Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, মে 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তদন্তে ২৩ শতাংশ হত্যা মামলার সত্যতা পাওয়া যায়নি
    আইন আদালত

    তদন্তে ২৩ শতাংশ হত্যা মামলার সত্যতা পাওয়া যায়নি

    নিউজ ডেস্কমে 17, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে হত্যা মামলার মতো গুরুতর অপরাধ নিয়েও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে সাজানো ও মিথ্যা মামলার প্রবণতা। কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা, ব্যক্তিগত শত্রুতা মেটানো কিংবা অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে এমন মামলা দায়েরের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে গড়ে উঠেছে এক ধরনের ‘মামলা বাণিজ্য’। যদিও প্রচলিত আইনে মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য—দুটিই ফৌজদারি অপরাধ এবং এসবের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে, তারপরও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হচ্ছে না।

    অন্যদিকে বাস্তব অপরাধের বিচার প্রক্রিয়াতেও দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করলেও সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আলামতের অভাবে অভিযোগ আদালতে টিকছে না। ফলে প্রকৃত অপরাধের বিচার নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

    পুলিশ সপ্তাহের শেষ দিনে গত বুধবার অনুষ্ঠিত অপরাধবিষয়ক সম্মেলনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে। সেখানে জানানো হয়, গত ১০ বছরে সংস্থাটি মোট সাত হাজার ৪২৭টি হত্যা মামলার তদন্ত করেছে। এসব মামলা জেনারেল রেজিস্ট্রার বা জিআর হিসেবে সরাসরি থানায় এফআইআরের মাধ্যমে দায়ের হয়েছিল।

    পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, তদন্ত করা মামলাগুলোর মধ্যে ২২ দশমিক ৭১ শতাংশ ঘটনায় অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিপরীতে চার হাজার ১৭৫টি মামলায় খুন বা ইচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় চার্জশিট জমা দিয়েছে সংস্থাটি।

    এদিকে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের ঘটনায় দায়ের হওয়া বহু মামলায় নিরপরাধ মানুষকে আসামি করার অভিযোগ ওঠে। এসব মামলার অনেকগুলোতেই শত শত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, এমন মামলাকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি ও হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে।

    এই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮–এ নতুন ১৭৩(এ) ধারা সংযোজন করে একটি পরিপত্র জারি করে। নতুন এই বিধানে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তির নাম হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলার এফআইআরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে তদন্ত কর্মকর্তা অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারবেন। আদালত সেই প্রতিবেদন বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ পাবে।

    হত্যা মামলার তদন্তে উদ্বেগজনক চিত্র:

    দেশে হত্যা মামলার তদন্তে একদিকে যেমন প্রকৃত অপরাধের প্রমাণ মিলছে, অন্যদিকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলায় অভিযোগই প্রমাণ করা যাচ্ছে না। তদন্তের তথ্য বলছে, ভুল তথ্য, মিথ্যা অভিযোগ কিংবা অপর্যাপ্ত সাক্ষ্য–প্রমাণের কারণে বিপুলসংখ্যক মামলা শেষ পর্যন্ত নিষ্পত্তিহীন থেকে যাচ্ছে। এতে বিচারপ্রক্রিয়া যেমন প্রশ্নের মুখে পড়ছে, তেমনি নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানির অভিযোগও বাড়ছে।

    পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৬ সাল থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সংস্থাটি মোট সাত হাজার ৪২৭টি হত্যা মামলার তদন্ত করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৬ শতাংশ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, মামলার এজাহারে যে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল, তদন্তে তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

    এ ছাড়া ৩০৬, ৩০৪(ক) ও অন্যান্য ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে ৪৯৫টি মামলায়। অন্যদিকে মিথ্যা অভিযোগের কারণে ১১৪টি, আইনগত ভুলে ২৩টি এবং তথ্যগত ভুলের কারণে এক হাজার ৫৫টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এক হাজার ৬৮৭টি মামলার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।

    ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ প্রবিধান অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পাঁচটি ধরন রয়েছে। এগুলো হলো— চূড়ান্ত প্রতিবেদন (সত্য), চূড়ান্ত প্রতিবেদন (মিথ্যা), চূড়ান্ত প্রতিবেদন (তথ্যগত ভুল), চূড়ান্ত প্রতিবেদন (আইনগত ভুল) এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন (আমল অযোগ্য)।

    পিবিআই গত এক দশকে এক হাজার ৫৫টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন (তথ্যগত ভুল) দাখিল করেছে। সাধারণত ঘটনার সত্যতা থাকলেও ভুল তথ্য দেওয়া, অজ্ঞতাবশত নিরপরাধ কাউকে আসামি করা বা মামলার বর্ণনায় বিভ্রান্তি থাকলে তদন্ত কর্মকর্তা এ ধরনের প্রতিবেদন দেন। অন্যদিকে ১১৪টি মামলায় দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (মিথ্যা)। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা সাজানো, তখন এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

