ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ বর্তমান অনুমোদিত মূলধনের তুলনায় এটি পাঁচ গুণ। গত ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত এক কর্পোরেট তথ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকের স্মারকলিপি (মেমোরেন্ডাম) ও গঠনতন্ত্রে (আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন) প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
তবে সিদ্ধান্তটি এখনই কার্যকর হচ্ছে না। মূলধন বাড়ানোর এ উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে। এরপর বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের চূড়ান্ত অনুমোদনও নিতে হবে। এই দুই ধাপ পেরোলেই কেবল পরিবর্তনটি বাস্তবে রূপ পাবে।
বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। অনুমোদিত মূলধন বলতে বোঝায় একটি কোম্পানি আইনগতভাবে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ শেয়ার ইস্যু করে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। আর পরিশোধিত মূলধন হলো শেয়ারহোল্ডাররা বাস্তবে যে অর্থ ব্যাংকে জমা দিয়েছেন। ফলে অনুমোদিত মূলধন বাড়ানো মানে ব্যাংকের হাতে ভবিষ্যতে নতুন শেয়ার ছেড়ে আরও বেশি পুঁজি সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হওয়া। তবে এতে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংকের হাতে নতুন অর্থ আসছে না।
সিদ্ধান্তে ভবিষ্যতে মূলধন বাড়ানোর পথ খোলা থাকছে, কিন্তু কবে, কীভাবে এবং কত পরিমাণ নতুন শেয়ার ইস্যু করা হবে, সে বিষয়ে ডিএসইর তথ্যে কিছু জানানো হয়নি। এখন নজর থাকবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের সিদ্ধান্তের দিকে।

