Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, জুন 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সাইবার আইন—সংস্কার নাকি কেবল নাম পরিবর্তন
    আইন আদালত

    সাইবার আইন—সংস্কার নাকি কেবল নাম পরিবর্তন

    নিউজ ডেস্কজুন 2, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ থেকে শুরু। এরপর নাম বদলে হয় ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’। সর্বশেষ এসেছে ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’ কিন্তু নামের এই পরিবর্তনের পরও আইন ঘিরে বিতর্ক থামেনি। বরং সাংবাদিক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে বলছেন, বাস্তবে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাদের মতে, কিছু আলোচিত ধারা বাদ দেওয়া হলেও একই ধরনের বিধান নতুনভাবে যুক্ত থাকায় পরিস্থিতি আগের মতোই রয়ে গেছে।

    সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরেই ২০১৮ সালের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’-এর কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। বিশেষ করে ৫৭ নম্বর ধারা এবং ৮, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩২ নম্বর ধারাগুলো বাতিলের দাবি ওঠে। তাঁদের অভিযোগ ছিল, এসব ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করছে।

    পরবর্তীতে সমালোচনা ও আলোচনার প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালে আইনটি রহিত করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা হয়। তখন ৫৭ নম্বর ধারার বিষয়টি বাদ দেওয়া হলেও নতুন আইনে অন্যভাবে কিছু বিধান যুক্ত হওয়ায় আবারও আপত্তি ওঠে। সাংবাদিকদের একটি অংশ তখনও ২৫, ২৯ ও ৪২ নম্বরসহ একাধিক ধারা বাতিলের দাবি জানায়। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নও আটটি ধারা বাতিল এবং চারটি ধারা সংশোধনের দাবি তোলে।

    এরপর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট বদলে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ২০২৫ সালের ২১ মে জারি করা হয় ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ’। যদিও নতুন নামে আইন পরিবর্তন করা হয়, তবুও সমালোচকদের মতে আগের বিতর্কিত অনেক বিষয়ই নতুন কাঠামোয় বহাল থাকে।

    পরবর্তীতে আবার পরিবর্তন আনা হয়। বর্তমানে এটি ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’ হিসেবে কার্যকর রয়েছে। তবে আইনটির কাঠামো ও বিধান নিয়ে বিতর্ক এখনো অব্যাহত। সাংবাদিক ও আইনজীবীদের একটি অংশের মতে, ‘ধর্মানুভূতি’ শব্দটি বাদ দেওয়া হলেও ‘ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষ’, অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং মত প্রকাশ সংক্রান্ত বিধানগুলো রয়ে গেছে। ফলে অনেকেই এটিকে পরিবর্তনের চেয়ে নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছেন।

    সব মিলিয়ে ধারাবাহিক নাম পরিবর্তন হলেও মূল বিতর্ক একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—আসল পরিবর্তন কতটা হলো, আর কতটা শুধু নামেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেল।

    পুরোনো বিতর্কিত ধারাগুলো বাদ যায়নি:

    নতুন নাম, নতুন কাঠামো—তবু অভিযোগ একই। ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’-এ ২০২৩ সালের ‘সাইবার নিরাপত্তা আইনের’ বিতর্কিত অনেক ধারা প্রায় হুবহু প্রতিস্থাপিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আইন বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ভাষাগত পরিবর্তন ও পুনর্বিন্যাস করা হলেও মূল বিষয়বস্তু অনেক ক্ষেত্রেই অপরিবর্তিত রয়েছে।

    নতুন আইনে পুরোনো বিতর্কিত আটটি ধারা প্রায় একইভাবে রাখা হয়েছে। এর সঙ্গে একটি নতুন উপধারা যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে—এই ধারা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারণ করা হবে।

    আগের আইনের ২৫ ধারার অপরাধ সংক্রান্ত বিষয় নতুন আইনের ২৩ ধারায় স্থানান্তর করা হয়েছে। যেখানে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ ইত্যাদি বিষয় ছিল। নতুন আইনের ২৫ ধারায় আবার যুক্ত করা হয়েছে যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

    একই ধরনের অপরাধ কাঠামো আগের ২৫ ও ২৯ ধারার মধ্যেও ছিল। সেখানে যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং ও অশ্লীল কনটেন্ট প্রকাশের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। দণ্ডবিধির মানহানি সংক্রান্ত ৪৯৯ ধারার আলোকে এসব বিচার্য হতো। নতুন আইনে এসব বিষয় আলাদা করে আরও কঠোরভাবে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত সংক্রান্ত আগের ২৮ ধারা নতুন আইনে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, এর পরিবর্তে ‘ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষ’ শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ভাষা বদলালেও অপরাধের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

