সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন শুরুর পরপরই ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বাড়ায় সূচক যেমন ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তেমনি লেনদেনেও এসেছে গতি।
বুধবার সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হওয়ার পর প্রথম ৩০ মিনিটে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে শেয়ারের দাম। এ সময়ে মোট ৩৭৯টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ৩০৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে মাত্র ৩১টির দর কমেছে এবং ৪৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এই ইতিবাচক প্রবণতার প্রভাব পড়ে প্রধান সূচকেও। আলোচিত সময়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৭৪ পয়েন্টে। পাশাপাশি বাছাই করা বড় মূলধনী কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৯৩ পয়েন্টে উঠে আসে। শরিয়াহভিত্তিক সূচকেও একই ধারা বজায় থাকে, যা ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনের পরিমাণও ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রথম আধা ঘণ্টায় বাজারে প্রায় ১৫৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, অধিকাংশ শেয়ারের দাম একযোগে বাড়া বাজারে আস্থার প্রতিফলন। তবে এই ধারা টেকসই হবে কি না, তা নির্ভর করবে দিনশেষের লেনদেনের গতিপ্রকৃতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

