দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজ থেকে একাধিক অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ (এআর) প্রত্যাহার করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে।
জাহান সিকিউরিটিজ লিমিটেড থেকে মো. রাকিবুল হাসান, হারপুন সিকিউরিটিজ লিমিটেড থেকে মো. মাসুম হোসাইন এবং মোহাম্মদী স্টক মার্কেট লিমিটেড থেকে মো. শাহাদাত হোসাইনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া স্টার্লিং স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড থেকে আলী নূর মো. রাসেল, জয়তুন সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড থেকে মো. আলামিন এবং শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড থেকে মো. মোহাম্মদ খালেদ সিফুল্লাহকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ডিএসই জানিয়েছে, এসব পরিবর্তন সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নিজস্ব প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়েছে। তবে এ ধরনের একযোগে প্রতিনিধি পরিবর্তন শেয়ারবাজারে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে এআর পরিবর্তন সাধারণ বিষয় হলেও একসঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠানে এমন পদক্ষেপ কখনো কখনো কার্যক্রম পুনর্গঠন, কমপ্লায়েন্স চাপ বা অভ্যন্তরীণ নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
শেয়ারবাজারে লেনদেনের স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় রাখতে অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তারা সাধারণত বিনিয়োগকারীদের পক্ষে লেনদেন পরিচালনা ও ব্রোকারেজ কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত থাকেন।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

