চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। কনটেইনারবাহী একটি লরির চাপায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের রয়েল সিমেন্ট গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাপলা পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনার উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে রয়েল সিমেন্ট গেট থেকে প্রায় ১০০ গজ উত্তরে বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে চালক মহাসড়কের পাশে বাসটি থামিয়ে মেরামতের কাজ শুরু করেন।
এ সময় বাস থেকে নেমে কয়েকজন যাত্রী সড়কের পাশে রাখা কাঠের গুঁড়ির ওপর বসে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ ঢাকামুখী একটি কনটেইনারবাহী লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক আবদুল মতিন জানান, ঘটনাস্থলে নিহত তিনজনের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ ছিলেন। তাঁদের আনুমানিক বয়স যথাক্রমে ৩৫, ৪২ ও ৪৫ বছর। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। পরে তাঁদের মধ্যে আরও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
দুর্ঘটনার পর বাস ও কনটেইনারবাহী লরিটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে মারা যাওয়া তিনজনের মরদেহ বার আউলিয়া হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, সীতাকুণ্ড থেকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া দুজনকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। তাঁদের একজন ২৫ বছর বয়সী নারী এবং অন্যজন সাত বছরের শিশু।

