Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, সেপ্টে. 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তীব্র গরমে বছরে ৫০ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা আয় হারাচ্ছেন অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকরা
    বাংলাদেশ

    তীব্র গরমে বছরে ৫০ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা আয় হারাচ্ছেন অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকরা

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    তীব্র গরমে বাংলাদেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের বছরে কোটি কোটি টাকার মজুরি হারাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে কর্মদিবস হারানো, অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত তাপের কারণে দেশের অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকরা বছরে আনুমানিক ৫০ হাজার ৬৩০ কোটি টাকার মজুরি হারাচ্ছেন, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ০.৯১ শতাংশের সমান।

    ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (IIED) এবং অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (OKUP) পরিচালিত গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। ‘নো এসকেপিং দ্য হিট: হেলথ অ্যান্ড ইকোনমিক ইমপ্যাক্টস অব হিট স্ট্রেস অন ইনফরমাল ওয়ার্কার্স ইন আরবান বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণাটি ঢাকার ১৭৫টি অনানুষ্ঠানিক শ্রমিক পরিবারের ওপর জরিপের ভিত্তিতে করা হয়েছে। এতে নির্মাণশ্রমিক, রিকশাচালক ও পোশাকশ্রমিকদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের তাপমাত্রাজনিত চাপের কারণে সৃষ্ট ক্রনিক কিডনি রোগের অর্থনৈতিক ক্ষতিও হিসাবের মধ্যে আনলে গরমের মোট প্রভাব জিডিপির ১.৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য ও তাপের সংস্পর্শে থাকা প্রায় ৩ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার শ্রমিক বছরে আনুমানিক ২৮ হাজার ৮৯০ কোটি টাকার মজুরি হারাচ্ছেন।

    তীব্র গরমের কারণে বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা বছরে গড়ে ২৩.৭ দিন কাজ হারান। ঘরের ভেতরে কাজ করা শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ১৩.৫ দিন। কর্মদিবস হারানোর প্রধান কারণ তাপজনিত অসুস্থতা। বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা গড়ে ১৫.৩ দিন এবং ভেতরে কাজ করা শ্রমিকরা ৮.১ দিন তাপজনিত অসুস্থতার কারণে কাজ করতে পারেন না। বাকি কর্মদিবসের ক্ষতির বড় অংশ উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার কারণে হয়।

    দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোর জন্য এই ক্ষতির প্রভাব আরও বড়। গবেষণায় দেখা গেছে, বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা বছরে গড়ে ১৮ হাজার ৩৮৩ টাকা এবং ঘরের ভেতরে কাজ করা শ্রমিকরা ১০ হাজার ৯৯৯ টাকা আয় হারান। নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে এই ক্ষতি পূরণ করতে অনেক সময় ঋণ নিতে হয়, খাবারের খরচ কমাতে হয় কিংবা চিকিৎসা পিছিয়ে দিতে হয়।

    বাংলাদেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮৪.৯ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাতে। এসব পেশার বড় অংশের আয় সরাসরি শারীরিক শ্রমের ওপর নির্ভরশীল। অথচ আনুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের মতো তাদের সাধারণত লিখিত চাকরির চুক্তি, বেতনসহ ছুটি, সামাজিক নিরাপত্তা কিংবা কার্যকর কর্মক্ষেত্র সুরক্ষা থাকে না।

    ঘরের ভেতরেও নিরাপদ নয় শ্রমিকরা

    চরম গরম থেকে ঘরের ভেতরে কাজ করা শ্রমিকরা তুলনামূলক নিরাপদ—এমন ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করেছে গবেষণাটি। পোশাকশ্রমিকদের অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে এমন কারখানায় কাজ করেন, যেখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা সীমিত। ফলে দিনের সঙ্গে সঙ্গে কারখানার ভেতরে তাপ জমতে থাকে।

    সরাসরি সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষিত থাকার পরও ঘরের ভেতরের শ্রমিকদের মধ্যে হিট এক্সহস্টশনের হার ছিল বাইরের শ্রমিকদের প্রায় সমান। গরমের মৌসুমে বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা দিনে গড়ে ৯.৫ ঘণ্টা কাজ করেন, যার প্রায় ছয় ঘণ্টাই কাটে সরাসরি রোদে। অন্যদিকে ভেতরে কাজ করা শ্রমিকরা গড়ে ৮.৮ ঘণ্টা কাজ করেন। তবে পোশাক কারখানায় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার চাপ থাকায় তারা প্রয়োজনমতো বিরতি নেওয়ার সুযোগ কম পান।

    বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের মাত্র ২৭ শতাংশ জানিয়েছেন, কর্মস্থলে তারা সবসময় ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা পান। ছায়াযুক্ত বিশ্রামের জায়গা সবসময় পান মাত্র ১১.৫ শতাংশ। আবার ৬১.৫ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের কর্মস্থলে কখনোই প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকে না।

