আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব সঞ্চয় ও খুচরা ব্যাংকিং ইনস্টিটিউটের (ডব্লিউএসবিআই) টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার ২০২৬ অর্জন করেছে ব্যাংকটি।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণ এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব তৈরিতে ভূমিকার জন্য ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ও সামাজিক প্রভাবের উৎকর্ষ’ বিভাগে ব্যাংক এশিয়াকে পুরস্কৃত করা হয়।ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১৫ অক্টোবর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংক এশিয়ার অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান মোল্লা পুরস্কারটি গ্রহণ করেন। তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডব্লিউএসবিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিটার সিমন।
অনুষ্ঠানে জার্মান সঞ্চয় ব্যাংক সমিতির সভাপতি ও ডব্লিউএসবিআইয়ের সহসভাপতি উলরিখ রয়টার এবং ব্যাংক এশিয়ার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সহসভাপতি ও করপোরেট ও বৃহৎ ঋণ বিভাগের প্রধান নাহিদ ইমানিও উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর বার্ষিক সভাকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয়বারের মতো ডব্লিউএসবিআই ও ইউরোপীয় সঞ্চয় ও খুচরা ব্যাংকিং গোষ্ঠী যৌথভাবে এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জাতিসংঘের ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, সামাজিক ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং পরিবেশগত দায়িত্বশীলতায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ব্যাংক এশিয়া টেকসই উন্নয়নবিষয়ক তথ্য জরিপ ও পুরস্কার কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে টেকসই উন্নয়ন, আর্থিক সেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে, তা তুলে ধরা।
২০২৫ সালেও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএসবিআই টেকসই উন্নয়ন পুরস্কারে স্বীকৃতি পেয়েছিল ব্যাংক এশিয়া। টানা দ্বিতীয়বার পুরস্কার অর্জন আর্থিক সেবার আওতা বাড়ানো, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই স্বীকৃতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাংক এশিয়ার অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল ব্যাংকিং কার্যক্রম আবারও আলোচনায় এসেছে।