    পিবিআইর তদন্তে আরও দেখা গেছে, এক হাজার ৫৬৫টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন (সত্য) দেওয়া হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলেও অভিযোগপত্র দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য–প্রমাণ মেলেনি অথবা প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তও করছে পিবিআই। এ মামলায় অপরাধী শনাক্ত না হলে একই ধরনের প্রতিবেদন দাখিলের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    এ ছাড়া ২৩টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন (আইনগত ভুল) দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় ঘটনা সত্য হলেও তদন্তে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, আইনের দৃষ্টিতে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না বা মামলা চালানোর পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই।

    পিবিআইর প্রধান অতিরিক্ত আইজি মো. মোস্তফা কামাল বলেছেন, হত্যা মামলার তদন্ত অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ একটি কাজ। তাঁর ভাষ্য, একটি সঠিক তদন্তের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হয়। চাপ বা নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিলে তদন্তের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার সততা ও দক্ষতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এর যেকোনো একটিতে ঘাটতি থাকলে তদন্ত ভুল পথে যেতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, অনেক সময় বিভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রকৃত আসামির পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যক্তিদেরও মামলায় জড়ানো হয়। আবার পৃথিবীর কোনো দেশই শতভাগ হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারে না। বাংলাদেশেও এমন বহু মামলা রয়েছে, যেখানে ঘটনা সত্য হলেও তদন্তে কোনো কার্যকর সূত্র পাওয়া যায়নি। পিবিআই বর্তমানে হত্যা মামলার তদন্তের মান আরও উন্নত করতে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ১৬ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিথ্যা ও ভুয়া মামলার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি জানতে চান, গত ১৭ বছর এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কতগুলো মামলা তদন্ত বা আদালতের রায়ে মিথ্যা কিংবা ভিত্তিহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

    জবাবে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলার এজাহারে সাধারণত অভিযুক্ত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে কোন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক বা মিথ্যা মামলা হয়েছে এবং তার মধ্যে কতগুলো তদন্ত বা আদালতের রায়ে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে— সেই সঠিক পরিসংখ্যান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তদন্তে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আদালতে করা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলায় অধিকাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এতে হয়রানি, ভুলভাবে আসামি করা এবং তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    পিবিআই জানিয়েছে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের হওয়া ১৯৫টি সিআর মামলার তদন্ত করেছে সংস্থাটি। এসব মামলায় মোট সাত হাজার ৬৫৪ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে মাত্র দুই হাজার ৮৫৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বাকি চার হাজার ৭৯৫ জনের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ মোট আসামির ৬২ দশমিক ৬৫ শতাংশকে নির্দোষ হিসেবে পাওয়া গেছে।

    পিবিআইপ্রধান মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ওই সময় দেশের পরিস্থিতি ছিল অস্বাভাবিক। একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে মামলা নেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং আগের মতো পরিস্থিতি আর নেই।

    এদিকে তদন্তের মান উন্নয়নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয়ও তুলে ধরেছে পিবিআই। সংস্থাটি বলছে, অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধারের পর প্রথমেই অপরাধস্থল সুরক্ষিত রাখতে হবে। অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ বন্ধ করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। মৃতদেহের অবস্থান, সময়, পরিবেশ ও সাক্ষীদের তথ্য বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া রক্ত, চুল, পোশাক, অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত সঠিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ এসব প্রমাণ আদালতে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে দ্রুত ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জাতীয় ডেটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার কথাও বলা হয়েছে।

    পিবিআই আরও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের মাধ্যমে আঘাতের ধরন, মৃত্যুর সময় ও ফরেনসিক তথ্য সংগ্রহ জরুরি। প্রয়োজনে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা যাচাই, জিডি অনুসন্ধান এবং মৃতদেহের ছবি দেশের বিভিন্ন থানায় পাঠানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

    সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত অজ্ঞাত লাশ শনাক্ত করে ২২৮টি মামলা করেছে পিবিআই। এর মধ্যে ১৫৬টি পুরুষ ও ৭২টি নারীর মরদেহ। গত সাত বছরে মোট দুই হাজার ৩৪০টি অজ্ঞাত লাশ শনাক্ত করা গেলেও ছয় হাজার ১১৬টি মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তের হার মাত্র ২৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

    আইনে মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে একাধিক শাস্তির বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো মামলা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হলে আদালত বাদীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ক্ষতিপূরণ আদেশ দিতে পারেন। এ ছাড়া দণ্ডবিধির ১৯১ ও ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। ২০৯ ধারায় মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের জন্য দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

    দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা দায়ের করলে দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড হতে পারে। আর যদি এমন মামলা মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সাত বছরের বেশি শাস্তিযোগ্য অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।

    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনেও মিথ্যা মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে জেনেশুনে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    এনবিআরের অডিট তালিকায় নাম এলে কী করবেন?

    মে 17, 2026
    মতামত

    ইসরায়েলের আগ্রাসী যুদ্ধগুলো কীভাবে ঘরে ঘরে আঘাত হানছে?

    মে 16, 2026
    মতামত

    পুলিশ কি শান্তিপূর্ণ নাকবা পদযাত্রাকারীদের চেয়ে টমি রবিনসনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে?

    মে 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.