Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দুর্নীতি দমন কমিশনের শীর্ষ পদে আলোচিত ব্যক্তিরা
    বাংলাদেশ

    দুর্নীতি দমন কমিশনের শীর্ষ পদে আলোচিত ব্যক্তিরা

    নিউজ ডেস্কজুন 27, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া শিগগিরই সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ধাপ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কমিশনের শীর্ষ পদগুলোতে কারা আসছেন, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।

    রাষ্ট্রপতির নিয়োগের মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত হবে দুদকের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। এর আগে বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশনার ও চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হবে। গত ৩ মার্চ চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগের মাধ্যমে সম্পূর্ণ কমিশন শূন্য হয়ে পড়ে দুর্নীতি দমন কমিশন। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর প্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৫ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক। সদস্য হিসেবে আছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

    এই বাছাই কমিটি বিভিন্ন যোগ্য ব্যক্তির নাম সংগ্রহ করবে। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে ছয়জনের একটি তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। সেই তালিকা থেকে তিনজনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। পরে তাদের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করবেন রাষ্ট্রপতি। এখন পর্যন্ত বাছাই কমিটির বৈঠক হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।

    চলতি বছরের মার্চ থেকেই ঢাকা মহানগর আদালতের সাবেক সিনিয়র বিশেষ জজ মোতাহার হোসেনের নাম আলোচনায় আছে। ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি অর্থ পাচার সংক্রান্ত এক মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন। সে সময় তিনি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক ছিলেন। ওই বছরের ডিসেম্বরেই তিনি অবসরে যান।

    এছাড়া আলোচনায় আছেন সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. আবুল হোসেন খন্দকার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন আর্থিক প্রতিবেদন পরিষদের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া, নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক শহুদুল হক।

    ২০০৪ সালে দুদক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই প্রশাসনের সাবেক সচিবদের মধ্য থেকেই চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রথম কমিশনে বিচার বিভাগের একজন বিচারপতিকে চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। ২০০৭ সালে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরীকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর অধিকাংশ সময় সাবেক সচিবরাই এই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন।

    অন্যদিকে বিভিন্ন কমিশনে কমিশনার হিসেবে বিচার বিভাগ, সশস্ত্র বাহিনী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার নজির রয়েছে। এবারও একই ধরনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত মার্চের শুরুতে পুরো কমিশন পদত্যাগের সময় দুদকের অভিযোগ যাচাই-বাছাই কমিটিতে (যাবাক) কয়েক হাজার অভিযোগ পর্যালোচনায় ছিল। সেগুলোর মধ্যে কিছু অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হলেও কমিশন না থাকায় সিদ্ধান্ত হয়নি।

    এরপরও প্রতিদিনই নতুন নতুন অভিযোগ জমা হচ্ছে। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং কয়েকজন উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগও এসেছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে হয়রানি, ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগও জমা পড়ছে।

    বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পাসপোর্ট অফিস, ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, হাসপাতাল, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ আসছে নিয়মিতভাবে।

    দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরেও প্রতিদিন অভিযোগ আসছে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় প্রধান কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন কার্যালয়ে এসব অভিযোগ জমা হচ্ছে। তবে কমিশন না থাকায় এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক আখতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদায়ী কমিশনের অনুমোদিত অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চালু রয়েছে।

    তবে সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যেসব তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষ হয়েছে, সেগুলোর মামলা ও অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন। কমিশন না থাকায় এসব কাজ আটকে আছে। অন্যদিকে কিছু কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। যদিও চাইলে তারা এসব কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নতুন সতর্কতা মার্কিন দূতাবাসের, ঝুঁকিতে ভিসা

    জুন 27, 2026
    বাংলাদেশ

    বিতর্ক, বিদ্বেষ, অপমান আর মন্দের প্রতি মানুষের আকর্ষণ কোথায় নিয়ে যাচ্ছে সমাজকে?

    জুন 27, 2026
    বাংলাদেশ

    বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

    জুন 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.