Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, জুন 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চূড়ান্ত চুক্তি, আধুনিক বহরের পথে বিমান
    বাংলাদেশ

    ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চূড়ান্ত চুক্তি, আধুনিক বহরের পথে বিমান

    নিউজ ডেস্কএপ্রিল 30, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নিজেদের বহর আধুনিক ও শক্তিশালী করতে বড় একটি পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য চূড়ান্ত চুক্তি সই করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৯টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিমানের পক্ষ থেকে চুক্তিতে সই করেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ। অন্যদিকে বোয়িংয়ের পক্ষ থেকে সই করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তারা এই উদ্যোগকে শুধু একটি কেনাকাটা হিসেবে দেখেননি, বরং দেশের বিমান খাতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরেছেন। বোয়িংয়ের প্রতিনিধি পল রিগি বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হলো এবং বিমানকে একটি বিশেষ অবস্থানে নিয়ে গেল, যেখানে সীমিতসংখ্যক সংস্থাই এমন সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

    সরকারের পক্ষ থেকেও এই উদ্যোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের বিমান খাতকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    বিমান পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন জানান, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে সংস্থাটি নতুন নতুন রুট চালু করতে পারবে। পুরোনো উড়োজাহাজগুলো ধীরে ধীরে সরিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজ যুক্ত করার মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে। বর্তমানে বিমান দেশের প্রায় ২৫ শতাংশ যাত্রীসেবা দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অন্যান্য এয়ারলাইনসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এই বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    চুক্তির আওতায় বিমান মোট ১৪টি উড়োজাহাজ সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮টি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭৮৭-১০ উড়োজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের রুটে পরিচালিত হবে, আর ৭৮৭-৯ ব্যবহার করা হবে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দীর্ঘ দূরত্বের রুটে। অন্যদিকে ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজগুলো স্বল্প দূরত্বের রুটে যুক্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ফ্লাইট পরিচালনাকে আরও গতিশীল করবে।

    নতুন এই উড়োজাহাজগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি। আগের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব হবে, যা অপারেশনাল খরচ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপও কমাবে। একই সঙ্গে যাত্রীদের জন্য উন্নত আসনব্যবস্থা, বিনোদন সুবিধা এবং আরামদায়ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যাবে।

    এই চুক্তির পেছনে আরও একটি অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে যে সমঝোতা হয়েছিল, এটি তারই পরবর্তী ধাপ। মূলত বাণিজ্য ঘাটতি সমন্বয়ের অংশ হিসেবেও এই উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে।

    প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলারের এই বিনিয়োগ দেশের বিমান খাতে অন্যতম বড় ক্রয়চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে শুধু দীর্ঘ দূরত্বের রুটেই নয়, বরং আঞ্চলিক ফ্লাইট পরিচালনাতেও বিমানের সক্ষমতা বাড়বে।

    এই চুক্তি দেশের বিমান খাতের জন্য একটি বড় মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। দীর্ঘদিন ধরে বিমানের অন্যতম চ্যালেঞ্জ ছিল পুরোনো বহর, সীমিত রুট এবং প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকা। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে এই তিনটি ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

    প্রথমত, আধুনিক উড়োজাহাজ বহর আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সহায়ক হবে। দ্বিতীয়ত, নতুন রুট চালুর মাধ্যমে বৈদেশিক আয়ের সুযোগ বাড়বে। তৃতীয়ত, উন্নত সেবা নিশ্চিত হলে দেশি যাত্রীদের বিদেশি এয়ারলাইনসের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমতে পারে।

    তবে এই বিনিয়োগের সফলতা নির্ভর করবে সঠিক ব্যবস্থাপনা, দক্ষ পরিচালনা এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনার ওপর। শুধু উড়োজাহাজ কেনা নয়, বরং সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই হবে আসল চ্যালেঞ্জ।

    সব মিলিয়ে বলা যায়, এই চুক্তি শুধু একটি ক্রয় নয়—এটি দেশের আকাশপথকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামুখী করার একটি বড় পদক্ষেপ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    হাতিরঝিলে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ

    জুন 12, 2026
    বাংলাদেশ

    রাজধানীতে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী বলছে আবহাওয়া অফিস

    জুন 12, 2026
    বাংলাদেশ

    বাজেট ঘোষণার পর বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী

    জুন 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.