Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, অক্টো. 9, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এত ইলিশ হঠাৎ উধাও—কেন এই অদৃশ্যতা?
    বাংলাদেশ

    এত ইলিশ হঠাৎ উধাও—কেন এই অদৃশ্যতা?

    এফ. আর. ইমরানসেপ্টেম্বর 8, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    নদীতে ইলিশ ধরছে জেলেরা। ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর ৬ নম্বর জেটিঘাট এলাকায় গত শনিবার দুপুরে নদীর আধা কিলোমিটারজুড়ে সারিবদ্ধভাবে নোঙর করা অন্তত ৭০০ মাছ ধরার ট্রলার লক্ষ্য করা গেছে। সেই সময় একটি ট্রলারে পাশাপাশি বসে গল্প করছিলেন চারজন জেলে—নুর হাসান, আবু তৈয়ুব মাঝি, মো. শফি ও আবদুল কাইয়ুম মাঝি। চারজনের প্রত্যেকেরই ইলিশ ধরার অভিজ্ঞতা রয়েছে ৮ থেকে ১২ বছর।

    জেলেদের কথায়, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে ইলিশের অভাব। অতীতে বঙ্গোপসাগরে জাল ফেললেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ত, যা বিক্রি করে সংসার চলতো এবং সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ ধাওয়া যেত। কিন্তু এখন ইলিশ পাওয়া দুষ্কর হওয়ায় জেলেদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে।

    নুর হাসান জানান, “তিন বছর আগে পর্যন্ত জাল ফেললেই প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ত। এখন সাগরে ইলিশ নেই, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।”

    জেটিঘাটের উত্তরের নুনিয়াছটা ফিশারি ঘাট ও পাইকারি মাছ বিক্রির মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে সকাল ১১টায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্র থেকে আসা ছয় থেকে সাতটি ট্রলারে ধরা পড়েছে ৭০ থেকে ১৩০টি ইলিশ। ইলিশের ওজন ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম এবং প্রতি কেজি দাম ২ হাজার ৩০০ টাকা। শহরের বাহারছড়া ও কানাইয়ার বাজারে এই ইলিশের দাম ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    নদীতে ইলিশ না পেয়ে চিন্তায় জেলেরা। ছবি: সংগৃহীত

    গবেষকেরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বঙ্গোপসাগরের বৃষ্টিপাত ও নিম্নচাপের ধরণ বদলে দিয়েছে। ঘন ঘন নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ায় ইলিশ সাগরে আগের মতো আসে না। কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর জেলেদের অভিজ্ঞতা থেকে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে ইলিশের পরিমাণ ক্রমেই কমেছে।

    জেলে মো. শফি (৪০) বলেন, আড়াই বছর আগে তাঁর ট্রলারে এক ট্রিপে ২৫ লাখ টাকার ইলিশ ধরা পড়েছিল, কিন্তু এরপর কখনো একসাথে তিন লাখ টাকার বেশি ইলিশ ধরা পড়েনি।

    একটি ট্রলার মাঝি সজীবুল ইসলাম (৫২) জানান, “১৪ বছর ধরে সাগরে ইলিশ ধরছি, কিন্তু এত ঘন ঘন নিম্নচাপ ও লঘুচাপ আগে দেখা যায়নি। চলতি সেপ্টেম্বরে দুই বার লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আগস্টে অন্তত ছয়বার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু বৃষ্টি হয়নি।”

    দুপুরে মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, মাছশূন্য পন্টুন পড়ে আছে। ব্যবসায়ীরা বলেন, সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত কিছু মাছ বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল, সেখানে ইলিশ ছিল মাত্র দুই মণের মতো। জেলেদের মধ্যে হাহাকার চলছে।

    নুর হাসান জানান, এই মুহূর্তে ইলিশের মৌসুম হলেও তারা ২১ জেলের সঙ্গে অন্তত ১০ বার সাগরে গেছেন, কিন্তু প্রতিবারই মাত্র ১০০ থেকে ২০০টি ইলিশ নিয়ে ফিরেছেন। এক ট্রিপে পাঁচ থেকে সাত দিন সাগরে থাকা খরচে প্রায় চার লাখ টাকা ব্যয় হয়, কিন্তু মাছ বিক্রি করে প্রাপ্ত আয় এক লাখ টাকার মতো।

    ইলিশ

    জেলেদের সংখ্যা ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে কক্সবাজার ফিশিংবোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ আহরণের ট্রলার রয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি। জেলের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। টানা ছয় থেকে সাত মাস মাছ ধরা পড়েনা, যা তাদের আয়ের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। গভীর সাগরে দেশি-বিদেশি ট্রলিং জাহাজের আনাগোনা, ট্রলিং জাল, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও বেহেন্দি জালের অবাধ ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    ইলিশ আহরণের পরিসংখ্যানও উদ্বেগজনক। কক্সবাজার মৎস্য অবতরণকেন্দ্র অনুযায়ী, ২০২২–২৩ অর্থবছরে ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৩,৯৭৫ মেট্রিক টন, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ২,৫৫৬ মেট্রিক টন, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ১,৬২৮ মেট্রিক টন। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আগস্ট পর্যন্ত দুই মাসে বিক্রি হয়েছে মাত্র ২৬৭ মেট্রিক টন।

    মৎস্য অবতরণকেন্দ্রের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী জানান, ইলিশ আহরণ কমে যাওয়ায় সরকারের রাজস্বও কমে যাচ্ছে।

    জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর জেলায় ইলিশ আহরণ হয়েছিল ৩৯,৩১৪ মেট্রিক টন। চলতি বছরের জন্য লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে ৪৫,০০০ মেট্রিক টন। তবে বর্তমান পরিস্থিতি ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেই লক্ষ্য পূরণ করা কঠিন মনে হচ্ছে। জেলেদের আয় হ্রাস, ঘন ঘন নিম্নচাপ ও মাছের অভাব—এই তিনটি কারণ কক্সবাজারের জেলেদের জীবনকে চরমভাবে প্রভাবিত করছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে বিমানবন্দরে ডাকাতি, ধরা পড়ে ভাড়াটেরা- গোয়েন্দা তথ্য

    অক্টোবর 9, 2026
    অর্থনীতি

    সেপ্টেম্বরে আরও দুর্বল অর্থনীতি, শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা- পিএমআই প্রতিবেদন

    অক্টোবর 9, 2026
    অর্থনীতি

    সোনার দাম আবার বাড়ল, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা

    অক্টোবর 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.