    ঘরের ভেতরের শ্রমিকদের পানি ও ছায়ার সুবিধা তুলনামূলক ভালো হলেও তারা বিরতি পান কম। ৫৬.৬ শতাংশ শ্রমিক জানিয়েছেন, পুরো কর্মদিবসে তারা মাত্র একবার বিরতি পান। গবেষণায় এর পেছনে পোশাক কারখানার কঠোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাকে দায়ী করা হয়েছে।

    শুধু কর্মস্থল নয়, শ্রমিকদের বাসাবাড়ির অবস্থাও গরমের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। জরিপে অংশ নেওয়া ঘরের ভেতরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের ৬৬ শতাংশের বাড়ির ছাদ টিন বা অ্যাসবেস্টসের তৈরি। ৯২.৯ শতাংশ পরিবারই বসবাসের জায়গার ন্যূনতম মানদণ্ডের নিচে রয়েছে। বাইরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের ৫৪.১ শতাংশ টিন বা অ্যাসবেস্টসের ছাদের ঘরে থাকে এবং ৫৭.৩ শতাংশ পরিবারের বসবাসের জায়গা ন্যূনতম সীমার নিচে।

    বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা নিজেদের বাড়ির গরমের মাত্রা পাঁচের মধ্যে ৪.৪ এবং ঘরের ভেতরে কাজ করা শ্রমিকরা ৪.৩ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অধিকাংশ পরিবারেরই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা পানি দিয়ে ঠান্ডা করার কোনো ব্যবস্থা নেই। তারা মূলত ফ্যানের ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু ছোট ঘর, অতিরিক্ত গরম এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে ফ্যান থেকেও পর্যাপ্ত স্বস্তি পাওয়া যায় না।

    IIED-এর জলবায়ু সহনশীলতা, অর্থায়ন ও ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ক পরিচালক রিতু ভরদ্বাজ বলেন, শ্রমিকদের তাপের সংস্পর্শ শুধু কর্মস্থলেই সীমাবদ্ধ থাকে না। কর্মস্থলের প্রচণ্ড গরম থেকে ফিরে তাদের আবার টিনের ছাদ, একটি ফ্যান এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যে থাকতে হয়। ফলে শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সুযোগও তারা পান না।

    গরমের ক্ষতি শরীরের ভেতরেও

    দীর্ঘসময় অতিরিক্ত গরম ও পানিশূন্যতার মধ্যে থাকলে কিডনিসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২৩.১ শতাংশ শ্রমিকের মধ্যে তীব্র কিডনি সমস্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপসর্গ রয়েছে। প্রায় ৬ শতাংশ শ্রমিক ভবিষ্যতে বারবার তাপের সংস্পর্শে থাকার কারণে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

    জাতীয় পর্যায়ে এই হার প্রয়োগ করলে শারীরিকভাবে পরিশ্রমসাধ্য অনানুষ্ঠানিক কাজে যুক্ত প্রায় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষের ঝুঁকিতে থাকার কথা উঠে আসে। এর ফলে বছরে আনুমানিক ৬১ কোটি কর্মদিবসের সমপরিমাণ ক্ষতি হতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    শ্রমিকদের মধ্যে হিট ক্র্যাম্প, হিট এক্সহস্টশন ও হিটস্ট্রোকের ঘটনাও ব্যাপক। গরমের মৌসুমে বাইরে ও ভেতরে কাজ করা শ্রমিকদের মধ্যে হিট এক্সহস্টশনের হার প্রায় একই ছিল। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত শ্রমিকদের খুব কমসংখ্যকই চিকিৎসা পেয়েছেন। গবেষণা অনুযায়ী, হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত প্রতি ২০ জনের মধ্যে প্রায় ১৯ জনই কোনো চিকিৎসা নেননি।

    অতিরিক্ত গরমের প্রভাব পড়ছে শ্রমিকদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও। গরমের মৌসুমে তাদের মানসিক চাপের সূচক দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যায়। বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এটি ১০-এর মধ্যে ৫.২ এবং ভেতরে কাজ করা শ্রমিকদের ক্ষেত্রে ৪.৯-এ পৌঁছায়। শ্রমিকরা মন খারাপ, উদ্বেগ, খিটখিটে মেজাজ, কাজের সময় ভুল করা এবং ঘুমের সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

