আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এর তদন্ত সংস্থার এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর কাছে ফোন করে টাকা চেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।
নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্ত সংস্থার কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত থাকলে তিনি সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে না পারলেও প্রয়োজনীয় সুপারিশ করতে পারবেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হলে তা ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ঘুষ দাবির বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে চিফ প্রসিকিউটর তা প্রকাশ্যে গ্রহণ না করে ব্যক্তিগতভাবে দেওয়ার অনুরোধ জানান, যাতে তদন্তের স্বার্থ রক্ষা করা যায়। তিনি আরও বলেন, তদন্ত বা বিচার—কোনো ক্ষেত্রেই অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গোপনীয়ভাবে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলমান ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কার্যক্রম এখনও শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট কমিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশের বাইরে থাকায় প্রতিবেদন দিতে কিছুটা সময় লাগছে। এর আগে বিভিন্ন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত মার্চে একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো তদন্ত করছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বিচার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ জনআস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাই দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে বিচারব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা অটুট থাকে।

