শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা পাঁচ দিন দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার বন্ধ থাকছে। এ সময় সাধারণ ব্যাংকিং সেবা যেমন মিলবে না, তেমনি দুই শেয়ারবাজারেও কোনো কেনাবেচা হবে না। তবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম যাতে থমকে না যায়, সে জন্য সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখা ও বুথে সীমিত পরিসরে সেবা চালু থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি। এর পরের দুই দিন, অর্থাৎ ২৩ অক্টোবর শুক্রবার ও ২৪ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এভাবে পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলে টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ব্যাংক আবার স্বাভাবিকভাবে খুলবে আগামী রোববার।
ছুটির আগে গ্রাহকদের সুবিধার কথা ভেবে গত শনিবার, ১৭ অক্টোবর ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছিল। সেদিন সাধারণ কর্মদিবসের মতোই ব্যাংকিং কার্যক্রম চলেছে। ফলে যাঁদের জরুরি লেনদেন ছিল, তাঁরা আগেই তা সেরে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
সাধারণ শাখা বন্ধ থাকলেও বন্দর ও কাস্টমস এলাকায় আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ জন্য তাদের স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ নিতে হবে। পণ্য খালাস ও পরিবহনের মতো কাজে দীর্ঘ ছুটির প্রভাব যাতে না পড়ে, সেটিই এর উদ্দেশ্য।
ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকলে শেয়ারবাজারেও লেনদেন চালানো সম্ভব হয় না। কারণ, শেয়ার কেনাবেচার অর্থ নিষ্পত্তি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এ কারণে ছুটির পুরো সময় ঢাকা ও চট্টগ্রাম, দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন বন্ধ থাকবে।
দীর্ঘ এই ছুটির সময় বিনিয়োগকারী ও সাধারণ গ্রাহকদের কিছুটা আগাম প্রস্তুতি নেওয়া ভালো। নগদ অর্থের প্রয়োজন হলে এটিএম বা বুথ থেকে তুলে রাখা, বিল বা কিস্তির তারিখ মিলিয়ে নেওয়া এবং ডিজিটাল সেবার ওপর নির্ভর করার সুবিধা এ সময়ে কাজে লাগতে পারে। তবে ছুটির মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন লেনদেন সাধারণত চালু থাকে বলে জরুরি প্রয়োজনে সেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

