Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, আগস্ট 31, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চেয়ারম্যান বিতর্কে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতের বড় ধস
    ব্যাংক

    চেয়ারম্যান বিতর্কে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতের বড় ধস

    নিউজ ডেস্কজুলাই 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যাংক খাতে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দেশের ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকদের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরতে শুরু করে। সেই আস্থার প্রতিফলন দেখা যায় আমানত প্রবৃদ্ধিতেও। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এসব ব্যাংকে আমানত বাড়লেও মে মাসে সেই ইতিবাচক ধারা হঠাৎ করেই থেমে যায়।

    বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান নিয়োগকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার প্রভাব পুরো খাতেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশের ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংক থেকে এক মাসের ব্যবধানে ২ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা আমানত কমে গেছে। এতে দীর্ঘদিন পর ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল শেষে ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৮ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। কিন্তু মে মাস শেষে সেই পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৬ হাজার ১৪১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক মাসেই এসব ব্যাংকের আমানত ২ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা কমেছে।

    তবে সামগ্রিক ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার চিত্র কিছুটা ভিন্ন। কারণ প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ইসলামিক শাখা ও ইসলামিক উইন্ডোতে একই সময়ে আমানত বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিকভাবে আমানত কমার পরিমাণ তুলনামূলক সীমিত ছিল। এপ্রিল শেষে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। মে মাস শেষে তা কমে ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১ কোটি টাকায় নেমে আসে। ফলে পুরো ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক মাসে মোট আমানত কমেছে ৭৫৮ কোটি টাকা।

    ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের অভিযোগে আলোচিত একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় অনেক আমানতকারী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় পড়েন। এর প্রভাবেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রাহক তাদের আমানত তুলে নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকের আস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। কোনো প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং পুরো খাতের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ভবিষ্যতে বিতর্কিত নিয়োগ এড়িয়ে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হলে গ্রাহকদের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করছেন।

    অন্যদিকে, আমানত কমলেও প্রবাসী আয় সংগ্রহে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংক, প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামিক শাখা এবং ইসলামিক উইন্ডোর মাধ্যমে দেশে ৬২ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে। মে মাসে সেই পরিমাণ বেড়ে ৬৫ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। অর্থাৎ এক মাসে প্রবাসী আয় ৩ কোটি ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তবে বৈদেশিক বাণিজ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এপ্রিল মাসে ১২৩ কোটি মার্কিন ডলারের আমদানি বিল পরিশোধ করা হলেও মে মাসে তা কমে ৮৯ কোটি ডলারে নেমে আসে। ফলে এক মাসে আমদানি বিল পরিশোধ ৩৪ কোটি ডলার কমেছে।

    একই সময়ে রপ্তানি আয়েও উল্লেখযোগ্য হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে। এপ্রিল মাসে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ৭১ কোটি মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয় দেশে এলেও মে মাসে তা কমে দাঁড়ায় ৫৭ কোটি মার্কিন ডলারে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে রপ্তানি আয় ১৪ কোটি ডলার কমেছে।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলামি ব্যাংকিং খাতে আমানত, বৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের মতো সূচকগুলো দেশের আর্থিক ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বিতর্কমুক্ত ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে পারলে খাতটি আবারও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরতে পারে।

    সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    জনতা ব্যাংকের পর্ষদে যুক্ত হচ্ছেন নতুন তিন পরিচালক

    আগস্ট 31, 2026
    ব্যাংক

    দুর্বল ব্যাংকের ঋণনির্ভরতায় রেকর্ড ২৬ হাজার কোটি টাকা নিট মুনাফা বাংলাদেশ ব্যাংকের

    আগস্ট 31, 2026
    ব্যাংক

    ৩ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ প্রকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

    আগস্ট 31, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.