বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে এখন ১৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দি আছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১৫ হাজার ২১৩। এঁদের অনেকের পরিবারের অভিযোগ, স্বজনের খোঁজখবর পাওয়া, আইনি সহায়তা নেওয়া কিংবা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো থেকে তাঁরা পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
মিশনগুলোর দাবি, তারা নিয়মিত কারাগার পরিদর্শন ও আইনি সহায়তা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় কনস্যুলার সহায়তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
থাইল্যান্ডের একটি কারাগারে বন্দি আছেন আমজাদ হোসেন। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সহায়তা পেতে গত দুই মাস ধরে নানা জায়গায় যোগাযোগ করছেন স্ত্রী সুমনা আক্তার। কিন্তু আমজাদকে ফেরানোর জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানতে পারেননি তিনি। স্বামী কারাগারে আছেন, এ খবরও তিনি কোনো কূটনৈতিক মিশনের কাছ থেকে পাননি। বরং গত সাড়ে তিন মাসে ওই একই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের মাধ্যমে তিনি স্বামীর খোঁজ পান।
থাইল্যান্ডের কারাগার থেকে ফেরা ২৪ বাংলাদেশি বন্দিদশায় নির্যাতন ও পাচারের শিকার হওয়ার নির্মম অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। দেশে ফেরার সময় আমজাদ তাঁদের হাতে স্ত্রীর ফোন নম্বর দিয়েছিলেন। তাঁরাই সুমনাকে স্বামীর বর্তমান অবস্থার খবর দেন।
একচল্লিশ বছর বয়সী আমজাদ পরিবারের আর্থিক অনটন মেটাতে গত বছরের ডিসেম্বরে কাজের আশায় দেশ ছাড়েন। কিন্তু তিনি পাচারের শিকার হন। লাওস ও কম্বোডিয়াসহ কয়েকটি দেশ ঘুরে শেষ পর্যন্ত তাঁর ঠাঁই হয় থাইল্যান্ডের এক কারাগারে। আট বছরের মেয়েকে নিয়ে রাজবাড়ীতে থাকেন সুমনা। দ্য ডেইলি স্টারকে তিনি বলেন, স্বামীকে ফেরাতে সহযোগিতা চেয়ে দুই মাস আগে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর কথা, তিনি স্বামীকে জীবিত ফেরত চান, লাশ নয়। মেয়ে ও তিনি ছাড়া এই পৃথিবীতে আমজাদের আর কেউ নেই।
এই পরিবারের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে দেয়, বিদেশে বন্দি স্বজনের তথ্য জানা, আইনি সহায়তা পাওয়া ও দেশে ফেরানোর পথে পরিবারগুলোকে কতটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
কোন দেশে কত বন্দি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি বন্দি আছেন সৌদি আরবে। এরপর রয়েছে মালয়েশিয়া ও ভারত। মন্ত্রণালয়ের ৩০ সেপ্টেম্বরের ডেটাবেজে দেখা যায়, শুধু জেদ্দা এলাকাতেই অন্তত ৫ হাজার ৪৮০ বাংলাদেশি আটক। তবে গতকাল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি বন্দি আছেন।
মালয়েশিয়ায় বন্দি ২ হাজার ২১৭ জন, ভারতে ১ হাজার ৪৪৪ জন। এ ছাড়া দুবাইয়ে ৭৪০, ওমানে ৪০০, লিবিয়ায় ৩১৪, গ্রিসে ৩০৭, কুয়েতে ২৯৬, ভিয়েতনামে ২৫০ এবং থাইল্যান্ডে ১২৭ জন বাংলাদেশি আটক আছেন। কূটনৈতিক মিশনগুলোর তথ্য বলছে, বন্দিদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত। তবে বড় একটি অংশ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া বা বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক হয়েছেন।
আটক ব্যক্তিদের অনেক পরিবারের অভিযোগ, বিদেশে বাংলাদেশের মিশন থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে তাদের চরম ভোগান্তি হয়। সৌদি আরবের কারাগারে নয় মাস কাটিয়ে আসা সিলেটের তিন ভাইয়ের অভিজ্ঞতাও সে কথাই বলে। তাঁদের ভাষ্য, মিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও যে সহায়তা মিলেছে, তা না পাওয়ারই শামিল।
সিলেট সদরের কালারুকা এলাকার আবদুর রহমান ২০১৯ সালে সৌদি আরবে যান। এক বছর পর তাঁর বড় ভাই রিয়াজ উল্লাহ এবং ২০২৩ সালে ছোট ভাই মোহাম্মদ আলী সেখানে যান। রিয়াদে থাকাকালে একটি প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তিন ভাই গ্রেপ্তার হন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার আগে টানা নয় মাস তাঁদের কারাগারে থাকতে হয়।
