ভয় ও সংশয়ের মধ্যেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ঠাকুরগাঁও সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে একযোগে ভোট নেওয়া শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলার কথা রয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র আট মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উপনির্বাচন। নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন।
নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অনিয়ম শনাক্ত ও প্রতিরোধে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর আসনটিতে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট পাঁচটি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
ভোটারদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ ও সংশয় থাকলেও নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ভোট চলাকালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা নির্বাচন ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।

