Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তথ্য বনাম অপতথ্য: গণতন্ত্র কি বিপন্ন?
    মতামত

    তথ্য বনাম অপতথ্য: গণতন্ত্র কি বিপন্ন?

    এফ. আর. ইমরানআগস্ট 2, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: এআই/সিটিজেনস ভয়েস
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে এখন ১১ কোটির বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে আর ৪ কোটির বেশি মানুষ ফেসবুকে যুক্ত। প্রযুক্তি ব্যবহারে এই উন্নতির পাশাপাশি একটা বড় বিপদও আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে: মিথ্যা তথ্যের লাগামহীন বিস্তার।

    পুরোনো দিনের মুখরোচক গুজব থেকে শুরু করে এখনকার অত্যাধুনিক ‘ডিপফেক’—এসব কিছু আমাদের সমাজের শান্তি ও শৃঙ্খলার জন্য হুমকি তৈরি করছে।

    ২.

    ‘কানে হাত না দিয়ে চিলের পেছনে ছোটা’ বা ‘পাঁঠাকে কুকুর বানিয়ে ছাগল বগলদাবা করা’— এ–জাতীয় প্রবচন বা গল্প বলে দেয় যে মিথ্যাকে বিশ্বাস করা আমাদের একটি ঐতিহ্যগত স্বভাব। প্রাচীন মিসরের রাজা দ্বিতীয় রামসেস নিজের কীর্তিগাথাতে মিথ্যা তথ্য যোগ করেছিলেন; আবার ১৯ শতকে আমেরিকায় ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ নামে একধরনের সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল, যেখানে তথ্যের চেয়ে মানুষের আবেগকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।

    মিথ্যা তথ্যের সমস্যাটা নতুন কিছু নয়; এটা শত শত বছর ধরেই ছিল, বিভিন্ন রূপে ছিল। বিভিন্ন উদ্দেশে ভুল তথ্য, অপপ্রচার আর মিথ্যা কথা ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু ইন্টারনেট আর সোশ্যাল মিডিয়ার বর্তমান যুগে এই মিথ্যা খবরগুলো আরও দ্রুত এবং আরও অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন (এআই) এতটাই শক্তিশালী যে এটা দিয়ে এমন লেখা, ছবি বা ভিডিও (ডিপফেক) তৈরি করা যায়, যা দেখলে মনে হবে একদম আসল। আবার এআই-চালিত ‘বট’ সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে এমন একটা ধারণা তৈরি করতে পারে যে সবাই হয়তো কোনো একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে একমত, যদিও সেটি আসলে ভুল।

    এই দ্রুত আর বারবার মিথ্যা খবর ছড়ানোর ফলে মানুষের মন অসাড় হয়ে যায়, তারা সত্য-মিথ্যা যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং ভুল তথ্যকেই সঠিক বলে বিশ্বাস করতে শুরু করে।

    মানুষের কিছু স্বভাবগত দুর্বলতা আছে। এর মধ্যে একটি হলো—তারা যুক্তির চেয়ে আবেগ দিয়ে বেশি পরিচালিত হয়। মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর ব্যক্তিরা এই দুর্বলতাগুলোকেই কাজে লাগায়।

    শুধু টাকার জন্য দেশ-বিদেশে যেভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়, তা বিস্ময়কর। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো যদি শুধু কনটেন্টের মানিটাইজেশন তুলে দেয়, পুরো পৃথিবীতে মিথ্যা তথ্যের ব্যবসা অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে; কিন্তু মুনাফার গরজ বড় বালাই!

    ৩.

    এই ‘তথ্য বিশৃঙ্খলা’ আমাদের জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে এনেছে। এটা শুধু মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসকেই প্রভাবিত করে না; বরং যখন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই মিথ্যা তথ্য বারবার ছড়ায়, তখন তা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস নষ্ট করে। সমাজের মধ্যে এটা ঘৃণা, সহিংসতা, বৈষম্য ও নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ‘অন্ধ বিশ্বাস’ তৈরি করে।

    গত কয়েক বছরে বাংলাদেশও এমন অনেক ঘটনার শিকার হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় আমরা ‘ইনফোডেমিক’ দেখেছি, যেখানে এত বেশি ভুল তথ্য ছড়িয়েছিল যে সরকার বা নির্ভরযোগ্য সংস্থাগুলোও মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে হিমশিম খাচ্ছিল।

    ৪.

