Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, এপ্রিল 29, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাণিজ্য সহজ করতে দেশে চীনের ব্যাংক চান ব্যবসায়ীরা
    ব্যাংক

    বাণিজ্য সহজ করতে দেশে চীনের ব্যাংক চান ব্যবসায়ীরা

    মনিরুজ্জামাননভেম্বর 4, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। বাংলাদেশ-চীনের বার্ষিক আমদানি-রপ্তানি ১৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবুও, চীনের কোনো ব্যাংক এখনও দেশে নেই। ভারতের, পাকিস্তানের ও যুক্তরাজ্যের কয়েকটি ব্যাংক থাকা সত্ত্বেও চীনের ব্যাংক না থাকায় ব্যবসায়ীরা নানা অসুবিধার মুখোমুখি।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের মধ্যে একটি চীনা বাণিজ্যিক ব্যাংক থাকলে ইউয়ানে লেনদেন সরাসরি করা যাবে। এতে ডলার সাশ্রয় হবে এবং লেনদেনের খরচ কমে যাবে। তবে অর্থনীতিবিদের মতে, ব্যাংক আসলেও কার্যকারিতা নির্ভর করবে কী সেবা দেওয়া হবে তার ওপর। এছাড়া ইউয়ানের সীমিত মজুতও একটি সীমাবদ্ধতা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের চীনা দূতাবাসে ইতিমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ চীনা বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দ্রুত বেড়েছে। গত দশ বছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য তিন গুণ বেড়ে গেছে। দেশের মোট আমদানি-র ২৬ শতাংশ আসে চীন থেকে। তবে রপ্তানি মাত্র ১ শতাংশের বেশি। দেশে চীনের অর্থায়নে নানা প্রকল্পও চলছে।

    ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে চীনের পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশ খরচ করেছে ১৬.৬৪ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে চীনে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ০.৪১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। মেগা প্রকল্প যেমন পদ্মা সেতু, রেল সংযোগ প্রকল্প, কর্ণফুলী টানেল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে চীনের অর্থায়ন রয়েছে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন চীনের সঙ্গে লেনদেন তিন স্তরে হয়। প্রথমে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা স্থানীয় ব্যাংককে টাকায় পরিশোধ করেন। ব্যাংক তা ডলারে রূপান্তর করে চীনের ব্যাংককে দেয়। চীনের ব্যাংক আবার ডলারকে ইউয়ানে রূপান্তর করে রপ্তানিকারককে দেয়। এতে অতিরিক্ত বিনিময় খরচ হয়।

    চীনা ব্যাংক থাকলে সরাসরি ইউয়ানে লেনদেন সম্ভব হবে। এতে লেনদেন খরচ ২-৩ শতাংশ কমে যাবে। ডলারের সংকট ও দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিও কমবে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, রপ্তানি ও প্রকল্প সহযোগিতার মাধ্যমে ২-৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ইউয়ান দেশেই রাখা সম্ভব হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। ইউয়ানের দাম বেড়েছে মাত্র ২৭ শতাংশ। ২০২০ সালে ডলার ৮৪-৮৫ টাকায় থাকলেও ২০২২ সালের মাঝামাঝি তা ১০৭ টাকায় পৌঁছায়। বর্তমানে ১২২ টাকার বেশি। ইউয়ান ২০২০ সালে ছিল ১৩.৪৮ টাকা, যা এখন ১৭.২২ টাকা। দেশে বর্তমানে ৬টি দেশের ৯টি বিদেশি ব্যাংক কাজ করছে। যুক্তরাজ্যের দুটি, পাকিস্তানের তিনটি, অন্য দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও শ্রীলঙ্কার একটি করে ব্যাংক রয়েছে।

    বিসিসিসিআই সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা চীনের একটি ব্যাংকের প্রয়োজন অনুভব করছি। তাই চীনা দূতাবাসে প্রস্তাব দিয়েছি। তারা আগ্রহ দেখিয়েছে।’ সম্প্রতি চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিসিসিসিআই ছয়টি প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম দাবি, বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ চীনা বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠা।

    বিসিসিসিআইয়ের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল মামুন মৃধা বলেন, ‘আমাদের হাতে ইউয়ানের মজুত কম থাকলেও চীনের বিভিন্ন প্রকল্পের হিসাব মিলিয়ে ২-৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ইউয়ান থাকে। চীনা পণ্য আমদানি ৩ বিলিয়ন ডলার ইউয়ানে পরিশোধ করলে রিজার্ভের চাপ কমবে।’ তিনি বলেন, গত চার-পাঁচ বছর ধরে চীনা ব্যাংক প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চীনের দূতাবাসকে জানানো হয়েছে। দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যায়ে কিছু আলোচনাও হয়েছে। তবে কেন দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, তা জানা নেই। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর সুযোগ আছে। ব্যাংক থাকলে লেনদেন আরও সহজ হবে। ইউয়ানের ঘাটতি থাকলেও ডলারে লেনদেন করা সম্ভব।’

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘চীনের ব্যাংক থাকাটা স্বাভাবিক। তবে এখনও কোনো প্রস্তাব আসেনি। আসলে আমরা বিবেচনা করব।’ জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘চীনের ব্যাংক কতটুকু সুবিধা দেবে, তা নির্ভর করবে তাদের সেবার ওপর। আগে তাদের আগ্রহ প্রয়োজন। ইউয়ানে লেনদেন খুব প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ হাতে অত ইউয়ান নেই।’

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    আইন সংশোধনে লুটেরাদের হাতেই কি ফিরবে ব্যাংক

    এপ্রিল 29, 2026
    ব্যাংক

    কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে ২৪%, খেলাপি ঋণেও বড় উল্লম্ফন

    এপ্রিল 29, 2026
    ব্যাংক

    ৯ মাসেই ব্যাংক ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল সরকারের

    এপ্রিল 29, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.