দেশের সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ জন প্রাণ হারাচ্ছেন, আর স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ছেন গড়ে ১০৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে করা একটি জাতীয় জরিপের তথ্য বলছে, সড়ক দুর্ঘটনা এখন দেশে আঘাতজনিত মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ। আজ ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে এই পরিসংখ্যান নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, প্রতিশ্রুতি আর দিবস পালনের বাইরে সড়ক নিরাপদ করার বাস্তব পরিকল্পনা কতটা এগিয়েছে।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর জাহিদুল আলম ওমানে কাজ করতেন। ২০২৪ সালের আগস্টে ছুটিতে দেশে আসেন তিনি। ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তাঁর হাত-পা ভেঙে যায়, চোয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনটি দাঁত ভাঙে। মাথায়ও গুরুতর আঘাত পান। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসা চলে। প্রাণে বাঁচলেও পঙ্গুত্ব এড়ানো যায়নি।
২৮ বছর বয়সী এই যুবক এখন ভারতের বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মঙ্গলবার ফোনে তিনি জানান, চিকিৎসায় এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৬৫ লাখ টাকা। জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে, ধারদেনাও করতে হয়েছে। পায়ে আটবার অস্ত্রোপচার হয়েছে, কয়েকবার পচনও ধরেছে। বিদেশে আর ফেরা হবে বলে তাঁর মনে হয় না।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সজীবের গল্পও কাছাকাছি। ২০২১ সালে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ পা ভেঙে যায়, শরীরের নানা জায়গায় আঘাত লাগে। ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে প্রায় ৩৩ দিন চিকিৎসা নিতে হয় তাঁকে, অস্ত্রোপচারও হয়। এখনো স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেন না। দুর্ঘটনার আগে কারখানায় চাকরি করতেন, কিন্তু প্রায় তিন বছর কোনো কাজ করতে পারেননি। এখন একটি চায়ের দোকান দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাচ্ছেন।
২০২১ সালে রাজশাহীতে বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে একটি মাইক্রোবাসে আগুন লেগে একই পরিবারের ১৭ জন মারা যান। একমাত্র বেঁচে যান পাভেল মিয়া, তখন তাঁর বয়স ১৭ বছর। রংপুরের একটি কলেজে সবে ভর্তি হয়েছিলেন। তিন মাস আইসিইউতে থাকতে হয় তাঁকে। দুটি দাঁত ও ডান হাতের বুড়ো আঙুল চিরতরে হারিয়েছেন, কথা বললে এখনো জড়িয়ে যায়। পড়াশোনা আর এগোয়নি। তিনি বলেন, কোনো কাজ করতে পারেন না; একটি সরকারি চাকরি পেলে জীবন চালানো সহজ হতো।
এই তিনটি ঘটনা আলাদা, কিন্তু একটি জায়গায় মিল আছে। দুর্ঘটনার ধাক্কা শুধু একজন মানুষের শরীরে থেমে থাকে না, তা পুরো পরিবারের আয়, সঞ্চয় ও ভবিষ্যৎকে নাড়িয়ে দেয়।
পরিসংখ্যান এই বাস্তবতাকেই সমর্থন করে। ২০২৩-২৪ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির উদ্যোগে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ ‘জাতীয় স্বাস্থ্য ও আঘাত’ শীর্ষক একটি জরিপ করে। ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ চলে। দেশের ৬৪ জেলায় ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৮ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে জরিপের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর প্রাণঘাতী নয়, এমন আঘাতের শিকার হন প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার মানুষ। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন ৩০ লাখ ৩১ হাজার ২৮ জন, অর্থাৎ প্রায় ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে বছরে প্রায় ১ হাজার ৮৩৫ জন সড়কে আহত হন। প্রাণঘাতী নয়, এমন আঘাতের কারণের তালিকায় সড়ক দুর্ঘটনার অবস্থান তৃতীয়।
দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির চিত্র আরও উদ্বেগজনক। জরিপের হিসাবে, নানা ধরনের আঘাতে দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৯ জন স্থায়ীভাবে পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী হন। এর মধ্যে ৩৮ হাজার ২৮ জনের কারণ সড়ক দুর্ঘটনা, যা মোট সংখ্যার প্রায় ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। দৈনিক হিসাবে এটি ১০৪ জন। এই প্রতিবন্ধিত্ব বলতে দৃষ্টি, শ্রবণ, হাতের কার্যক্ষমতা, চলাফেরা কিংবা মানসিক সক্ষমতার স্থায়ী ক্ষতি ধরা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি চারজন আঘাতজনিত স্থায়ী প্রতিবন্ধীর মধ্যে একজনের বেশি সড়কের শিকার।
মৃত্যুর হিসাবও একই ভয়াবহতা দেখায়। জরিপ বলছে, প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় আনুমানিক ২৪ হাজার ২৩৩ জন মারা যান, গড়ে দিনে ৬৬ জন। প্রতি ১ লাখ মানুষে মৃত্যুর হার ১৪ দশমিক ৬৭। নিহতদের ৮৪ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ, নারী ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। গ্রামের তুলনায় শহরে মৃত্যুর হার বেশি। শহরে প্রতি লাখে ১৬ দশমিক ৫৬ জন, গ্রামে ১৩ দশমিক ৮১ জন।
পরিসংখ্যানে পুরুষের আধিক্য কাকতালীয় নয়। নিহত ও আহতদের বড় অংশই তরুণ ও কর্মক্ষম, যাঁদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র বা প্রধান উপার্জনকারী। সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চের উপনির্বাহী পরিচালক সেলিম মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সড়কে পঙ্গু, মারাত্মক আহত ও নিহতদের বেশির ভাগই বয়সে তরুণ এবং নিম্ন আয়ের মানুষ। পঙ্গু হয়ে গেলে তাঁরা পরিবার ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ান। তাঁর পরামর্শ, দুর্ঘটনা কমাতে আইন প্রণয়ন, আইনের প্রয়োগ ও জনসচেতনতার ওপর সমান জোর দিতে হবে। এ থেকে বোঝা যায়, ক্ষতিটা কেবল স্বাস্থ্যের নয়, অর্থনীতিরও। একজন কর্মক্ষম মানুষ অকালে কাজের বাইরে চলে গেলে পরিবারটি দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ে, আর সামগ্রিকভাবে দেশ হারায় উৎপাদনশীল জনশক্তি।
গবেষণা ও সরকারি প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার যেসব কারণ বারবার উঠে এসেছে, তার একটি বড় অংশ চালক ও যানবাহনকেন্দ্রিক। এর মধ্যে আছে বেপরোয়া ও অতিরিক্ত গতি, অসতর্কতা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, চালকের অদক্ষতা, শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতা, ক্লান্তি, ঘুম ঘুম অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং গাড়ি চালানোর সময় মুঠোফোন ব্যবহার। ত্রুটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ব্রেকের সমস্যা, অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বহন, মহাসড়কে ধীরগতির যান ও ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চলাচলও ঝুঁকি বাড়ায়। পথচারীদের অসতর্ক চলাচলও এ তালিকার বাইরে নয়।
অবকাঠামোর দুর্বলতাও কম নয়। সড়কের নকশায় ত্রুটি, বিপজ্জনক বাঁক, অপর্যাপ্ত সড়কবাতি, সাইন ও সংকেতের ঘাটতি, বিভাজক ও নিরাপদ পারাপারের অভাব এবং সড়কের পাশে সুরক্ষাব্যবস্থার অনুপস্থিতি মৃত্যু ও গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হেলমেট, সিটবেল্ট ও শিশুদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার না করার প্রবণতা, চালকদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বিশ্রামের অভাব, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, আইন প্রয়োগে শিথিলতা এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের তদারকি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতি। দুর্ঘটনার পর দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা না পাওয়াও প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ায়। সব মিলিয়ে দুর্ঘটনার কারণ এক জায়গায় নয়; চালক, গাড়ি, সড়ক, আইন ও চিকিৎসা, প্রতিটি স্তরেই ফাঁক রয়ে গেছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ। মঙ্গলবার নাটোরের বনপাড়ায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে একটি ট্রাক ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জনের প্রাণ গেছে। একটি ঘটনা সংবাদের শিরোনাম হলেও পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও এমন প্রাণহানি ঘটছে।
