Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, আগস্ট 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ব্যাংকে কৃষকের সঞ্চয়ে ভাটা, বাড়ছে স্বল্প আয়ের মানুষের আমানত
    ব্যাংক

    ব্যাংকে কৃষকের সঞ্চয়ে ভাটা, বাড়ছে স্বল্প আয়ের মানুষের আমানত

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের মানুষের ব্যাংক হিসাবে সামগ্রিকভাবে সঞ্চয় বাড়লেও কৃষকদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন—মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে স্বল্প আয়ের মানুষের নো-ফ্রিলস হিসাবে আমানত বেড়েছে ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। একই সময়ে কৃষকদের হিসাবে জমা অর্থ কমেছে ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কিছুটা এগোলেও কৃষকের সঞ্চয়ক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা দিয়ে খোলা নো-ফ্রিলস হিসাবগুলোতে মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। মার্চ শেষে এ পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা। তিন মাসে আমানত বেড়েছে ৮৩ কোটি টাকা। একই সময়ে এসব হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। জুন শেষে নো-ফ্রিলস হিসাব ছিল ২ কোটি ৯৫ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৭টি। মার্চ শেষে এর সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৯৩ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৯টি। অর্থাৎ তিন মাসে হিসাব বেড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮টি, যা ০ দশমিক ৭৯ শতাংশ বৃদ্ধি।

    শুধু তিন মাসের তুলনাই নয়, এক বছরের হিসাবেও স্বল্প আয়ের মানুষের ব্যাংক সঞ্চয়ে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালের জুন শেষে নো-ফ্রিলস হিসাবগুলোতে আমানতের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকা। এক বছর পর তা বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে আমানত বেড়েছে ৪৫৪ কোটি টাকা বা ৯ দশমিক ২ শতাংশ।

    একই সময়ে হিসাবের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালের জুন শেষে নো-ফ্রিলস হিসাব ছিল ২ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার ৭৯৯টি। চলতি বছরের জুন শেষে তা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৫ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৭টিতে। এক বছরে নতুন হিসাব যুক্ত হয়েছে ৮ লাখ ৪১ হাজার ৯৮টি। শতকরা হিসাবে এ বৃদ্ধি ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

    নো-ফ্রিলস হিসাব মূলত ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা মানুষকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ২০১০ সালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অল্প টাকা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ তৈরি করা হয়। কৃষক, পোশাকশ্রমিক, অতি দরিদ্র মানুষ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ এসব হিসাব ব্যবহার করেন। সাধারণত এসব হিসাবে বড় অঙ্কের প্রাথমিক জমা বা উচ্চ সেবামূল্যের বাধ্যবাধকতা থাকে না। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রবেশের দরজা হিসেবে এসব হিসাব গুরুত্বপূর্ণ।

    তবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির মধ্যেই কৃষকদের আমানত কমে যাওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চ শেষে কৃষকদের নো-ফ্রিলস হিসাবে জমা ছিল ৮৬৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। জুন শেষে তা নেমে এসেছে ৭৭৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে কৃষকদের আমানত কমেছে প্রায় ৮৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। শতাংশের হিসাবে পতন ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কৃষকের ব্যাংক হিসাবে অর্থ কমে যাওয়া মানেই যে কৃষকের আয় একই হারে কমেছে, তা সরাসরি বলা যায় না। বরং আয়, ব্যয়, ঋণ, উৎপাদন ব্যয়, বাজারদর এবং নগদ অর্থের প্রয়োজন—এসবের সম্মিলিত প্রভাবেই ব্যাংক আমানতের পরিবর্তন হতে পারে। কৃষকের হাতে অর্থ এলেও সেটি ব্যাংকে জমা না থেকে যদি সার, বীজ, সেচ, শ্রম, জ্বালানি, পরিবহন বা ঋণ পরিশোধে চলে যায়, তাহলে ব্যাংক হিসাবের স্থিতি কমে যাওয়াই স্বাভাবিক।

    কৃষি খাতে উৎপাদন ব্যয়ের চাপ দীর্ঘদিন ধরেই বড় উদ্বেগের বিষয়। জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিকের মজুরি ও ফসল পরিবহন—প্রায় প্রতিটি ধাপেই কৃষকের নগদ অর্থের প্রয়োজন হয়। উৎপাদন শেষে বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়া গেলে সেই চাপ আরও বাড়ে। ফলে কৃষকের মোট বিক্রয়মূল্য এবং প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য আয়ের মধ্যে বড় পার্থক্য তৈরি হতে পারে।

