রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সংকট দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে চারটি ইউনিট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ফলে স্বাভাবিক সক্ষমতার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সংকট দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে চারটি ইউনিট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ফলে স্বাভাবিক সক্ষমতার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে।
জলবিদ্যুৎকেন্দ্রটি সাধারণ সময়ে প্রায় ২৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াটে। পানি সংকটের কারণে উৎপাদন সীমিত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা সূত্র জানায়, কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়ায় চারটি ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে শুধু একটি ইউনিট সচল রয়েছে, যা দিয়ে সীমিত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। সর্বশেষ পরিমাপে হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৭ দশমিক ৪৭ ফুট।
উৎপাদন কমে যাওয়ায় রাঙামাটি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহেও প্রভাব পড়েছে। স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় দৈনিক চাহিদা যেখানে ৩২ মেগাওয়াট, সেখানে সরবরাহ মিলছে তার অর্ধেকেরও কম।
দিবাগত সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ থাকছে প্রায় ১১ মেগাওয়াটের কাছাকাছি। দিনের বেলায় চাহিদা ১৪ মেগাওয়াট হলেও পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৭ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ। এতে এলাকায় লোডশেডিং বেড়ে গেছে। বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানির স্তর স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে পরিস্থিতি কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
