চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার-অনুপযোগী বিপজ্জনক রাসায়নিকের ৯টি কনটেইনার সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) প্রথম ধাপে ১০৬ টন রাসায়নিক নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পরিবেশসম্মত পদ্ধতিতে এসব রাসায়নিক ধ্বংস করা হবে।
কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার মো. রাসেল আহমেদ জানান, বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কনটেইনার জট কমানোর লক্ষ্যে ৯টি কনটেইনারের মোট ১৫০ দশমিক ৮৯ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, ২০০৩ সাল থেকে বন্দরে পড়ে থাকা এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ২৫ দশমিক ৫৫ টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ টন মিথানল এবং ৩২ দশমিক ৩০ টন থিনার।
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনবিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষের (বিএনএসিডব্লিউসি) সুপারিশে এবং কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে এসব রাসায়নিক সরানো হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
শনিবার সকাল ১০টায় কাস্টমসের ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে রাসায়নিকবাহী যানবাহনগুলো পুলিশ প্রহরায় বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়।
রাসেল আহমেদ আরও জানান, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া এলাকায় ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও নিয়মানুগ পদ্ধতিতে এসব রাসায়নিক ধ্বংস করা হবে।
এ কাজে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে বিএনএসিডব্লিউসি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিসিএসআইআর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার ব্যাটালিয়ন।

