Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, অক্টো. 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগ টানতে সরকারের দৌড়ঝাঁপ
    বাংলাদেশ

    বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগ টানতে সরকারের দৌড়ঝাঁপ

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানির আগ্রহ বাড়াতে নতুন করে তৎপর হয়েছে সরকার। দরপত্রে অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে বহুজাতিক জ্বালানি কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সমুদ্রের তেল-গ্যাসের সম্ভাবনা নিয়ে সংগৃহীত তথ্য সহজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি এবং দরপত্র জমার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

    সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে আগের দরপত্রের হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো কোম্পানি প্রস্তাব জমা দেয়নি। তার আগে সাতটি কোম্পানি দরপত্রের নথি কিনলেও শেষ পর্যন্ত অংশ নেয়নি। এবার একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি এড়াতে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এগোতে চায় জ্বালানি বিভাগ।

    জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর লন্ডনে মোট ১০টি বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চলমান দরপত্র এবং নতুন উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। কোম্পানিগুলো নতুন চুক্তির শর্তে সন্তুষ্টির কথা জানালেও বিনিয়োগের ঝুঁকি ও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

    দরপত্রের সময় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ

    বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত মে মাসে সমুদ্রের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। এর মধ্যে গভীর সমুদ্রে ১৫টি এবং অগভীর সমুদ্রে ১১টি ব্লক রয়েছে।

    প্রথমে দরপত্র জমার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ জুন থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। পরে তা বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ করা হয়েছে।

    পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র তিনটি কোম্পানি দরপত্রের নথি কিনেছে। তুরস্কের টার্কিশ পেট্রোলিয়াম ওভারসিজ কোম্পানি ২৩ জুলাই, চীনের সিনুক ইন্টারন্যাশনাল ১৭ আগস্ট এবং চীনের সিনোপ্যাক গত মাসে নথি কেনে। এই তিনটি কোম্পানি এর আগে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে অংশ নেয়নি।

    দরপত্রের নথি কেনা অবশ্য বিনিয়োগের প্রস্তাব জমা দেওয়ার নিশ্চয়তা নয়। কোম্পানিগুলো নথি যাচাই, সম্ভাব্য মজুত, অনুসন্ধান ব্যয় এবং চুক্তির শর্ত বিশ্লেষণ করার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

    লন্ডন ও সিঙ্গাপুরে কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা

    জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে বিশ্বের পরিচিত কয়েকটি তেল-গ্যাস কোম্পানি অংশ নেয়। ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মার্ফি ওয়েল, ব্রাজিলের পেট্রোব্রাস, কুয়েতের কেইউএফপিইসি, অস্ট্রেলিয়ার জিও এক্সপ্লোরেশন, সিঙ্গাপুরের ইউনিয়ন এনার্জি গ্রুপ এবং কানাডার ভেলিউরার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়।

    ৩০ সেপ্টেম্বর ইতালির ইএনআই, যুক্তরাষ্ট্রের এক্সনমবিল এবং যুক্তরাজ্যের বিপির সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের শেলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়।

    বৈঠকে কোম্পানিগুলো সমুদ্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপের তথ্য সহজে পাওয়ার সুযোগ এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও সময় দেওয়ার পরামর্শ দেয়। সিঙ্গাপুরে এশিয়ার ছয়টি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনাতেও একই ধরনের মতামত উঠে আসে।

    জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে দেশটির আরও কয়েকটি বড় জ্বালানি কোম্পানির সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মতামত বিবেচনায় নিয়ে দরপত্রের সময় বাড়ানো হয়েছে এবং অনুসন্ধানসংক্রান্ত তথ্য সহজলভ্য করা হয়েছে। কয়েকটি দেশের জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তাঁর আশা, এসব পদক্ষেপের ফলে দরপত্রে অংশগ্রহণ বাড়বে।

    অনুসন্ধানের তথ্য পেতে ব্যয় কমানো হয়েছে

    সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে ভূতাত্ত্বিক ও ভূকম্পন জরিপের তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে কোম্পানিগুলো সম্ভাব্য গ্যাসের মজুত, অনুসন্ধানের ঝুঁকি এবং বিনিয়োগের যৌক্তিকতা নির্ধারণ করে।

    পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সমুদ্রে বিভিন্ন কোম্পানির করা জরিপ থেকে পাওয়া ছয় ধরনের তথ্য রয়েছে। ২০২৪ সালের দরপত্রে প্রতিটি তথ্যসেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ লাখ ডলার। চলমান দরপত্রে প্রতিটির দাম কমিয়ে ৫ লাখ ৬৮ হাজার ডলার করা হয়েছিল।

    এখন চারটি তথ্যসেট বিনা মূল্যে উন্মুক্ত করা হয়েছে। বাকি ছয়টির প্রতিটির মূল্য কমিয়ে ৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    তথ্য কেনার ব্যয় কমানো হলে কোম্পানিগুলো তুলনামূলক কম খরচে অনুসন্ধানের সম্ভাবনা যাচাই করতে পারবে। তবে বিনিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে শুধু তথ্যের দামের ওপর নয়; সম্ভাব্য মজুত, অনুসন্ধান ব্যয়, গ্যাসের বিক্রয়মূল্য এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক লাভের ওপরও।

    নতুন উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তিতে কী সুবিধা

    বিদেশি কোম্পানিকে আকৃষ্ট করতে সরকার উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তির শর্তেও পরিবর্তন এনেছে। ২০১৯ সালের চুক্তিতে গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম প্রতি হাজার ঘনফুটে সাড়ে ৭ ডলারের কিছু বেশি এবং অগভীর সমুদ্রে সাড়ে ৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    ২০২৩ সালের চুক্তিতে নির্দিষ্ট দাম না রেখে গভীর ও অগভীর সমুদ্র—উভয় ক্ষেত্রেই ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দামের ১০ শতাংশ ধরে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা রাখা হয়।

    ২০২৬ সালের নতুন চুক্তিতে গভীর সমুদ্রের ক্ষেত্রে এই হার বাড়িয়ে ১১ শতাংশ এবং অগভীর সমুদ্রের ক্ষেত্রে সাড়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে বা কমলে চুক্তি অনুযায়ী গ্যাসের দামও আনুপাতিকভাবে পরিবর্তিত হবে।

    উদাহরণ হিসেবে, প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট তেলের দাম ১০০ ডলার হলে গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম প্রতি হাজার ঘনফুটে ১১ ডলার হতে পারে। তবে এবার প্রতি পাঁচ বছরের জন্য তেলের দামের একটি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে গ্যাসের দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    নতুন চুক্তিতে গ্যাস সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণের দায়িত্বও অনুসন্ধানকারী কোম্পানির ওপর দেওয়া হয়েছে। এর বিনিময়ে পাইপলাইন-সম্পর্কিত মজুত, সরবরাহ ও ব্যয়ের হিসাব বিবেচনায় একটি নির্ধারিত মাশুল পাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    এ ছাড়া অনুসন্ধান ব্যর্থ হওয়ার পরও কোনো কোম্পানি কাজ চালিয়ে যেতে চাইলে মুনাফা ভাগাভাগিতে তার অংশ ১ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। বিদেশি কোম্পানির শ্রমিক তহবিলে মুনাফার অংশ ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে দেড় শতাংশ করার ব্যবস্থাও আগেই করা হয়েছে।

    চুক্তিতে আমদানির ক্ষেত্রে কর ও শুল্ক অব্যাহতি, ঠিকাদারের হয়ে পেট্রোবাংলার আয়কর পরিশোধ এবং নির্দিষ্ট শর্তে গ্যাস অন্য ক্রেতার কাছে বিক্রি বা রপ্তানির সুযোগও রাখা হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে আন্তর্জাতিক সালিসি ব্যবস্থায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অগভীর সমুদ্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির ১০ শতাংশ অংশীদারত্ব থাকবে।

    এসব সুবিধা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াতে পারে। তবে কোম্পানিগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, অনুসন্ধানে ব্যয় করা বিপুল অর্থের বিপরীতে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস পাওয়া যাবে কি না।

    সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির পরও গ্যাস আবিষ্কারে অগ্রগতি কম

    বাংলাদেশ ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে। কিন্তু সমুদ্রসীমা নির্ধারণের প্রায় দেড় দশক পরও বঙ্গোপসাগরে নতুন কোনো বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সাফল্য আসেনি।

    বাংলাদেশে সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ইতিহাস অবশ্য দীর্ঘ। ১৯৭৩ সালে সমুদ্রসীমা আইন জারির পর অনুসন্ধানের জন্য প্রথম দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে ছয়টি বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি হয়েছিল। তৎকালীন ইউনিয়ন গ্যাস কোম্পানি কুতুবদিয়ায় গ্যাস পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কোম্পানিগুলো দেশ ছেড়ে চলে যায়।