    এ বড় বিপদটা মোকাবিলা করতে সবার সহযোগিতা দরকার। সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সবারই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। সাধারণ মানুষও এই লড়াইয়ের সামনের সারির যোদ্ধা। মিথ্যা তথ্য বা ভুয়া খবর এখন সবখানে ছড়িয়ে পড়ছে আর এগুলো চেনাটা খুবই দরকার। এগুলো চেনা বা বোঝার কিছু সহজ পদ্ধতি আছে।

    একটি ওয়েবসাইটের চেহারা দেখে আপনি অনেক কিছু বুঝতে পারবেন। আসল নিউজ সাইটগুলো সাধারণত ‘সাজানো গোছানো’ হয়। কিন্তু ভুয়া খবরের সাইটগুলো প্রায়ই এলোমেলো দেখায়; বিরক্তিকর অনেক বিজ্ঞাপন থাকে আর তাদের ছবিগুলো প্রায়ই নকল করা বা চুরি করা হয়।

    এর পরও খবরটা কোন জায়গা থেকে আসছে তা খেয়াল করুন। অপরিচিত কোনো খবরের উৎস দেখলে একটু সতর্ক হন। আপনি যদি  খবরের ওয়েবসাইটের নাম আগে না শুনে থাকেন, তাহলে ইন্টারনেটে একটু খুঁজে দেখুন: এটা আসলে কী ধরনের ওয়েবসাইট। খবরটা কি এমন কোনো জায়গা থেকে আসছে, যা পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য?

    ওয়েবসাইটের ঠিকানাও (ইউআরএল) অনেক কিছু বলতে পারে। আসল ওয়েবসাইটের নামের সঙ্গে অনেক সময় ভুয়া সাইটগুলো অদ্ভুত কিছু অক্ষর বা চিহ্ন যোগ করে দেয়। এগুলো আসল ওয়েবসাইটের মতো দেখানোর চেষ্টা করে মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার একটি পদ্ধতি। তাই ওয়েবসাইটের ঠিকানাটা ভালো করে খেয়াল করতে হবে।

    লেখকের নাম আছে কি না, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভুয়া খবরের লেখাতে বেশির ভাগ সময় লেখকের নাম থাকে না। লেখকের নাম যদি থাকেও অনলাইনে তার নামটা একটু খুঁজে দেখুন। তিনি কি পরিচিত, খবরটা কি একজন বিশ্বাসযোগ্য লেখক লিখেছেন—এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজুন।

    খবরটা মন দিয়ে পড়ুন এবং এর মূল কথা কী, তা বোঝার চেষ্টা করুন। ভুয়া খবরের লেখায় প্রায়ই শুধু একটি নির্দিষ্ট মতামত চাপিয়ে দেওয়া হয়, সুরটা খুব উত্তেজিত থাকে অথবা এমন সব দাবি করা হয়, যা বিশ্বাস করাই কঠিন। খবরে সবকিছু ঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে? খবরটা আপনার কাছে নিরপেক্ষ এবং যুক্তিসংগত মনে হচ্ছে কি না, তা বিবেচনা করুন।

    বানান, ব্যাকরণ আর যতিচিহ্নও খুব জরুরি। যদি খবরের লেখায় অনেক বানান ভুল থাকে, সব অক্ষর বড় হাতের হয়, ব্যাকরণ ঠিক না থাকে অথবা অনেকগুলো আশ্চর্যের চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাহলে সম্ভবত খবরটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    ওয়েবসাইটের ‘আমাদের সম্পর্কে’ (অ্যাবাউট অ্যাজ) অংশটাও দেখতে পারেন। যেসব সংবাদমাধ্যম নির্ভরযোগ্য, তারা সাধারণত এই অংশে নিজেদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, তাদের নীতি এবং যোগাযোগের ই–মেইল ঠিকানা স্পষ্টভাবে দিয়ে রাখে।

    খবরটিতে কোন কোন সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং কাদের কথা উদ্ধৃত করা হয়েছে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ভুয়া খবরের লেখায় প্রায়ই কোনো নাম প্রকাশ না করা সূত্র, ‘অবিশ্বস্ত’ সূত্র অথবা কোনো সূত্রই উল্লেখ করা হয় না। নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং তাদের পরিচয়টা গুরুত্বপূর্ণ।

