Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, সেপ্টে. 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » উচ্চশিক্ষিতদের চাকরির জন্য হাহাকার, কর্মসংস্থানে তিনগুণ এগিয়ে নিরক্ষর পরিবার
    বাংলাদেশ

    উচ্চশিক্ষিতদের চাকরির জন্য হাহাকার, কর্মসংস্থানে তিনগুণ এগিয়ে নিরক্ষর পরিবার

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে শিক্ষার হার বাড়লেও শিক্ষিত তরুণদের জন্য উপযুক্ত কাজের সুযোগ সেই হারে বাড়েনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়েও অনেকে বছরের পর বছর চাকরির অপেক্ষায় আছেন। অন্যদিকে কম শিক্ষিত বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থাকা অনেকেই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ পেয়ে আয় করছেন। দারিদ্র্য কমার হিসাবেও নিরক্ষর পরিবারগুলো এগিয়ে আছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন বছর আগে পড়াশোনা শেষ করেছেন আমিরুল ইসলাম। স্বপ্ন ছিল ভালো চাকরি করে স্বাবলম্বী হবেন। এখন তিনি নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে বসে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সীমিত সুযোগের বিপরীতে হাজারো প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তিনি ক্লান্ত। আমিরুল বলেন, ২০২৩ সালে পড়াশোনা শেষ করেছেন, এখন চাকরির জন্য পড়ছেন। অথচ তাঁর এলাকার এসএসসি পাস করা বন্ধুদের কেউ বিদেশে, কেউ দেশে ব্যবসা করছেন। তাঁরা অনেক এগিয়ে গেছেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী জানান, তিনি প্রথম বিসিএসে উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এখন অন্য চাকরির চেষ্টা করছেন। তাঁর মতে, শিক্ষা কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না, যা জাতি হিসেবে হতাশার। আমিরুলের মতো উচ্চশিক্ষিত তরুণের সংখ্যা কম নয়। শিক্ষার হার বাড়লেও সেই অনুপাতে উপযুক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ শিক্ষাজীবন শেষ করার পরও বড় একটি অংশের জন্য কাজের নিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।

    দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রেও শিক্ষার সুফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০০৫ থেকে ২০২২ সালের চারটি জরিপের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৭ বছরে নিরক্ষর পরিবারে অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে ২৭ শতাংশ পয়েন্টের বেশি। একই সময়ে শিক্ষিত পরিবারে এই হার কমেছে মাত্র সাড়ে ৮ শতাংশ পয়েন্ট। অর্থাৎ নিরক্ষর পরিবারে অতি দারিদ্র্য কমার হার শিক্ষিত পরিবারের তিন গুণেরও বেশি। উচ্চ দারিদ্র্যসীমার ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে।

    এই সংকটের সঙ্গে অর্থনীতির গঠনের সম্পর্ক আছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় সাড়ে ছয় গুণ বড় হয়েছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজের সুযোগ একই হারে বাড়েনি। বরং বিস্তার ঘটেছে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের।

    ফলে উচ্চশিক্ষিতদের বড় অংশ নিজেদের যোগ্যতা ও প্রত্যাশার সঙ্গে মানানসই কাজের জন্য অপেক্ষা করছেন। বিপরীতে কম শিক্ষিত মানুষ কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহন ও নির্মাণের মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে দ্রুত যুক্ত হতে পারছেন।

    সাবেক শিক্ষা ও বিজ্ঞান সচিব এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বর্তমান সময়ের চাহিদার যথাযথ মিল নেই। যুগোপযোগী শিক্ষা নিয়ে ভাবার মানুষ কম। তাঁর মতে, শিক্ষা এখন বাণিজ্যে রূপ নিয়েছে, তাই এই নৈরাজ্য কাটছে না। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পর্যায়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সনদনির্ভর উচ্চশিক্ষা দিয়ে কর্মসংস্থানের সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। এর জন্য তিনটি বিষয়ে জোর দিতে হবে। প্রথমত, শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাক্রম বদলাতে হবে। দ্বিতীয়ত, কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের সংযোগ জোরদার করতে হবে।

    একই সঙ্গে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র বাড়ানোও জরুরি। কারণ প্রবৃদ্ধি যদি মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক ও কম উৎপাদনশীল কাজের ওপর নির্ভর করে, তাহলে উচ্চশিক্ষার সুফল কর্মসংস্থান ও আয়ে পুরোপুরি প্রতিফলিত হবে না।

    গত দেড় দশকে দেশে শিক্ষার সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণও বেড়েছে। কিন্তু সেই শিক্ষাকে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করতে না পারলে শিক্ষিতদের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান আরও বাড়তে পারে। তাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ শুধু উচ্চশিক্ষার বিস্তার নয়, বরং শিক্ষার মান, প্রাসঙ্গিকতা এবং শ্রমবাজারের প্রয়োজনের সঙ্গে তার সংযোগ নিশ্চিত করা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনে নতুন গণভোটের পরিকল্পনা, শুরু রাজনৈতিক বিতর্ক

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    বাংলাদেশ

    ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা সময়মতো পৌঁছাতে মাসের ২০–২৫ তারিখের মধ্যে নির্ভুল তালিকা পাঠানোর নির্দেশ

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    বাংলাদেশ

    নিয়োগবঞ্চিত ৮১৭ প্রাথমিক শিক্ষক ১ অক্টোবরের মধ্যে পাবেন নিয়োগপত্র: শিক্ষামন্ত্রী

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.