সরকারের মালিকানাধীন কোনো পাটকল বর্তমানে চালু নেই। এ কারণে নতুন করে সরকারি উদ্যোগে পাট ক্রয় ও সংরক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনেরও কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।
সংসদে নড়াইল-১ আসনের সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীন ২৫টি পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২০টি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে ১৪টি মিল ইজারা দেওয়া হয়েছে এবং এর মধ্যে ৯টি উৎপাদনে ফিরেছে। বাকি ৬টি মিল ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুস সালামের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী দেশের বস্ত্রশিল্পের বর্তমান সক্ষমতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশে বছরে প্রায় ৮০০ কোটি মিটার বস্ত্রের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ৪০০ কোটি মিটার ওভেন কাপড় এবং ৪০০ কোটি মিটার নিট কাপড়ের প্রয়োজন হয়।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বস্ত্রকলগুলো নিট কাপড়ের মোট চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ এবং ওভেন কাপড়ের প্রায় ৪০ শতাংশ সরবরাহ করছে। পাশাপাশি দেশের হস্তচালিত তাঁতশিল্প থেকে বছরে ৪৭ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার মিটার কাপড় উৎপাদিত হয়, যা দেশের মোট বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ শতাংশ পূরণে ভূমিকা রাখছে।