    কোনো খবর নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে একই বিষয়ে অন্য খবর ইন্টারনেটে খুঁজে দেখুন। আপনি যদি অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে একই বিষয়ে খবর না পান, তাহলে তা ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গুগল সার্চ ব্যবহার করে আপনি জানতে পারবেন কোনো বিষয় নিয়ে অন্যান্য নির্ভরযোগ্য উৎস কী বলছে। গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ভুল তথ্য শনাক্ত করতে বিভিন্ন টুল তৈরি করেছে। এর পরও নিশ্চিত হতে না পারলে তথ্য যাচাইকারীদের (ফ্যাক্ট চেকার) সাহায্য নিতে পারেন। তথ্য যাচাইকারীরা কি খবরটাকে সত্যি বলছে?

    যদি কোনো ছবি বা ভিডিও দেখে সন্দেহজনক মনে হয়, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে দেখুন সেটি অন্য কোথাও আগে প্রকাশিত হয়েছে কি না, অথবা সেটির উৎস কোথায়। ডিপফেক ভিডিও বা ছবিগুলো দেখতে আসল মনে হলেও কিছু কিছু লক্ষণ দেখে সেগুলো চেনা যেতে পারে। যেমন ভিডিওতে থাকা মানুষের মুখের চামড়া অস্বাভাবিক মনে হতে পারে, চোখের পলক স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি হতে পারে, চোখে চশমা থাকলে আলোর প্রতিফলন অদ্ভুত লাগতে পারে, মুখের লোম বা ঠোঁটের নড়াচড়া স্বাভাবিক না–ও হতে পারে। এআই-জেনারেটেড ছবিগুলোতে হাত বা দাঁতে মাঝেমধ্যে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।

    কোনো সিদ্ধান্ত জানানোর আগে বা শেয়ার করার আগে একটু থামুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন— এ তথ্যটা কি আসল মনে হচ্ছে? এটা কি বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? নাকি কেবল ‘ক্লিক’ করানোর জন্য মিথ্যা কিছু বলা হচ্ছে?

    আমরা অনেকেই নিজ নিজ বিশ্বাস বা আদর্শিক অবস্থান অনুযায়ী কিছু বিষয় সত্য বলে গ্রহণ করতে চাই, আবার কিছু বিষয় মিথ্যা বলে গ্রহণ করতে চাই। এটিই মানুষের স্বভাব; কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি সত্য বা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করতে চাইলেই তা সত্য বা মিথ্যা হয়ে যায় না। কোনো খবর পড়ার পর যদি আপনি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন, তখন একটু থামুন। আবেগপ্রবণ অবস্থায় আমরা ভুল সিদ্ধান্ত বেশি নিই। এ অবস্থায় শেয়ার করার আগে অবশ্যই তথ্যটা যাচাই করুন।

    ৫.

    ‘ডিজিটাল নাগরিকত্ব’ নাম একটি ধারণা প্রচলিত আছে। এর মানে হলো, আমরা যখন ইন্টারনেট বা মুঠোফোন ব্যবহার করি, তখন কী কী নিয়ম মেনে চলা উচিত। এটা সব সময় বদলাচ্ছে। কারণ, প্রযুক্তিও বদলাচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো অন্যদের অনলাইনে ভালো অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করা, এটা মনে রাখা যে আমরা অনলাইনে যা কিছু করি, তার ফল অন্যদের ওপর পড়তে পারে এবং সবার ভালোর জন্যই অনলাইনে ভালো দৃষ্টান্ত তৈরি করা উচিত।

    ডিজিটাল নাগরিকত্বের তিনটি সহজ নীতি আছে, যাকে আমরা তিনটি ‘স’ (ইংরেজিতে এস) বলতে পারি। এগুলো হলো:

    • সুরক্ষা (সেফটি) মানে হলো নিজেকে এবং অন্যদের সুরক্ষিত রাখা;
    • সচেতনতা (স্যাভি) মানে হলো নিজে শেখা এবং অন্যদেরও ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে শিখতে সাহায্য করা এবং
    • সামাজিকতা (সোশ্যাল) মানে হলো নিজেকে সম্মান এবং অন্যদেরও সম্মান করা।

