Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, আগস্ট 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঢাবির ৫৮ শিক্ষকের তালিকা ঘিরে প্রশ্ন, অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে বিতর্ক
    বাংলাদেশ

    ঢাবির ৫৮ শিক্ষকের তালিকা ঘিরে প্রশ্ন, অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে বিতর্ক

    হাসিব উজ জামানআগস্ট 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮ শিক্ষকের নাম একটি তালিকায় আসার পর তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব শিক্ষক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কথিত ‘গোপন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত ছিলেন

    তবে তালিকাটি কীভাবে তৈরি হলো, শিক্ষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কী ধরনের তথ্য বা প্রমাণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদৌ এমন একটি তালিকা তৈরির এখতিয়ার রাখে কি না, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন উঠেছে

    ১৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের কথিত গোপন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এসব শিক্ষক ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত

    ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিবেদনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ শিক্ষকের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ শিক্ষকের নাম ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

    বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামকে। অন্য দুই সদস্য হলেন বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন এবং আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক একরামুল হক

    বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তদন্তের সময় নতুন কোনো নাম সামনে এলে সেগুলোকেও পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবে কমিটি

    কিন্তু এখানেই শুরু হয়েছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুস সালাম নিজেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনো তালিকা তৈরি করেননি এবং কমিটির এখনো বৈঠকও হয়নি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, উপাচার্য একটি কমিটি গঠন করেছেন এবং তালিকাটি কে তৈরি করেছে, সে বিষয়ে তিনি জানেন না

    অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তথ্য চেয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হিসেবে সেই তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় নিজে ওই তালিকা তৈরি করেনি

    এই বক্তব্য দুটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৫৮ শিক্ষকের নাম শনাক্ত করার কথা বিজ্ঞপ্তিতে বললেও, সেই নামগুলো কী প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কোন কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে তা করা হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়

    আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তালিকায় এমন অন্তত তিনজন শিক্ষকের নাম রয়েছে, যারা নিজেদের ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন

    শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি এমন কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত নন এবং কীভাবে তাঁর নাম তালিকায় এসেছে, তা তিনি জানেন না

    সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মশিউর রহমানও তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর কোনো টেলিগ্রাম হিসাব নেই এবং এর আগে কখনো এমন হিসাব খোলেননি। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে যে বৈঠক ডেকেছিলেন, সেটি ছাড়া টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না

    অধ্যাপক মো. আবদুল মুহিতের নাম নিয়েও বিভ্রান্তির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, কুষ্টিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল আল মোহিতের সঙ্গে নামের মিল থাকার কারণে ভুলবশত তাঁর নাম তালিকায় যুক্ত হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চিঠি দিলে তিনি লিখিতভাবে নিজের অবস্থান জানাবেন

    এসব বক্তব্যের কারণে তালিকাটি তৈরির পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। কারণ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হলে সেই অভিযোগের নির্দিষ্ট ভিত্তি থাকা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ দেওয়া আইনের মৌলিক নীতির অংশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও আইন বিশেষজ্ঞও এই কমিটি গঠন নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, শুধু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো প্রতিবেদনকে ভিত্তি করে কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা আইনসম্মত নয়। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নও উঠতে পারে না

    সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুবের মতে, কেউ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা তালিকা বা কমিটি গঠনের আইনগত ভিত্তি নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন

    তাঁর মতে, এভাবে শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হলে অন্য শিক্ষকদের মধ্যেও ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে

    অধ্যাপক আবদুস সালাম অবশ্য বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চাইলে কমিটি গঠন করতে পারে। উপাচার্য কমিটি গঠন করেছেন এবং পরে তা সিন্ডিকেটের অনুমোদন পাবে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর সেটি পরীক্ষা করতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে

    এখানে আরও একটি আইনি প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রযোজ্য আইন ও বিধিতে সরাসরি ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড’ নামে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের উল্লেখ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অসদাচরণ ও নৈতিক স্খলনের আওতায় বিবেচনা করা যেতে পারে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর ৫৬(৩) ধারায় বলা হয়েছে, নৈতিক স্খলন বা অদক্ষতার কারণে কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা যেতে পারে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার আগে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে অনুসন্ধান করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে তাঁর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দিতে হবে