আবদুর রহমান বলেন, পরিবারের কথা ভেবে তাঁরা দিনরাত পরিশ্রম করতেন। হঠাৎ একদিন মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন, অথচ বিষয়টি সম্পর্কে তাঁরা কিছুই জানতেন না। তাঁর অভিযোগ, মিশনে গেলে প্রতিবার নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে বাংলাদেশে একাধিক মানববন্ধন ও মিছিল করার পর মিশন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এমনকি মুক্তির পরও দেশে ফেরার টিকিটের জন্য পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিতে হয়েছে। তিন ভাইকে মোট ৬ হাজার সৌদি রিয়াল জোগাড় করতে হয়।
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড ও উঠে আসা প্রশ্ন। গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। এরপর কনস্যুলার সহায়তার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের একটি গোপনীয় স্মারক অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর পাওয়া বন্দিদের তালিকায় নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তারের নাম ছিল। কিন্তু তালিকায় তাঁদের মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি উল্লেখ ছিল না।
কনস্যুলেটের ভাষ্য, সৌদি কর্তৃপক্ষ আগে তাদের রায় বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে মিশনকে কিছু জানায়নি। দুই পরিবারও আইনি সহায়তার জন্য আবেদন করেনি। পরে বিস্তারিত তথ্য ও আদালতের রায়ের কপি চেয়ে বাংলাদেশ সৌদি কর্তৃপক্ষকে একটি কূটনৈতিক নোট পাঠায়।
তবে তালিকা হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগের দুই সপ্তাহে মিশন সাজাপ্রাপ্তদের আইনি অবস্থা পর্যালোচনা বা ফলোআপ করেছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে মিশনের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ। মিশন ও সরকারের বক্তব্য। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের মিশনগুলো বলছে, তারা নিয়মিত কারাগার পরিদর্শন করে, আইনি সহায়তা দেয় এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ মিশনের মিনিস্টার (শ্রম) সিদ্দিকুর রহমান জানান, তাঁরা প্রায় প্রতি সপ্তাহে আটক কেন্দ্রে গিয়ে বাংলাদেশিদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। আইনজীবী নিয়োগের অনুমোদন মিলেছে, চুক্তি সই হলেই তাঁরা আদালতে প্রবাসীদের পক্ষে লড়তে পারবেন। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় আটক বাংলাদেশিদের প্রায় ৭০ শতাংশের মামলা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া–সংক্রান্ত। বাকি মামলা মাদক এবং অপহরণ, চুরি ও হত্যার মতো অভিযোগের।
সৌদি আরবে বাংলাদেশ মিশনের দ্বিতীয় সচিব (শ্রম) রফিকুল ইসলাম বলেন, মিশন আইনি সহায়তা দেয় এবং আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে কাজ করে। তাঁর ভাষ্য, অনেক মামলায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থাকে, যা প্রায়ই কফিল বা নিয়োগকর্তারা করেন এবং পরে বেশির ভাগই মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান জানান, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে কর্মকর্তারা কারাগারে গিয়ে বন্দিদের দেখেন। পাসপোর্ট নেই, এমন বন্দিদের জন্য ভ্রমণ অনুমতিপত্রেরও ব্যবস্থা করা হয়।
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব (শ্রম) জহির ইমাম বলেন, থাই আইন অনুযায়ী সাজা শেষ হওয়ার আগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো যায় না। তবে পরিবার অনুরোধ করলে বা বন্দিরা আপিল করলে তাঁদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের চেষ্টা করা যায়। এদিকে রাজবাড়ীর আমজাদের পরিবার এখনো তাঁর বিচারের বর্তমান অবস্থা ও দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় আছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ অন্য দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ সমন্বয়ে কূটনৈতিক পথে ক্ষমা, সাজা কমানো ও বন্দিদের মুক্তির চেষ্টা চলছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার হওয়া দুই শতাধিক বাংলাদেশির মুক্তির কথা উল্লেখ করেন।
