বৃহস্পতিবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য দেন। অধিবেশনে স্পিকারের সভাপতিত্বে বিষয়টি উত্থাপিত হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে পরিচালিত বিভিন্ন পরিদর্শন ও নিরীক্ষায় ভুয়া সনদে শিক্ষক নিয়োগসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়ে। এসব তদন্তের ভিত্তিতে মোট ২০২ জন কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এর মধ্যে এমপিওভুক্ত ৭৪ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা ২০২৩ সালের জুলাই থেকে স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে এমপিও সুবিধাবিহীন ১২৮ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক তদন্তে আরও অনিয়ম শনাক্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩০ জনে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাল সনদ বা অন্য কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সংসদে আলোচনায় উঠে আসে, শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকলে নিয়োগে অনিয়ম কমবে এবং শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন সম্ভব হবে।