গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ টি ইউনিট। দুপুর ১টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। এ পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র তালহা বিন জসিম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এখন আটটি ইউনিট কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলের পথে রয়েছে। অর্থাৎ ঘটনাস্থলে শিগগিরই মোট ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৯ টিতে। এতে বোঝা যায়, আগুনের ব্যাপ্তি বড় এবং এটি নিয়ন্ত্রণে বাড়তি শক্তি প্রয়োজন হচ্ছে।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার ইমরান আলী জানান, চেরাগ আলী এলাকার ওই কারখানার আগুন দুপুর ১টা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কারখানাটি টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
কারখানার পরিচয় নিয়ে শুরুতে কিছুটা অস্পষ্টতা ছিল। প্রথমে এটিকে এসেনশিয়াল ড্রাগসের কারখানা বলা হলেও পরে ফায়ার সার্ভিস জানায়, এটি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানা। আগুন লাগার কারণ কী এবং কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
ওষুধ কারখানায় আগুন লাগলে সাধারণত কাঁচামাল, রাসায়নিক ও প্যাকেজিং সামগ্রীর কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের কারখানায় থাকা দাহ্য উপাদান আগুন নেভানোর কাজকেও জটিল করে তুলতে পারে। তবে এই ঘটনায় প্রকৃত পরিস্থিতি কেমন, তা নির্ভর করবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত ও ক্ষতির হিসাবের ওপর। এ ছাড়া কারখানার ভেতরে শ্রমিক বা কর্মী আটকা পড়েছিলেন কি না, সে বিষয়েও এখনো কিছু জানা যায়নি। এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসা এবং ফায়ার সার্ভিসের পরবর্তী বিবৃতির অপেক্ষা করতে হবে।

