Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, সেপ্টে. 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » “বেহেশতের নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে সরকার”: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
    বাংলাদেশ

    “বেহেশতের নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দেবে সরকার”: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বর্তমান সরকার বেহেশতের নিশ্চয়তা দেবে না, তবে উন্নয়নের নিশ্চয়তা দেবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সাত মাস হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।

    রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জিরানী খাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। ত্রিমোহনী খাল ব্রিজ এলাকায় খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি প্রকল্পের আওতায় এ পরিদর্শন হয়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানী ঢাকাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, একদিনে দেশকে সিঙ্গাপুর বা অস্ট্রেলিয়া বানিয়ে দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি সরকার দিতে চায় না। বাস্তবতা মাথায় রেখে ধাপে ধাপে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে চায় সরকার।

    তিনি বলেন, সরকার একা এ কাজ করতে পারবে না, জনগণের সহযোগিতাও দরকার। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা ভোটের হিসাব না করে ফুটপাত দখলমুক্ত ও নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও চালু হয়েছে।

    মীর শাহে আলম জানান, দক্ষিণ সিটির ২৬টি এবং উত্তর সিটির ২৯টি খালের দুই পাশে প্রয়োজন অনুযায়ী রিটেইনিং ওয়াল ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। এতে খালের পরিবেশ ও সৌন্দর্য বাড়বে, অবৈধ দখলও ঠেকানো যাবে। নগরবাসী হাঁটা ও বিনোদনের সুযোগও পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, ঢাকার পয়োবর্জ্য সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে শোধন করে নদীতে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য গঠিত কমিটি ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। নদী ও খাল রক্ষা এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা শুধু সরকারের পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি ঢাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত, কারিগরি ও প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

    পরিদর্শনকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, সিটির নতুন যুক্ত হওয়া এলাকায় বিদ্যুৎ, ড্রেনেজ ও অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিয়েছে। তবে সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় এসব এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আরও বরাদ্দ প্রয়োজন।

    জিরানী খালটি ৩ দশমিক ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ, প্রস্থ ৪ থেকে ২৫ মিটার। কালুনগর, মান্ডা, জিরানী ও শ্যামপুর খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় এর সংস্কার চলছে। প্রকল্পের ব্যয় ৮৯৮ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মেয়াদ ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। এর ৭০ শতাংশ অর্থ দিচ্ছে সরকার, বাকি ৩০ শতাংশ দিচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিটি করপোরেশন।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ২১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। খালভিত্তিক অগ্রগতি হলো মান্ডা খালে ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ, জিরানী খালে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, কালুনগর খালে ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং শ্যামপুর খালে ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

    প্রকল্পের আওতায় চারটি খালের প্রায় ২০ দশমিক ৫৯ কিলোমিটার পুনঃখনন ও স্লাজ অপসারণ, সীমানা নির্ধারণ ও স্লোপ প্রটেকশনের কাজ হবে। এ ছাড়া নির্মাণ করা হবে ৩২ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল, ৩৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার সুরক্ষা বেষ্টনী এবং ৩২ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে। খালের পাড়ে ল্যান্ডস্কেপিং ও সবুজায়ন হবে। দূষণ রোধে আটটি তরল বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) বসানো হবে। সিএস রেকর্ড অনুযায়ী ১৪৯টি এবং পানি আইন-২০১৩ অনুযায়ী ১ হাজার ৫৯০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিকল্পনাও আছে।

    প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে খালের সীমানা নির্ধারণ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জটিলতা, অচল কালভার্ট অপসারণ, সঠিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাব এবং প্রয়োজনীয় জমির সীমিত প্রাপ্যতা।

    পাঁচ বছরের মেয়াদের বেশির ভাগ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের অগ্রগতি এখনো ২২ শতাংশের কম। ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে কাজের গতি কতটা বাড়ে, সেদিকে নজর থাকবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    দুর্গাপূজায় মিলল বাড়তি ছুটি, টানা পাঁচ দিন অবকাশ, অনুদানও বাড়ল

    সেপ্টেম্বর 29, 2026
    বাংলাদেশ

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি: ‘অন্যায্য চাপের মুখে বই তুলে নেওয়ার ইতিহাস ইউপিএলের নেই’

    সেপ্টেম্বর 29, 2026
    বাংলাদেশ

    হাসিনা ইস্যুতে ভারতের সামনে কঠিন পরীক্ষা

    সেপ্টেম্বর 29, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.