বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য-অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, কৃষিশ্রমিক ও গাড়িচালক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এ বিষয়ে জাপানি প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রতিষ্ঠিত শিল্প পার্কের আদলে জাপান যদি বাংলাদেশে আরও একটি শিল্প পার্ক স্থাপনে আগ্রহী হয়, তবে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে যৌথভাবে কাজ করার ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে আগামী ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন এবং চলমান ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) প্রকল্পের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের পক্ষে দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলবিষয়ক সহকারী ভাইস মিনিস্টার নাকায়ামা রিয়েকো, জাপানের সিভিল এভিয়েশন ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বৈঠকে অংশ নেন।