মিশনগুলো থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ তিনি স্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্য, প্রবাসীদের সহায়তা করা মিশনের শ্রম শাখার দায়িত্ব। যাঁরা সহায়তা পাচ্ছেন না, তাঁরা সরাসরি তাঁর বা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, বিষয়টি তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেখবেন বলে জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁর দপ্তরে প্রতিদিনই ইমেইলে এ ধরনের অভিযোগ আসে।
বিদেশে যাওয়ার বাড়তি খরচের জন্য তিনি মধ্যস্বত্বভোগী ও দালালদের দায়ী করেন। উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিপুল অর্থ খরচ করে বিদেশে গিয়ে অনেককে লাশ হয়ে বা পঙ্গুত্ব নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। রওনা হওয়ার আগেই প্রবাসীদের গন্তব্য দেশের আইন সম্পর্কে সচেতন করার ওপর তিনি জোর দেন। তিনি আরও বলেন, সরকার এসব মামলা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে, তবে আইনি প্রক্রিয়া ও প্রত্যাবাসনে সময় লাগতে পারে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদেশে বন্দি বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখতে এবং প্রত্যাবাসন সহজ করতে একটি অনলাইন পোর্টাল বা ডেটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা চলছে। সেখানে বন্দিদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট ও ভিসার বিবরণ, অপরাধের ধরন এবং সাজার মেয়াদ থাকবে। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে একটি সতর্কবার্তা আসবে, যা দেশে ফেরানোর প্রস্তুতিতে সাহায্য করবে।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, বিদেশে আটক বাংলাদেশিরা সাধারণত দুই ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। একটি হলো বিভিন্ন ধরনের অপরাধ, অন্যটি অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতা। তাঁর মতে, দুই ধরনের মামলা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। বিশেষ করে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্তদের উপযুক্ত আইনি ও প্রত্যাবাসন সহায়তা দেওয়া দরকার।
তিনি জানান, কোনো পরিবার স্বজনের আটকের খবর দিলে ব্র্যাক পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দেশে ফেরাতে এবং পরে কাউন্সেলিংয়ে তারা সহায়তা করে। অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে প্রবাসীদের গন্তব্য দেশের আইন ও নিয়ম নিয়ে প্রশিক্ষণ এবং বন্দিদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিতের ওপর তিনি জোর দেন।
সরকারি তথ্যে ও মিশনগুলোর বক্তব্যে নিয়মিত পরিদর্শন, আইনি সহায়তা ও সমন্বয়ের কথা থাকলেও পরিবারগুলোর অভিজ্ঞতা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে। আমজাদের স্ত্রী মিশনের কাছ থেকে নয়, সহবন্দিদের কাছ থেকে খবর পেয়েছেন। সিলেটের তিন ভাইয়ের মুক্তির জন্য রাস্তায় নামতে হয়েছে। সৌদি আরবে বন্দির সংখ্যা নিয়েও মন্ত্রণালয়ের ডেটাবেজ ও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে ব্যবধান দেখা যায়। এসব ঘটনা তথ্য সংরক্ষণ ও যোগাযোগব্যবস্থার দুর্বলতার দিকেই ইঙ্গিত করে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাও একই প্রশ্ন সামনে আনে। বন্দিদের তালিকায় সাজার তথ্য না থাকা এবং আগে থেকে রায়ের খবর না পাওয়া বোঝায়, মিশনের নজরদারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি রয়েছে। আবার মালয়েশিয়ার ৭০ শতাংশ মামলা ভিসা-সংক্রান্ত হওয়ায় বোঝা যায়, কাগজপত্রের জটিলতা মোকাবিলা ও প্রবাসে যাওয়ার আগে সচেতনতা বাড়ানো গেলে বন্দির সংখ্যা অনেকটা কমানো সম্ভব।
প্রস্তাবিত অনলাইন ডেটাবেজ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতিতে উন্নতি আসতে পারে। তবে এটি কবে চালু হবে, তার সময়সীমা জানা যায়নি। পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে শুধু তথ্যভান্ডার যথেষ্ট নয়। দ্রুত শনাক্তকরণ, আইনজীবী নিয়োগ এবং পরিবারকে নিয়মিত অবহিত করার মতো কার্যকর ব্যবস্থাও দরকার।

