সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতন দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ কমেছে, অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে বলে দুই এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সোমবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স উনচল্লিশ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার তিনশো ঊনআশি পয়েন্টে অবস্থান করছে। এর পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সূচক আট পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক নয় পয়েন্ট কমে যথাক্রমে এক হাজার ছিয়াত্তর ও দুই হাজার বাষট্টি পয়েন্টে নেমে এসেছে।
লেনদেনের হিসাবে দেখা যায়, ডিএসইতে সোমবার প্রায় সাড়ে চারশো ছিয়াশি কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় পঁচাশি কোটি টাকা কম। আগের দিন এই এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় পাঁচশো একাত্তর কোটি টাকা।
এই দিন ডিএসইতে মোট তিনশো নব্বইটি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের হাতবদল হয়েছে, যার মধ্যে ছাপ্পান্নটির দাম বেড়েছে, দুইশো নিরানব্বইটির দাম কমেছে এবং পঁয়ত্রিশটির দাম অপরিবর্তিত থেকেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই একশো একষট্টি পয়েন্ট কমে চৌদ্দ হাজার পাঁচশো তিপ্পান্ন পয়েন্টে নেমে এসেছে। এই এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া একশো চুরাশিটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঊনচল্লিশটির শেয়ার দর বেড়েছে, একশো ছত্রিশটির কমেছে এবং নয়টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে সূচক কমলেও সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে—সোমবার এখানে প্রায় একুশ কোটি চৌত্রিশ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় সাত কোটি টাকা বেশি। আগের কার্যদিবসে এই এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছিল প্রায় চৌদ্দ কোটি চব্বিশ লাখ টাকা।