    এ পরিস্থিতিতে কৃষকের ব্যাংক আমানত কমার আরেকটি সম্ভাব্য কারণ ঋণের চাপ। উৎপাদন চালিয়ে যেতে অনেক কৃষক ব্যাংক, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, সমবায় কিংবা ব্যক্তিগত উৎস থেকে ধার নেন। ফসল বিক্রি বা আয় হাতে আসার পর সেই অর্থের একটি অংশ যদি আগের ঋণ পরিশোধে চলে যায়, তাহলে সঞ্চয়ের জন্য অবশিষ্ট অর্থ স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়।

    ব্যাংক খাত বিশ্লেষক ও চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের গবেষণা ফেলো এম হেলাল আহমেদ জনির মতে, কৃষকদের হাতে নগদ অর্থের প্রয়োজন বেড়ে যাওয়াও আমানত কমার অন্যতম কারণ হতে পারে। কৃষি উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় আয় থেকে উদ্বৃত্ত অর্থের পরিমাণ কমছে। পাশাপাশি ঋণনির্ভরতা বাড়ায় কৃষকের আয় সঞ্চয়ে না গিয়ে উৎপাদন ব্যয় ও ঋণ পরিশোধে চলে যাচ্ছে।

    তার বিশ্লেষণে আরও উঠে এসেছে, ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার বিষয়টিও কৃষকের সঞ্চয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। উৎপাদনের খরচ বাড়লেও যদি বিক্রির সময় কৃষক সেই অনুযায়ী দাম না পান, তাহলে প্রকৃত আয় কমে যায়। এতে ব্যাংকে অর্থ জমিয়ে রাখার সক্ষমতাও দুর্বল হতে পারে।

    অন্যদিকে নো-ফ্রিলস হিসাবের অন্যান্য শ্রেণিতে তুলনামূলক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। মার্চ শেষে অতি দরিদ্রদের হিসাবে আমানত ছিল ২৭৭ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ২৯২ কোটি টাকা। পোশাকশ্রমিকদের হিসাবে একই সময়ে আমানত ৫০৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫১৮ কোটি টাকা হয়েছে।

    মুক্তিযোদ্ধাদের হিসাবেও আমানত বেড়েছে। মার্চ শেষে এসব হিসাবে জমা ছিল ৯৯০ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ১৬ কোটি টাকা। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের হিসাবেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। মার্চ শেষে তাদের আমানত ছিল ১ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১০৪ কোটি টাকা।

    এখানে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি সহায়তা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়। এর ফলে ব্যাংক হিসাব শুধু টাকা গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে নয়, ধীরে ধীরে সঞ্চয়ের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।

    তবে কৃষকদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। কৃষকের আয় অনেকটাই মৌসুমি। ফসলের সময় অর্থপ্রবাহ বাড়ে, আবার উৎপাদনের আগের পর্যায়ে ব্যয়ও বেড়ে যায়। ফলে একজন কৃষকের ব্যাংক হিসাবে জমার পরিমাণকে শুধু মাসিক আয়ের সূচক হিসেবে দেখলে পুরো বাস্তবতা বোঝা সম্ভব নয়। কৃষকের নগদ প্রবাহ, উৎপাদনচক্র এবং ঋণ পরিশোধের সময়সূচিও বিবেচনায় নিতে হয়।

    নো-ফ্রিলস হিসাবের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসার ক্ষেত্রেও সামান্য পরিবর্তন হয়েছে। জুন শেষে এসব হিসাবের মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৮৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা। মার্চ শেষে এর পরিমাণ ছিল ৮৪৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে প্রবাসী আয় কমেছে ৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বা ১ দশমিক ১৫ শতাংশ।

    তবে এই সামান্য পতনকে কৃষকদের আমানত কমে যাওয়ার একমাত্র কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নো-ফ্রিলস হিসাবের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ প্রবাসী আয় গ্রহণ করেন। ফলে এর পরিবর্তনকে সামগ্রিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ, অর্থ পাঠানোর মাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবগুলোর ব্যবহার—সবকিছুর সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।