    কাউন্সিল অব ইউরোপের ডিজিটাল নাগরিকত্ব নিয়ে একটা নির্দেশনা আছে। সেখানে মূল্যবোধ, আচরণ, দক্ষতা, জ্ঞান ও সঠিক বোঝাপড়া—এই চার মূল বিষয় মিলে গণতান্ত্রিক সমাজে ভালো মানুষ হওয়ার জন্য ২০টা গুণের কথা বলা হয়েছে। এই মানদণ্ডে আমাদের দেশের নাগরিকসহ পৃথিবীর কত শতাংশ অনলাইন ব্যবহারকারী ডিজিটাল নাগরিকত্ব পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    ইউনেসকো বলছে, ভুল তথ্য হলো এমন তথ্য যা হয়তো খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়নি; কিন্তু তা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। ডিজিটাল নাগরিকত্বের জন্য ইউনেসকো একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যেটা বলে যে আমাদের মধ্যে কিছু দক্ষতা থাকা দরকার। এর মধ্যে রয়েছে মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা, সামাজিক জ্ঞান ও দক্ষতা। এসব বিষয়ে আমাদের শিক্ষিত হওয়া খুবই জরুরি। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ বিষয়ে পড়াশোনা করানো উচিত, যাতে অল্প বয়সেই ডিজিটাল জগতের চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে জানা থাকে।

    ৬.

    ডিজিটাল যুগে বাস করতে হলে আমাদের কিছু নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাকে বলা হয় ‘গণমাধ্যম সাক্ষরতা’ এবং ‘তথ্য সাক্ষরতা’। এর মানে হলো আমরা কীভাবে বিভিন্ন মিডিয়া (যেমন টিভি, সংবাদপত্র, ইন্টারনেট) থেকে তথ্য পাচ্ছি, সেগুলোকে কীভাবে বুঝতে হবে এবং সেগুলোর সত্যতা কীভাবে যাচাই করতে হবে ইত্যাদি।

    ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে কোটি কোটি ব্যবহারকারী থাকলেও তারা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে ঘৃণা বক্তব্য এবং ভুল তথ্য কার্যকরভাবে চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এর মানে হলো তাদের আরও বেশি বিনিয়োগ করা উচিত এমন প্রযুক্তিতে যা ভুয়া খবর শনাক্ত করতে পারে এবং ভুয়া খবর থেকে কেউ যেন অর্থ উপার্জন করতে না পারে, সেটির ব্যবস্থা করা। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং ভাষার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তথ্যের অবাধ প্রবাহের এই যুগে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখে দাঁড়িয়ে আছি: আমরা কি ডিজিটাল মিথ্যাচারীদের দ্বারা বিভ্রান্ত এবং বিভক্ত হব, নাকি জ্ঞান ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার বিপদ প্রতিরোধ করব এবং একটি  বিশ্বাসযোগ্য ও সুসংহত সমাজ তৈরি করব? আমাদের সামাজিক সম্প্রীতি এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সত্য থেকে মিথ্যাকে আলাদা করার আমাদের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতির ওপর।

    আফ্রিকান একটি প্রবাদ রয়েছে এ রকম—‘একটি শিশুকে ভালোভাবে মানুষ করতে হলে শুধু মা-বাবা নয়, পুরো সমাজের সাহায্য প্রয়োজন হয়।’ তেমনি মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে এ লড়াইয়ে কেবল ব্যক্তি নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। আসুন আমরা সবাই মিলে সচেতন হই, একে অপরকে সচেতন করি এবং মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে একত্র হয়ে লড়াই করি।


    ●লেখক— রিজওয়ান-উল-আলম সহযোগী অধ্যাপক, মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম ডিপার্টমেন্ট, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল একটি নেতিবাচক ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে, তাই সমর্থকরা কৌশল বদলাচ্ছেন

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    বাস্তবতার দেয়ালে ধাক্কা খেতে পারে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা

    জুন 15, 2026
    অর্থনীতি

    শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বাণিজ্যিক চেহারা নিয়ে বাজেট বাড়িয়ে জাতীয় সক্ষমতা গড়া কঠিন

    জুন 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.