দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনরায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি নদীপথে যাতায়াতকারীদের প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এই পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লঘুচাপ সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তাই নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে এবং সাধারণ মানুষকে সর্বশেষ আবহাওয়া বার্তার প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

