Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, অক্টো. 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দুর্গাপূজার ছুটিতে টানা পাঁচ দিন বন্ধ ব্যাংক-শেয়ারবাজার
    ব্যাংক

    দুর্গাপূজার ছুটিতে টানা পাঁচ দিন বন্ধ ব্যাংক-শেয়ারবাজার

    নিউজ ডেস্কUpdated:অক্টোবর 12, 2026অক্টোবর 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন দেশের ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকছে। ফলে ব্যাংকে নগদ লেনদেন, চেক জমা, ঋণ-সংক্রান্ত কাজ কিংবা শেয়ার কেনাবেচার পরিকল্পনা থাকলে ছুটির আগেই তা গুছিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল রোববার এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, ২০ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এই তিন দিনের পরপরই ২৩ ও ২৪ অক্টোবর, অর্থাৎ শুক্রবার ও শনিবার, সাপ্তাহিক ছুটি। দুই ছুটি মিলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাংকের শাখা কার্যক্রম থাকছে না।

    তবে এই ছুটির মধ্যেও একটি দিন ব্যতিক্রম। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও ব্যাংক সাধারণ কর্মদিবসের মতোই খোলা থাকবে। এই সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত ৭ অক্টোবর মন্ত্রণালয় পূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি ঘোষণা করে। একই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ১৭ অক্টোবর শনিবার সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সব অফিস খোলা থাকবে। অর্থাৎ ওই শনিবার ব্যাংকের পাশাপাশি অন্যান্য অফিসেও স্বাভাবিক কাজ চলবে।

    ব্যাংক বন্ধ থাকলে শেয়ারবাজারেও এর সরাসরি প্রভাব পড়ে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এই পাঁচ দিন কোনো লেনদেন হবে না। শেয়ারবাজারের লেনদেনের নিষ্পত্তি ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। ব্যাংক বন্ধ থাকলে অর্থ স্থানান্তর ও হিসাব মেলানোর কাজ করা যায় না। তাই বাজারও একই সময় বন্ধ রাখা হয়। বিনিয়োগকারীরা এই সময়ে শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন না।

    ছুটির সময় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য যাতে থমকে না যায়, সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা নির্দেশনাও দিয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথে সীমিত আকারে সেবা চালু রাখতে হবে। বন্দর ও কাস্টমস এলাকার এই কার্যক্রম কতটা এবং কীভাবে চলবে, তা ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো। এ জন্য তারা স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর বা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

    এই সিদ্ধান্তের গুরুত্ব সহজেই বোঝা যায়। পণ্য খালাস, শুল্ক পরিশোধ ও কাগজপত্র নিষ্পত্তির মতো কাজে ব্যাংকের সহায়তা অপরিহার্য। টানা কয়েক দিন এই সেবা বন্ধ থাকলে বন্দরে পণ্য আটকে যেতে পারত। এতে ব্যবসায়ীদের বাড়তি খরচ ও সময়ের অপচয় হতো। সীমিত পরিসরে হলেও ব্যাংকিং সেবা চালু থাকলে অন্তত জরুরি বাণিজ্যিক কাজগুলো চলতে পারবে। তবে সীমিত সেবা মানে পূর্ণাঙ্গ সেবা নয়। তাই আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত আগে থেকেই নিজেদের কাজের সূচি সাজানো।

    সাধারণ গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের জন্যও কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যাঁদের বড় অঙ্কের নগদ অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, তাঁদের ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাংকের কাজ সেরে ফেলাই ভালো। পূজার ছুটি শুরুর আগে শাখায় ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই একদম শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা না করাই নিরাপদ। ১৭ অক্টোবর ব্যাংক খোলা থাকবে বলে হাতে একটি বাড়তি দিন পাওয়া যাবে। কিস্তি পরিশোধ, বিল জমা বা চেক ভাঙানোর মতো কাজ এই সুযোগে সেরে নেওয়া যায়।

    শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদেরও ছুটির আগে নিজেদের অবস্থান ঠিক করে নেওয়া দরকার। পাঁচ দিন লেনদেন বন্ধ থাকলে এই সময়ে কোনো অপ্রত্যাশিত খবর এলে তার প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ থাকবে না। ছুটির পর বাজার খুললে সেই প্রভাব একসঙ্গে পড়তে পারে। তাই যাঁরা শেয়ার কেনাবেচার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁদের ছুটির আগের কার্যদিবসগুলোতে ভেবেচিন্তে এগোনো উচিত।

    ছুটির সময় ব্যাংকের শাখা বন্ধ থাকলেও অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে কিছু সেবা সাধারণত চালু থাকে। তবে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে আলাদা করে কিছু বলা হয়নি। তাই কোন সেবা কতটা পাওয়া যাবে, তা নিজ নিজ ব্যাংকের কাছ থেকে জেনে নেওয়াই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

    সব মিলিয়ে এবারের পূজার ছুটি অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কিছুটা বিরতি আনবে। তবে আগাম পরিকল্পনা থাকলে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী, সবাই এই বিরতির প্রভাব অনেকটাই সামলে নিতে পারবেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    ব্যাংক বাঁচাতে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা ‘জরিমানা’ জনগণ দেবে, বিনিময়ে কী মিলবে

    অক্টোবর 12, 2026
    পুঁজিবাজার

    ডিজিটাল সিকিউরিটি জোরদারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মাসব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা কর্মসূচি

    অক্টোবর 12, 2026
    পুঁজিবাজার

    পুঁজিবাজারে বন্ধ প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ তালিকা: সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলসহ নিষ্ক্রিয় কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে ৩৭

    অক্টোবর 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.