Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, অক্টো. 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পুলিশের ৬৪ শতাংশ গাড়ির আয়ু শেষ, নতুন ৫ হাজার ৮৩০টি কেনার উদ্যোগ
    বাংলাদেশ

    পুলিশের ৬৪ শতাংশ গাড়ির আয়ু শেষ, নতুন ৫ হাজার ৮৩০টি কেনার উদ্যোগ

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    পুরোনো ও জরাজীর্ণ যানবাহনের কারণে পুলিশের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বাড়ছে প্রতিবন্ধকতা। অনেক গাড়ির বয়স ১০ বছরের বেশি, আবার কিছু যানবাহন চলছে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কোথাও গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট, কোথাও ফিটনেসের ঘাটতি, আবার কোথাও মাঝপথে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা নিয়মিত দেখা দিচ্ছে। এতে অপরাধের খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, টহল দেওয়া এবং জরুরি অভিযান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিভিন্ন থানায় থাকা যানবাহনের প্রায় ৬৪ শতাংশের বয়স ১০ বছরের বেশি। এর সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত বিপুলসংখ্যক গাড়ির সমস্যাও যুক্ত হয়েছে।

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশকে নতুন যানবাহন দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দুটি প্রকল্পের আওতায় মোট ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও গাড়ি সরবরাহে তিন বছরের বেশি সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিক পরিবহন সংকট কতটা দ্রুত কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    গাড়ির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে মাঠপর্যায়ের কাজ

    পুলিশের কাজ শুধু অপরাধী শনাক্ত করা কিংবা মামলা তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অপরাধের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার, আলামত সংগ্রহ, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার, দুর্ঘটনায় সহায়তা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণের মতো কাজেও যানবাহন অপরিহার্য।

    কিন্তু পুরোনো গাড়ি ও পরিবহনস্বল্পতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে এসব দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে পড়ছে। জরুরি মুহূর্তে গাড়ি বিকল হয়ে গেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হতে পারে। এতে অপরাধী পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেতে পারে, আবার প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহেও বিলম্ব ঘটতে পারে।

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং এর আশপাশের সময়ে দেশের বিভিন্ন পুলিশ স্থাপনায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব হামলায় আগ্নেয়াস্ত্র লুটের পাশাপাশি ৪৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। লুট হওয়া সব অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    একই সময়ে এক হাজারের বেশি পুলিশি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক গাড়ি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়, আবার কিছু গাড়ি ভাঙচুরের কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এর ফলে আগে থেকেই থাকা পুরোনো যানবাহনের সংকট আরও তীব্র হয়।

    এক হাজারের বেশি গাড়ি পুড়েছে বা ভাঙচুর হয়েছে

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের ৫০টি থানার মধ্যে ২১টিসহ সারা দেশে পুলিশের ২১৬টি স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। আগুনে পুড়ে যায় ১৩টি থানা। এ সময় পুলিশের টহল গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ঢাকায় যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, ভাটারা, মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর ও উত্তরা পূর্ব থানায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছিল। ঢাকার বাইরে টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা, বগুড়ার একাধিক থানা, জয়পুরহাট সদর থানা, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা, রংপুরের বিভিন্ন থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশুগঞ্জ থানা এবং সিরাজগঞ্জের কয়েকটি থানাসহ বিভিন্ন পুলিশ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সময়ে ৫২৬টি সরকারি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং ৫৩৩টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সব মিলিয়ে এক হাজার ৫৯টি যানবাহন সম্পূর্ণ পুড়ে যায় অথবা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

    এই ক্ষয়ক্ষতির পর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে যানবাহন ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। থানা ও ফাঁড়িতে প্রয়োজনের তুলনায় কম গাড়ি থাকায় নিয়মিত টহল এবং জরুরি অভিযান পরিচালনায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।

    ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকায় কেনা হবে ৫ হাজার ৮৩০টি যান

    পুলিশের পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে দুটি প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, আর দায়িত্বে থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    প্রথম প্রকল্পের নাম ‘পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অপারেশনাল যানবাহন ক্রয়’। এতে ৪ হাজার ৩২৮ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ব্যয়ে সাধারণ পুলিশি কার্যক্রমের উপযোগী ৪ হাজার ৮২৯টি যানবাহন কেনার প্রস্তাব রয়েছে।

    দ্বিতীয় প্রকল্পে ২ হাজার ২৮০ কোটি ১৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এক হাজার একটি বিশেষায়িত যানবাহন কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দুটি প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার বেশি।

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় প্রকল্পগুলো উপস্থাপনের কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের কারণে গত রোববারের সভা স্থগিত করা হয়। প্রকল্প দুটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

    শুধু গাড়ি কেনাই নয়, রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবল উন্নয়নের ব্যবস্থাও প্রস্তাবে রাখা হয়েছে। গাড়ি মেরামতের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ৬৫০ জন হালকা যানবাহনের চালক, ৩০০ জন ভারী যানবাহনের চালক এবং আরও ৫০ জন কর্মীকে যন্ত্র মেরামতের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

    ৬৩৯ থানায় গাড়ি মাত্র ১ হাজার ২৩৭টি

    প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে জেলা ও মহানগর পুলিশের অধীনে ৬৩৯টি প্রশাসনিক থানা রয়েছে। এ ছাড়া ২৪টি রেলওয়ে থানা ও ৭৩টি হাইওয়ে থানা নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।

    কিন্তু ৬৩৯টি প্রশাসনিক থানায় মোট যানবাহন রয়েছে মাত্র ১ হাজার ২৩৭টি। এত বড় ভৌগোলিক এলাকায় নিয়মিত টহল, অভিযান এবং অন্যান্য পুলিশি দায়িত্ব পালনের জন্য এই সংখ্যা যথেষ্ট নয় বলে প্রকল্প প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিশেষ করে একটি থানার আওতায় একাধিক এলাকা থাকলে একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একাধিক যানবাহন প্রয়োজন হয়। যানবাহন কম থাকলে জরুরি ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং অপরাধস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।