বৈশ্বিক পর্যায়ে এ সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ২০২১ থেকে ২০৩০ সালকে ‘নিরাপদ সড়ক দশক’ ঘোষণা করেছে। ২০২০ সালে সাধারণ পরিষদ এ উদ্যোগ নেয়। লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমানো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমন্বয়ে তৈরি বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনায় নিরাপদ অবকাঠামো, যানবাহনের নিরাপত্তা, গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, আইন প্রয়োগ এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে গত ২০ ও ২১ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসা ও পথচারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতিও দেন।
গতকাল যোগাযোগ করা হলে মন্ত্রী বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাও চলছে। তাঁর আশা, ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনা যাবে। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রয়োজনীয় সব আইন ও বিধি তৈরির কথাও জানান তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, পরিবহন খাত দীর্ঘদিন বিশৃঙ্খল ছিল, তাই রাতারাতি শৃঙ্খলা ফেরানো কঠিন, কিছুটা সময় দিতে হবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হবে বলেও তিনি মনে করেন।
তবে বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন ভিন্ন। তাঁদের মতে, দুর্ঘটনা কমানোর জন্য যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দরকার, দেশে তা এখনো নেই। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দেশের শীর্ষ ফোরাম জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরে এর বৈঠক হয়েছে মাত্র একবার। বর্তমান সরকারের সময়ে এখন পর্যন্ত কোনো বৈঠকই হয়নি, অথচ ছয় মাসের মধ্যে বৈঠক করার কথা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত শাখা থাকলেও তাদের কাজ মূলত কিছু লিফলেট বিতরণ ও দিবসভিত্তিক আয়োজনে সীমাবদ্ধ বলে সমালোচনা রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প চলছে। এর লক্ষ্য মৃত্যু ও গুরুতর আহতের সংখ্যা কমানো এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানো। ২০২৩ সালের ১৮ এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।
বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও যোগাযোগবিশেষজ্ঞ সামছুল হক বলেন, দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা সরকার এখন পর্যন্ত নেয়নি। শুধু প্রতিশ্রুতিতে কাজ হবে না। তাঁর মতে, ব্যতিক্রমী, বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই পরিকল্পনা ছাড়া যত কথাই বলা হোক, তাতে ফল মিলবে না। সমস্যার গোড়ায় হাত দিতে হলে যানবাহনের ফিটনেস ও রুট পারমিট এবং চালকের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া ঠিক করতে হবে, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি বাড়াতে হবে। আর এসব করতে হবে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে।
এ অবস্থায় আজকের নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ অনেকের কাছেই কেবল স্লোগান হয়ে থাকার ঝুঁকিতে আছে। দুর্গাপূজার ছুটির কারণে এবার দিবসের মূল আনুষ্ঠানিকতা আজ হচ্ছে না, ২৮ অক্টোবর তা পালন করা হবে।
সব মিলিয়ে চিত্রটি স্পষ্ট। সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার আছে, কিন্তু জাতীয় কাউন্সিলের নিয়মিত বৈঠকের মতো প্রাথমিক সমন্বয়ও হচ্ছে না। আইন প্রণয়নের সময়সীমা ২০২৭ সাল, আর প্রকল্প শেষ হবে ২০২৮ সালে। ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিনের গড় ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের স্থায়ী পঙ্গুত্ব ঠেকাতে ফিটনেস যাচাই, লাইসেন্স প্রদান ও মহাসড়কের তদারকির মতো হাতে-কলমে পদক্ষেপই হবে আসল পরীক্ষা।

