বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তৎপরতা বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে ২৩টি দেশে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আরও ২১টি দেশে একই ধরনের অনুরোধ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
আজন বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধীদলীয় এক সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ শনাক্ত ও তা ফেরত আনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অর্থপাচার ঠেকাতে সরকার বেশ কিছু সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে প্রধান করে ১২ সদস্যের একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, টাস্কফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর আওতায় ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব মামলার তদন্ত ও অনুসন্ধানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে পৃথক যৌথ অনুসন্ধান ও জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে।
এই তদন্ত কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর যৌথভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