    প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান যানবাহনের ৬৪ শতাংশের বয়স ১০ বছরের বেশি। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে এসব গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাড়ছে এবং নির্ভরযোগ্যতা কমছে।

    নতুন গাড়ি যুক্ত হলে টহল, অপরাধ তদন্ত, জরুরি উদ্ধারকাজ এবং বড় আয়োজনের সময় পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। তবে গাড়ির সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সেগুলো কোথায় এবং কীভাবে বণ্টন করা হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

    বিশেষায়িত যানবাহনে বাড়বে অভিযানের সক্ষমতা

    দ্বিতীয় প্রকল্পে কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছে এক হাজার একটি বিশেষায়িত যানবাহন। এসব গাড়ি সংঘাত নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ তদন্ত এবং দুর্গম এলাকায় অভিযান পরিচালনার কাজে ব্যবহারের কথা রয়েছে।

    প্রস্তাবিত যানবাহনের মধ্যে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের গাড়ি, ভ্রাম্যমাণ নিয়ন্ত্রণকক্ষ এবং অপরাধস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও তদন্তে সহায়তার উপযোগী বিশেষ যান রয়েছে।

    দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের গাড়ি জনশৃঙ্খলা রক্ষার জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশের দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে পারে। অন্যদিকে ভ্রাম্যমাণ নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে যোগাযোগ ও অভিযান সমন্বয়ের কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে। অপরাধ তদন্তের বিশেষ গাড়ি ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া এবং আলামত সংগ্রহে সহায়ক হতে পারে।

    এই প্রকল্পের আওতায় ৯১০ জন কর্মীকে গাড়ি চালানো ও যান্ত্রিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং ৫০ জনকে আলাদাভাবে মেরামতের প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

    বিশেষায়িত যানবাহনের কার্যকারিতা শুধু কেনার ওপর নির্ভর করবে না। এগুলো চালানো, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নির্ধারিত কাজে ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মী ও পর্যাপ্ত পরিচালন ব্যয়ও নিশ্চিত করতে হবে।

    আগেও গাড়ি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশি কার্যক্রম সচল করতে যানবাহন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক বৈঠকে জিপ, একক ও দ্বৈত কেবিনের পিকআপসহ ৪৩১টি যানবাহন কেনার পরিকল্পনা করা হয়। এর জন্য ২৭৫ কোটি টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    তবে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে যানবাহনের ঘাটতি কাটানোর বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল। বর্তমান সরকারের নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পুলিশের পরিবহন সক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র, ক্রয় ও সরবরাহের প্রতিটি ধাপে সময় লাগবে।

    অনেক গাড়ি চলছে ২০ বছরেরও বেশি

    একাধিক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনেক থানায় আগের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা কমে গেছে। কোথাও নতুন করে কয়েকটি গাড়ি পাওয়া গেলেও দৈনন্দিন কাজের জন্য তা যথেষ্ট নয়।

    তাঁদের মতে, নির্বাচনের সময় দায়িত্ব ও চলাচলের প্রয়োজন বাড়লে একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ পাঠানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। গাড়ির ঘাটতি মেটাতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভাড়ায় ছোট যানবাহন ব্যবহার করতে হচ্ছে।

    পুলিশের পরিবহন নীতিমালা অনুযায়ী, একটি গাড়ি আট বছরের বেশি ব্যবহারের কথা নয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক যানবাহন ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এতে যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়া, ব্রেকের সমস্যা এবং মাঝপথে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।

    কিছু চালকের ভাষ্য, পুরোনো গাড়ি মেরামতের জন্য পাঠালেও সব সময় দ্রুত ও যথাযথভাবে মেরামত করা সম্ভব হয় না। ফলে ঝুঁকি নিয়েই এসব গাড়ি টহল ও জরুরি দায়িত্বে ব্যবহার করতে হয়।

    গাড়ির সংকট শুধু পরিবহন সমস্যা নয়

    পুলিশের পুরোনো ও অপর্যাপ্ত যানবাহনের বিষয়টি কেবল যান্ত্রিক সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি জরুরি সেবায় সাড়া দেওয়ার সময়, অপরাধ তদন্তের গতি এবং মাঠপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

    তবে নতুন যানবাহন কেনা হলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। গাড়ির সঠিক বণ্টন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, চালক ও কারিগরি কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং জ্বালানি ও মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দও প্রয়োজন।

    পাশাপাশি যানবাহন ব্যবহারের হিসাব, মেরামতের সময়সীমা এবং কোন থানায় কত গাড়ি প্রয়োজন—এসব বিষয় নিয়মিত পর্যালোচনা করা জরুরি। এতে নতুন গাড়ির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    সরকারের পরিকল্পিত ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু প্রকল্পের বাস্তবায়ন ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত গড়ালে বর্তমান সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান পেতে আরও সময় লাগবে। তাই দীর্ঘমেয়াদি ক্রয় পরিকল্পনার পাশাপাশি বিদ্যমান গাড়িগুলোর নিরাপদ ব্যবহার, জরুরি মেরামত এবং সবচেয়ে বেশি সংকটে থাকা থানাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগ টানতে সরকারের দৌড়ঝাঁপ

    অক্টোবর 26, 2026
    বাংলাদেশ

    চার মাস ধরে বন্ধ দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা

    অক্টোবর 26, 2026
    বাংলাদেশ

    মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের মালিকদের জন্য জরুরি বার্তা বিআরটিএর

    অক্টোবর 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.