    ১৯৮৮ সালে আবার দরপত্র আহ্বান করা হলেও কোনো কোম্পানি অংশ নেয়নি। পরে ১৯৯৪ সালের উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তির আওতায় ব্রিটিশ কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। সেখানে ১৯৯৮ সালে উৎপাদন শুরু হয় এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত গ্যাস উত্তোলন চলে। বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় পরে ক্ষেত্রটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৭ সালে কেয়ার্নের অংশীদারত্ব কিনে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্তোস পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।

    ২০১০ সালে মার্কিন কোম্পানি কনোকো ফিলিপস গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান শুরু করেছিল। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৫ সালে তারা সরে যায়।

    ২০১৪ সালে অগভীর সমুদ্রের দুটি ব্লকে অস্ট্রেলিয়ার সান্তোস এবং আরও দুটি ব্লকে ভারতের ওএনজিসি কাজ শুরু করে। সান্তোস ২০২০ সালে ওই অঞ্চলে ব্যবসা গুটিয়ে নেয়। ২০১৭ সালে বিশেষ চুক্তির আওতায় আসা দক্ষিণ কোরিয়ার পস্কো দাইয়ুও গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি তুলে পরে সরে যায়। ওএনজিসিও গত বছর সমুদ্রের একটি কূপ খনন করেও গ্যাস না পাওয়ার পর চলে যায়।

    এই অভিজ্ঞতা দেখায়, চুক্তির শর্ত আকর্ষণীয় হওয়া গুরুত্বপূর্ণ হলেও অনুসন্ধানের ঝুঁকি, সম্ভাব্য মজুত এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক লাভ বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখে।

    দরপত্রে সাড়া পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

    জ্বালানিবিশেষজ্ঞ ম তামিমের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ বাজারের পূর্বাভাসের ওপর বিদেশি কোম্পানিগুলোর সিদ্ধান্ত অনেকাংশে নির্ভর করবে। বর্তমান বাজারে গ্যাসের দাম বেশি থাকলেও কোম্পানিগুলো অন্য দেশের বিনিয়োগের সুযোগের সঙ্গে তুলনা করে সম্ভাব্য লাভ ও ঝুঁকি হিসাব করবে।

    তাই দরপত্রে কতটি কোম্পানি অংশ নেবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

    জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, এবারের দরপত্রে অংশগ্রহণ না বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্রভিত্তিক গ্যাস অনুসন্ধানে আরও বিলম্ব হতে পারে। একই সঙ্গে তাঁরা নিয়মিত দরপত্র আহ্বানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, যাতে কোনো কোম্পানি একবার অংশ না নিলেও পরবর্তী সুযোগে আগ্রহ দেখাতে পারে।

    জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

    দেশে গ্যাসের উৎপাদন কমতে থাকায় কয়েক বছর ধরে জ্বালানি সরবরাহের চাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধান সফল হলে দেশীয় গ্যাসের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর সুযোগ বাড়তে পারে।

    তবে অনুসন্ধান থেকে গ্যাস আবিষ্কার, বাণিজ্যিক মজুত নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন শুরু করা দীর্ঘ সময়ের প্রক্রিয়া। তাই দরপত্রে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধান পরিকল্পনা, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং চুক্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

    সরকারের বর্তমান উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে বিদেশি কোম্পানিগুলো শেষ পর্যন্ত দরপত্র জমা দেয় কি না এবং অনুসন্ধানে বাস্তব বিনিয়োগ কতটা আসে, তার ওপর। বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শুধু বিনিয়োগের আহ্বান নয়, নিয়মিত ও বিশ্বাসযোগ্য অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়াও প্রয়োজন।

     

    সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    পুলিশের ৬৪ শতাংশ গাড়ির আয়ু শেষ, নতুন ৫ হাজার ৮৩০টি কেনার উদ্যোগ

    অক্টোবর 26, 2026
    বাংলাদেশ

    চার মাস ধরে বন্ধ দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা

    অক্টোবর 26, 2026
    বাংলাদেশ

    মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের মালিকদের জন্য জরুরি বার্তা বিআরটিএর

    অক্টোবর 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.