মেঘনা ব্যাংক পিএলসি ৭ বছর মেয়াদি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে। ব্যাংকের টিয়ার-২ মূলধন শক্তিশালী করতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় মেঘনা ব্যাংকের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত বন্ডটি হবে নন-কনভার্টিবল, আনসিকিউরড এবং সম্পূর্ণ রিডিমেবল। অর্থাৎ বন্ডটি শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না এবং এর বিপরীতে কোনো জামানত থাকবে না। নির্ধারিত মেয়াদ শেষে বন্ডের অর্থ পুরোপুরি পরিশোধ করা হবে।
বন্ডটির কুপন হার হবে ফ্লোটিং বা পরিবর্তনশীল। রেফারেন্স রেটের সঙ্গে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ মার্জিন যোগ করে কুপন হার নির্ধারণ করা হবে।প্রতিটি বন্ড ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা।
মেঘনা ব্যাংক করপোরেট প্রতিষ্ঠান, উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রভিডেন্ট ও গ্র্যাচুইটি ফান্ড এবং বিমা কোম্পানির কাছ থেকে বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করবে।
সংগ্রহ করা অর্থ ব্যাংকের টিয়ার-২ মূলধন বাড়াতে ব্যবহার করা হবে। বাসেল-৩ কাঠামোর অধীনে ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ততা ও আর্থিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে টিয়ার-২ মূলধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাসেল-৩ হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ কাঠামো, যার অন্যতম লক্ষ্য হলো ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন নিশ্চিত করা এবং আর্থিক সংকট মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতা বাড়ানো।
বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি। আর ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে থাকবে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

