২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুরের কিছু আগে গণভবনের মাঠ থেকে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে শেখ হাসিনার দেশত্যাগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মোড় তৈরি করে। এর মাধ্যমে শেষ হয় তার টানা ১৫ বছরের ক্ষমতার অধ্যায়।
তবে তার বিদায়ের আগেই যে রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর তার সরকার দাঁড়িয়ে ছিল, সেটির ভেতরের দুর্বলতা অনেক গভীর হয়ে গিয়েছিল বলে বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন। সংসদ, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান—যেসব কাঠামো একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করে, সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল।
শেখ হাসিনার শাসনামলের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য ছিল এখানেই। তিনি একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলেন, কিন্তু তার দীর্ঘ শাসনের শেষ পর্যায়ে এসে বিরোধীরা অভিযোগ করে যে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো এমনভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল যে নির্বাহী ক্ষমতার ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রায় ছিল না।
গণতন্ত্রের বাহ্যিক কাঠামো টিকে ছিল। নির্বাচন হয়েছে, আইন পাস হয়েছে, আদালতের রায় এসেছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত স্বাধীনতা এবং কার্যকর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশ্বের রাজনৈতিক বিশ্লেষণে একে অনেক সময় গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ হিসেবে দেখা হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক স্টিভেন লেভিটস্কি এবং ড্যানিয়েল জিবলাট যাকে ব্যাখ্যা করেছেন—গণতন্ত্র ধ্বংস সবসময় সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হয় না; অনেক সময় আইন ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েও প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।
শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু সমালোচকদের মতে, অর্থনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতাও একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছিল।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল: রাজনৈতিক ভারসাম্যের বড় পরিবর্তন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি আসে ২০১১ সালে।
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। এই ব্যবস্থা ১৯৯৬ সালে চালু হয়েছিল এবং নির্বাচনের সময় একটি নিরপেক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো হিসেবে কাজ করেছিল।
এই ব্যবস্থার অধীনে ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পেছনে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ভূমিকা ছিল। তিনি ২০১০ সালে দুইজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে অতিক্রম করে প্রধান বিচারপতি হন এবং তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন।
তবে একই রায়ে আদালত পরবর্তী দুটি নির্বাচনেও জনআস্থা রক্ষার স্বার্থে এই ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু সেই পরামর্শ বাস্তবায়ন করা হয়নি।
সমালোচকদের মতে, এর ফলে নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা হারিয়ে যায় এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব আরও বেড়ে যায়।
এর পরবর্তী নির্বাচনগুলো নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়।
২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট অংশ নেয়নি। ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা।
২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়েও বিরোধীরা অভিযোগ তোলে যে, ভোটের আগের রাতেই অনেক ব্যালটে সিল মারা হয়েছিল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তার জোট ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন পায়। বিএনপি পায় মাত্র সাতটি আসন।
২০২৪ সালের নির্বাচনেও বিএনপি অংশ নেয়নি। দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে অংশ নেওয়া বিরোধী দলগুলো কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করতে পারেনি বলে সমালোচনা হয়।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন
একটি সরকারের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে বিচার বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে।
২০১৪ সালের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়। তবে ২০১৭ সালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই সংশোধনী বাতিল করে দেয়।
এর পর প্রধান বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগ, নজরদারি এবং হয়রানির অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি পদত্যাগ করে দেশের বাইরে চলে যান। তার লেখা স্মৃতিকথায় তিনি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার চাপের কথা উল্লেখ করেন।
এছাড়া নিম্ন আদালতের নিয়োগ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রায় ২ হাজার ৮০০ জন দলীয়ভাবে ঘনিষ্ঠ আইনজীবীকে বিভিন্ন জেলায় সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।
সমালোচকদের মতে, এর ফলে বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২০১৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড বাড়ানোর একটি হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির পদত্যাগ বিচার বিভাগের রাজনৈতিকীকরণ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করে।
সংসদ হারায় কার্যকর ভূমিকা
গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো সংসদ। কিন্তু বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে থাকা ৭০ অনুচ্ছেদ সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ সীমিত করে রেখেছে।
এই বিধান অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার সদস্যপদ বাতিল হতে পারে।
সমালোচকদের মতে, শেখ হাসিনা সরকার এই ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালীভাবে ব্যবহার করেছে। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বড় অংশই দলীয় মনোনয়নের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।
ফলে সংসদ সরকারের সিদ্ধান্তের কার্যকর নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারেনি বলে অভিযোগ ওঠে।
এমনকি জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। দশম ও একাদশ সংসদে দলটি একদিকে বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত ছিল, অন্যদিকে সরকারের অংশ হিসেবেও ছিল। তাদের কয়েকজন সদস্য মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং দলটির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
সমালোচকদের মতে, সরকারে থাকা বিরোধী দল কার্যকর বিরোধী ভূমিকা পালন করতে পারে না।
আইন ব্যবহারের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
শেখ হাসিনা সরকারের সময় সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।
২০১৮ সালে প্রণীত এই আইনে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের মতো বিষয়কে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সমালোচকদের মতে, আইনটি সাংবাদিক, লেখক, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, এই আইনের অধীনে অন্তত ৪৩৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
লেখক মুশতাক আহমেদ সরকারের করোনা নীতি নিয়ে সমালোচনার পর আটক হন এবং নয় মাস কারাবন্দি থাকার পর মারা যান। কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরও নির্যাতনের অভিযোগ করেন।
আন্তর্জাতিক সমালোচনার পর ২০২৩ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়। তবে সমালোচকদের মতে, মূল কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসেনি।
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ নিয়েও উদ্বেগ ছিল। অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা, গণমাধ্যম মালিকানায় রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠে।
২০২৪ সালের বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬৫তম, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে নিচের অবস্থান।
রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহারের অভিযোগ
শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি ছিল মানবাধিকার পরিস্থিতি।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ১৫ বছরে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং বিরোধীদের দমনে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।
তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে অন্তত ২ হাজার ৬৯৯টি বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং ৬৭৭টি গুমের অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের বিরুদ্ধে এসব ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে এবং ২০২১ সালের ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় সংস্থাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাইরে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার অভিযোগ ওঠে।
২০২৪ সালের আন্দোলন এবং চূড়ান্ত পতন
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন দ্রুত বড় রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত হয়।
আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাণঘাতী ব্যবহারের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে।
রংপুরের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যু আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে ওঠে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, সরকার পতনের আগে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হতে পারে। এদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। একই সময়ে ১১ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হয়।
এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।
অর্থনৈতিক সাফল্য বনাম রাজনৈতিক সংকট
শেখ হাসিনা সরকারের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সাফল্য ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
২০১৮ সালে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক বিস্ময় হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামও বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় অর্থনীতিগুলোর একটি হিসেবে দেখেছিল।
তবে সমালোচকদের মতে, অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যায়নি।
তাদের যুক্তি, উন্নয়ন কখনোই জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ও জবাবদিহিতার বিকল্প হতে পারে না।
শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার কার্যকর ও স্বাধীন করা।
কারণ একটি সামরিক অভ্যুত্থান সাধারণত প্রকাশ্যভাবে আসে এবং তাকে প্রতিহত করা যায়। কিন্তু যখন কোনো রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সেই কাঠামো পুনর্গঠন করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায়।
শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হতে পারে—গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন দিয়ে টিকে থাকে না। একটি কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিমূলক সরকার এবং ক্ষমতার ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

