আবহমান বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা এবং শারদীয় দুর্গাপূজাকে শান্তিময়, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মণ্ডপগুলোর জন্য ২৬ দফার একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনামালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। এতে বিশেষ করে সাউন্ড সিস্টেমে উচ্চশব্দে গান বাজানো, বিষাক্ত ও বিকট শব্দের আতশবাজি কিংবা পটকা ফোটানো এবং অপচয়মূলক অতিরিক্ত আলোকসজ্জা এড়িয়ে চলার জন্য পূজা আয়োজনকারীদের কঠোরভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মূলত শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী কিংবা সাধারণ প্রতিবেশীদের অসুবিধা এড়াতেই এই সংযমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা নির্দেশনার বিষয়টি স্পষ্ট করে জানান যে, পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তিমূলক ও ধর্মীয় সংগীতের পরিবর্তে কোনোভাবেই যেন চটি বা চড়া শব্দের ডিজে গান না বাজানো হয়, সে বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব সাজসজ্জার উপকরণ ব্যবহার এবং বিদ্যুতের অযাচিত অপচয় রোধে চোখধাঁধানো অনাবশ্যক আলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির প্রাঙ্গণ ও এর চারপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সাথে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তাৎক্ষণিক ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প হিসেবে জেনারেটর, ইউপিএস বা সোলার প্যানেল প্রস্তুত রাখার তাগিদ রয়েছে।