    গরম বাড়াচ্ছে দারিদ্র্য ও খাদ্যসংকট

    গরমের কারণে আয় কমে যাওয়ার বিষয়টি বাদ দিয়েও জরিপে অংশ নেওয়া পরিবারগুলোর আয় ঢাকার জীবনযাপনের জন্য নির্ধারিত জীবিকা মজুরির চেয়ে কম। ঢাকার বার্ষিক জীবনযাপনযোগ্য মজুরির মানদণ্ড ৩ লাখ ৭০ হাজার ৬৭ টাকা। এর বিপরীতে বাইরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের গড় বার্ষিক আয় ২ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৯ টাকা এবং ভেতরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের আয় ২ লাখ ৪৫ হাজার ১২৭ টাকা।

    তাপজনিত আয়ক্ষতি হিসাবের মধ্যে নেওয়ার পর বাইরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের বার্ষিক আয় কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৪ টাকা এবং ভেতরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের আয় ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৩০ টাকা।

    ফলে বাইরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের জীবনযাপনযোগ্য মজুরির ঘাটতি ৪১.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬.৪ শতাংশ হয়। ভেতরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের ক্ষেত্রে ঘাটতি ৩৩.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬.৮ শতাংশে।

    গরমের সঙ্গে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতাও বাড়ছে। বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি পরিবার এবং ভেতরে কাজ করা শ্রমিকদের ২৮.৩ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, আগের মাসে প্রতিদিন পর্যাপ্ত খাবার জোটেনি।

    বাইরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারগুলো আগের মাসে গড়ে ১২.৭ দিন পর্যাপ্ত খাবার পায়নি। ভেতরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের ক্ষেত্রে এ সংখ্যা ১২.৫ দিন। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে খাদ্যসংকট সবচেয়ে বেশি ছিল। এর মধ্যে মে ও জুন ছিল সবচেয়ে খারাপ সময়।

    সহায়তার বাইরে অভিবাসী শ্রমিকরা

    জরিপে অংশ নেওয়া পরিবারগুলোর বড় একটি অংশ অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের পরিবার। বাইরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের ৭৩ শতাংশ এবং ভেতরে কাজ করা শ্রমিক পরিবারের ৫২.৮ শতাংশের ক্ষেত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    অনেক অভিবাসী শ্রমিকের নিবন্ধন নিজ নিজ গ্রামের বা জেলার ঠিকানায় থাকায় ঢাকায় কাজ করলেও এখানকার সামাজিক নিরাপত্তা, খাদ্য সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা সমস্যায় পড়েন।

    জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ১০টির মধ্যে ৯টি পরিবারই কোনো সরকারি খাদ্য সহায়তা পায়নি। শহরের অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি না থাকায় চিকিৎসার খরচও তাদের নিজেদের বহন করতে হয়। অনেককে চিকিৎসার জন্য ঋণ করতে হয়, আবার কেউ কেউ খরচের ভয়ে চিকিৎসাই নেন না।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা মূলত গ্রামীণ দারিদ্র্য দূরীকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত বিভিন্ন সুবিধার ওপর কেন্দ্রীভূত। ফলে শহরের বিপুলসংখ্যক অনানুষ্ঠানিক শ্রমিক এই ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।

    নগদ সহায়তার সুপারিশ

    তীব্র গরমের প্রভাব মোকাবিলায় অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের জন্য মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে নগদ সহায়তা কর্মসূচি চালুর সুপারিশ করেছেন গবেষকরা। এ ক্ষেত্রে বিকাশ ও নগদের মতো সেবা ব্যবহার করা যেতে পারে।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, গরমের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে এ ধরনের নগদ সহায়তা কর্মসূচিতে বছরে ৩৮৬ কোটি থেকে ১ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। নগদ সহায়তার সঙ্গে অস্থায়ী স্বাস্থ্য সহায়তা এবং খাদ্য কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার যুক্ত করে একটি সমন্বিত প্যাকেজ চালু করলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াতে পারে ৮৬২ কোটি থেকে ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা।

    গবেষকদের মতে, চরম গরমের কারণে যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে, তার তুলনায় এই সহায়তা কর্মসূচির ব্যয় খুবই সামান্য।

    শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তাপজনিত চাপের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় সরকার কাজ করবে এবং বিষয়টিকে নীতিনির্ধারণের আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করবে।

    তিনি আরও বলেন, কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা না গেলে উৎপাদনশীলতা কমে যাবে। সরকার এ সমস্যা সমাধানে কাজ করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    বগুড়া পুলিশে কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগ, জড়িত ৮

    সেপ্টেম্বর 5, 2026
    বাংলাদেশ

    ইলেকট্রনিক পেমেন্ট যেভাবে ক্রেতা-বিক্রেতার আস্থার সংকট কমাতে পারে

    সেপ্টেম্বর 5, 2026
    বাংলাদেশ

    ঢামেকে রোগীর চার বেলার খাবারে বরাদ্দ মাত্র ১৪৯ টাকা

    সেপ্টেম্বর 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.