    সামগ্রিক চিত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হলো, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নিম্ন আয়ের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়লেও তাদের সঞ্চয়ক্ষমতার ধরন এক নয়। অতি দরিদ্র, পোশাকশ্রমিক, সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধাভোগী এবং কৃষকদের আর্থিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই সবার জন্য একই ধরনের আর্থিক নীতি কার্যকর নাও হতে পারে।

    কৃষকদের আমানত কমে যাওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ার আরেকটি কারণ হলো, কৃষকের সঞ্চয় শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; এটি গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত। কৃষকের হাতে উদ্বৃত্ত অর্থ থাকলে তা ভবিষ্যৎ উৎপাদন, পারিবারিক ব্যয়, শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা ছোট বিনিয়োগে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। কিন্তু আয় যদি উৎপাদন ব্যয় ও ঋণ পরিশোধেই শেষ হয়ে যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।

    অর্থনীতিতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মূল উদ্দেশ্য শুধু ব্যাংক হিসাব খোলা নয়। একটি হিসাব খোলার পর সেটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা, নিয়মিত সঞ্চয় করা, প্রয়োজনের সময় কম খরচে ঋণ পাওয়া এবং নিরাপদে অর্থ লেনদেন করতে পারাই প্রকৃত আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য। সেই বিবেচনায় কৃষকদের হিসাবের সংখ্যা ও আমানত—দুটোর গতিপথই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

    বিশেষ করে কৃষকদের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেবাকে আরও কার্যকর করতে হলে শুধু হিসাব খোলার সংখ্যা বাড়ালেই হবে না। কৃষকের আয়-ব্যয়ের মৌসুমি ধরন বুঝে সঞ্চয়পণ্য তৈরি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, ফসল বিক্রির অর্থ দ্রুত ব্যাংকে জমার সুযোগ এবং উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকের প্রকৃত আয় বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

    কারণ ব্যাংকে কৃষকের আমানত কমছে—এই তথ্যটি একা কোনো সমস্যার পূর্ণ চিত্র নয়। এর পেছনে রয়েছে কৃষকের আয় কতটা বাড়ছে, উৎপাদন খরচ কতটা বাড়ছে, ফসলের বাজারদর কেমন, ঋণের বোঝা কতটা, এবং কৃষকের হাতে শেষ পর্যন্ত কতটা উদ্বৃত্ত অর্থ থাকছে—এসব প্রশ্ন। এসব সূচকের সমন্বিত বিশ্লেষণ ছাড়া কৃষকের আর্থিক অবস্থার প্রকৃত পরিবর্তন বোঝা কঠিন।

    স্বল্প আয়ের মানুষের ব্যাংক আমানত বাড়ার প্রবণতা অবশ্যই ইতিবাচক। এতে বোঝা যায়, ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংযোগ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কিন্তু একই সময়ে কৃষকদের আমানতে ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ পতন একটি সতর্ক সংকেতও বটে। এটি যদি দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতায় পরিণত হয়, তাহলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।

    সব মিলিয়ে নো-ফ্রিলস হিসাবের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির একটি দ্বিমুখী বাস্তবতা সামনে এনেছে। একদিকে অতি দরিদ্র, পোশাকশ্রমিক ও সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগীদের মতো কয়েকটি শ্রেণিতে আমানত বাড়ছে। অন্যদিকে কৃষকের হিসাবে দ্রুত অর্থ কমছে। অর্থাৎ ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশের সুযোগ বাড়লেও অর্থনৈতিক সক্ষমতা সব শ্রেণিতে একইভাবে বাড়ছে না। কৃষকের ব্যাংক আমানত বৃদ্ধির জন্য তাই শুধু হিসাব খোলার উদ্যোগ নয়, উৎপাদন ব্যয় কমানো, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, ঋণের চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং আয়-সঞ্চয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরির নীতিই বেশি জরুরি হয়ে উঠছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনকে অ্যাম্বুলেন্স দিল এনসিসি ব্যাংক

    আগস্ট 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, লক্ষ্য কী?

    আগস্ট 24, 2026
    অপরাধ

    সার্ভারে ত্রুটি বলে হাতে লেখা রশিদ দিয়ে ব্যাংকের গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাৎ

    আগস্ট 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.