে কাতরাচ্ছে। আহত ব্যক্তিদের কারও কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    এই দুর্ঘটনা সারা দেশের মানুষকে স্তম্ভিত ও শোকে বিহ্বল করেছে। তবে এটি একই সঙ্গে ভবিষ্যতের দুর্ঘটনা-পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য স্কুলগুলোর প্রস্তুতিমূলক অনুশীলনের ব্যাপারটি সামনে এনেছে।

    প্রস্তুতিমূলক অনুশীলন বলতে বোঝায় প্রকৃত দুর্যোগ-দুর্ঘটনার আগেই করণীয় বিষয়গুলো ঠিক করে নেওয়া এবং সেই অনুযায়ী মহড়া দেওয়া। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় নিরাপত্তা ও সেবাদানকারী সংস্থাগুলোকেও যুক্ত করার প্রয়োজন হতে পারে। এই মহড়ায় তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনায় আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে, তা শেখানো হয়।

    যেমন অগ্নিদুর্ঘটনার সময় শিক্ষার্থীরা আগুন নেভানোর জন্য কী ব্যবস্থা নেবে, কীভাবে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হয়ে আসবে, ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কোন নম্বরে যোগাযোগ করবে- এগুলোর প্রশিক্ষণ জরুরি। স্কুলের অনুশীলনমূলক মহড়ার সময় তারা সরাসরি ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও হাসপাতালের সঙ্গেও যোগাযোগ করবে।

    স্কুল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব প্রতিটি ক্লাসরুমেই অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রাখা। তা ছাড়া ওপরতলার শিক্ষার্থীরা জরুরি প্রয়োজনে কীভাবে নিরাপদে বের হয়ে আসবে, তার জন্য বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা।

    বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে দুর্যোগ-দুর্বিপাকের কথা আছে। এসব দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় কীভাবে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করতে হবে, সে কথাও আছে। কিন্তু এগুলো হাতে-কলমে অনুশীলন করানো হয় না। ফলে, হঠাৎ ভূমিকম্পের মতো ঘটনা ঘটলে শিক্ষার্থীরা আসলে দিগ্‌বিদিকশূন্য হয়েই দৌড়াতে থাকবে। নিয়মিত মহড়া ছাড়া পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগনো সম্ভব নয়, এটা সহজেই বোধগম্য।

    মানতেই হবে, কিছু দুর্ঘটনা মানুষের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে না। কিন্তু মানুষ সচেতন হলে অনেক দুর্ঘটনাই কমানো সম্ভব। যেমন স্কুলের সামনের রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং থাকলে শিক্ষার্থীরা অধিক নিরাপদে রাস্তা পার হতে পারে। এমনকি বাস-গাড়ি দাঁড়ানোর জায়গা নির্দিষ্ট করে দিলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমবে। এ ক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের কাজ হবে রাস্তার নিয়ম-শৃঙ্খলা মানার ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা।

    কিছু দুর্ঘটনা আবার নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য। যেমন উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আগের ও পরের প্রস্তুতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে হবে। পাহাড়ি অঞ্চলে অধিক বর্ষণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখার উপায় জানাতে হবে। বজ্রপ্রবণ এলাকায় ঝড়বৃষ্টির সময়ে বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায় শেখাতে হবে।

    এ ছাড়া ভাঙনপ্রবণ নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোয় গাছ লাগানোর ব্যাপারে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সরাসরি অংশগ্রহণ করানো যায়। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে গাছ লাগানোর ব্যাপারেও শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারে।

    এসব ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ করে নেওয়ার প্রয়োজন হবে। তবে শুধু গাছ লাগানো নয়, এসব গাছের যত্ন নেওয়াও তাদের শেখাতে হবে। গাছ, পাখি আর প্রাণীদের বিপন্ন করে মানুষের পক্ষে যে বাঁচা সম্ভব নয়, এটা সবাইকে বুঝতে হবে।

    আগুন ও অ্যাসিডে ঝলসে গেলে কী করতে হবে, কাটাছেঁড়া ও হাড় ভাঙার প্রাথমিক চিকিৎসা কী হবে, সেগুলো শিক্ষার্থীদের হাতে–কলমে শেখাতে হবে। তা ছাড়া শ্বাসকষ্ট, মৃগীরোগ, চোখে আঘাত, পানিতে ডোবা, সাপে কাটা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসার জ্ঞানটুকু কেবল পাঠ্যপুস্তকে থাকলে হবে না; দক্ষ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে সরাসরি এগুলোর অনুশীলন করাতে হবে।

    এক্ষেত্রে স্কুলগুলোয় প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফার্স্টএইড বাক্স থাকাও জরুরি। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে রোগীকে নেওয়ার পদক্ষেপগুলোও জানানো দরকার।

    দুর্ঘটনার কিছু মর্মান্তিক ও ভয়ংকর দৃশ্য শিশুদের চোখের সামনে চলে আসে। কখনো প্রত্যক্ষভাবে তারা সেগুলো দেখে, কখনো দেখে টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এসব দৃশ্য তাদের মন থেকে মুছে ফেলা সহজ নয়।

    এগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য শিশুদের ট্রমাচ্ছন্ন করে রাখতে পারে। সুতরাং কীভাবে মনের যত্ন নিতে হয়, সে শিক্ষাও জরুরি। এ জন্য স্কুলগুলোয় মনোবিদদের এনে নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা যায়।

    আমাদের দেশের বেশির ভাগ স্কুলের অবস্থান সংকীর্ণ রাস্তায়। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়ে গিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাদের পক্ষে পানি সংগ্রহ করাও কঠিন হয়। ভবিষ্যতে স্কুল অনুমোদনের আগে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

    তাছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ভিড় ঠেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির কাজ করতেও বেগ পেতে হয়। অসুস্থ ও আহত ব্যক্তিদের নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের যাতায়াত করা সহজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে জাতীয় ব্যবস্থাপনা ও নির্দেশনাও জরুরি।

    প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই প্রতি দুই মাস অন্তর বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনার মহড়া অনুশীলন বাধ্যতামূলক করা উচিত। দুর্ঘটনার প্রস্তুতিমূলক মহড়া বাস্তব ক্ষেত্রে হতাহতের সংখ্যা কমাতে পারে। সেই সঙ্গে সংকটকালীন কাজে শৃঙ্খলা বাড়াতে পারে।

    • তারিক মনজুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ভূ-রাজনীতি

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের আড়ালে ‘গেম থিওরি’র কূটনীতি

    আগস্ট 19, 2026
    মতামত

    ইয়েমেনের ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ মার্কিন-ইসরায়েলি কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে?

    আগস্ট 19, 2026
    মতামত

    কেন ‘মক্কা চুক্তি’ আমিরাত-ইসরায়েল জোটকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে?

    আগস্ট 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.