সাংবাদিক আনিস আলমগীর এক ইউটিউব সাক্ষাৎকারে সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলামের উদ্দেশে মন্তব্য করে বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করা উচিত। তার এই বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইউনূসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান ও তার কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে শিশু স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তার ভাষায়, টিকা ও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে বিপুল সংখ্যক শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—যদিও এসব দাবি তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই করেন।
তিনি আরও বলেন, যেসব বিষয়ে অভিযোগ উঠছে, সেগুলোর সুষ্ঠু বিচার হওয়া প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কেন বিচার দাবি করা হচ্ছে, যেখানে তার মতে আরও কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
আনিস আলমগীরের এই বক্তব্যে তিনি রাষ্ট্রপতির নিয়োগ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অতীতে রাজনৈতিক সরকারের সিদ্ধান্তে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের সবাইকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তবে নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে যে কারও বিচার হওয়া সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তার এসব মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে এটিকে দায়িত্বশীল বক্তব্যের সীমা অতিক্রম করেছে বলে সমালোচনা করছেন।