    কিন্তু ওই ধারায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড’ কথাটির সরাসরি উল্লেখ নেই

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির ৪৫(৩) ধারাতেও শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে শাস্তি বা বরখাস্তের ক্ষেত্রে নৈতিক স্খলন, অদক্ষতা, চাকরির শৃঙ্খলার পরিপন্থী আচরণ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীর জন্য অনুপযুক্ত আচরণের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে

    আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রথম সংবিধির ৪৫(২) ধারায় একজন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীর রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আইনসম্মত কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অধিকারও স্বীকার করা হয়েছে, যদি সেই সম্পর্ক থেকে তিনি আর্থিক সুবিধা গ্রহণ না করেন

    আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান মনে করেন, কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে প্রথমে তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করতে হবে। অভিযোগ নির্দিষ্ট হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তদন্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে

    তাঁর মতে, শুধু রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে অথবা কাউকে সাবেক সরকারের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩ কিংবা দেশের কোনো ফৌজদারি আইন লঙ্ঘনের ঘটনা থাকলে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে

    তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ব্যাপক বা অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হলে আদালতে সেই ব্যবস্থা টেকসই নাও হতে পারে

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মামুন মাহবুবও মনে করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা নির্ধারিত নেই। তাঁর মতে, এমন পরিস্থিতিতে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে একটি কমিটি গঠন করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে

    তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিযোগগুলো পরীক্ষা করাই কমিটির কাজ। তদন্তে যদি কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    এই পুরো ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অভিযোগ এবং প্রমাণের মধ্যে পার্থক্য। কোনো সংবাদ প্রতিবেদন, গোয়েন্দা তথ্য বা কোনো তালিকায় নাম থাকা নিজেই কোনো ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণ করে না। বিশেষ করে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে নির্ভরযোগ্য তথ্য, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং স্বচ্ছ তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও অস্বীকার করা যায় না। কোনো শিক্ষক সত্যিই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন করলে কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সেই ব্যবস্থা অবশ্যই প্রচলিত আইন, নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগের মধ্য দিয়ে হতে হবে

    কারণ রাজনৈতিক মতামত এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এক বিষয় নয়। একজন শিক্ষক কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাস করতে পারেন বা আইনসম্মত কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। শুধু সেই রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তাঁকে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করা হলে তা ব্যক্তির অধিকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন পরিবেশ—দুই ক্ষেত্রেই বড় প্রশ্ন তৈরি করতে পারে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮ শিক্ষকের তালিকা তাই শুধু কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় হয়ে থাকছে না। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ক্ষমতা, শিক্ষকদের রাজনৈতিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক এবং অভিযোগ তদন্তের আইনি সীমা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক তৈরি করেছে

    এখন সবচেয়ে জরুরি হলো, অভিযোগগুলো কীভাবে যাচাই করা হয় এবং তালিকায় থাকা শিক্ষকদের নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার কতটা সুযোগ দেওয়া হয়। তদন্ত যদি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে হয়, তাহলে প্রকৃত অভিযোগ থাকলে তা প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ থাকবে। আর অভিযোগের ভিত্তি দুর্বল হলে নির্দোষ শিক্ষকদের অযথা হয়রানি থেকে রক্ষা করাও সম্ভব হবে

    শেষ পর্যন্ত এই ঘটনার গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে একটি বিষয়েই—অভিযোগের চেয়ে প্রমাণকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইন ও ন্যায্য প্রক্রিয়া কতটা অনুসরণ করছে

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    আগস্ট 23, 2026
    বাংলাদেশ

    বিদ্যুৎ আছে, তবুও অন্ধকারে বাংলাদেশ: তিন দশকের ভুল নীতির মাশুল

    আগস্ট 23, 2026
    বাংলাদেশ

    পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান, কতটা সম্ভব?

    আগস্ট 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.