গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা হবে না কেন—এ প্রশ্নে ব্যাখ্যা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালত জানতে চেয়েছেন, ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংক যে সুদহার আরোপ করছে, তা কেন প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংকের তুলনায় বেশি বা নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়—এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
রিট আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে বলেন, ভূমিহীন ও নিম্নআয়ের ঋণগ্রহীতাদের জন্য পরিচালিত মাইক্রোক্রেডিট কর্মসূচিতে সুদের হার তুলনামূলকভাবে বেশি এবং তা অনেক ক্ষেত্রে শোষণমূলক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই সুদহার নিয়ন্ত্রণ বা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।
আদালতের রুলে আরও জানতে চাওয়া হয়েছে, ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত এ ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদহার কমাতে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না।
এর আগে একই বিষয়ে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়, যেখানে গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলাটি এখন পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