    আইন-শৃঙ্খলা অবনতি সংক্রান্ত ৩১ ধারার বিষয়ও নতুন কাঠামোয় বহাল রয়েছে। আগের ধারায় বলা ছিল, এমন কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা হলে যা বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা, শত্রুতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। দণ্ড ছিল সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। এই বিধান নতুন আইনে ২২ ও ২৬ ধারায় বিভক্ত করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, হ্যাকিং সংক্রান্ত ৩২ ধারাও নতুন আইনে বিস্তৃতভাবে স্থান পেয়েছে। আগে যেখানে সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান ছিল, নতুন আইনে তা ২১, ২২ ও ২৩ ধারায় ভাগ করে বিভিন্ন অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি আগের আইনের ৩৫ ধারায় ছিল। সেটি নতুন আইনে ২৯ ধারায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত ২৯ ধারাও নতুন কাঠামোয় ২৫ ও ২৬ ধারায় বিভক্ত করা হয়েছে। আগে যেখানে ওয়েবসাইট বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মানহানিকর তথ্য প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে ধরা হতো এবং সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান ছিল, নতুন আইনে তা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

    সবশেষে, ধর্মীয় বা জাতিগত বিদ্বেষ, ঘৃণা ও সহিংসতা সংক্রান্ত অপরাধ নতুন আইনের ২৬ ধারায় বিস্তারিতভাবে রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে এমন তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা হলে যা সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উসকানি দেয়, তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

    ২০১৮ সালের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’-এর ২৮ ধারায় বলা ছিল, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত বা উসকানির উদ্দেশ্যে এমন কিছু প্রকাশ বা প্রচার করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একই ধারার উপধারা (২)-এ প্রথমবার অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং পুনরাবৃত্তি হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

    আইন বিশ্লেষকদের মতে, নতুন কাঠামোতে ধারার নম্বর পরিবর্তন হলেও মূল অপরাধের ধারণা অনেক ক্ষেত্রেই অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে একই সঙ্গে আগের আইনের ২১ ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ওই ধারার আওতায় থাকা কিছু বিষয়ে দায়মুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

    আইন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জে আই খান পান্না বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইন তিনি কখনোই সমর্থন করেননি। তাঁর মতে, সীমিত পরিসরে সাইবার নিরাপত্তা প্রয়োজন হলেও তা যেন ব্যক্তিগত আক্রোশ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না হয়। তিনি বলেন, মানহানির মতো বিষয় অন্য আইনেও বিচারযোগ্য। তাই সাইবার আইনের নামে ব্ল্যাকমেইলিং বা হয়রানি বন্ধ করা জরুরি। তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে আইন তৈরি না হলে এটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও সাংবাদিকদের স্বাধীনতার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সাইবার সিকিউরিটি আইনকে আরও জনবান্ধব ও সময়োপযোগী করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, যে ধারাগুলো সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলো দ্রুত বাতিল করা উচিত।

    একই সঙ্গে তিনি বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপপ্রচার, চরিত্রহনন এবং সন্ত্রাসী হুমকির মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা দরকার। তবে সেই দমনের সঙ্গে বাকস্বাধীনতার ভারসাম্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে আইনি সংস্কারের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট বিধান যুক্ত করা উচিত। তিনি আরও বলেন, সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে গ্রেফতার ও আইনি প্রক্রিয়া আরও স্পষ্ট ও কঠোর হওয়া প্রয়োজন, যাতে সাধারণ ব্যবহারকারীরা নিরাপদে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।

    অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বাহাউদ্দিন আল ইমরান বলেন, ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত হলেও পুরোনো আইনের অধীনে করা মামলা ও দণ্ডাদেশের অনেক কিছুই এখনো কার্যকর রয়েছে। তাঁর মতে, আইনের পরিবর্তন হলেও বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা অনেক ক্ষেত্রে অব্যাহত থাকে।

    তিনি আরও বলেন, নতুন আইনের ২৬ ধারায় ধর্মীয় বা জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও ‘ধর্মানুভূতিতে আঘাত’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে কোন পরিস্থিতিতে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা আরও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। না হলে আইনের অপব্যবহারের ঝুঁকি থেকেই যায়।

    সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে কাউন্সিল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার:

    সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হওয়ার পর এর সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) লিখিত প্রশ্নে জানান, বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করে সাইবার সুরক্ষা আইন চালু হলেও সাংবাদিক, ব্লগার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে এ আইনের অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সংস্থাগুলোও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি আরও জানতে চান, এই আইন যেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার কোনো স্বাধীন পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করবে কি না এবং অপব্যবহার রোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সংসদে জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন–২০২৬-এর ২৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, আইনটির অপব্যবহার হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তার পরিবার আইনি প্রতিকার চাইতে পারবে।

    মন্ত্রী ২৮ ধারার ব্যাখ্যায় বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এবং আইনগত ভিত্তি ছাড়াই মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এমন ক্ষেত্রে অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট সহায়তাকারী উভয়েই মূল অপরাধের সমান দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। তিনি আরও জানান, এ ধরনের অভিযোগ ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে।

    একই সঙ্গে মন্ত্রী জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন–২০২৬-এর ১২ নম্বর ধারায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠনের বিধান রয়েছে। ২৩ সদস্যের এই কাউন্সিল সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সার্বিক দিকনির্দেশনা দেবে। এর চেয়ারম্যান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বিশ্ব অর্থনীতি

    অবৈধ ও অনৈতিক: কীভাবে লুক্সেমবার্গ ইসরায়েলি যুদ্ধ বন্ডের জন্য ইইউর কেন্দ্র হয়ে উঠল?

    জুন 13, 2026
    মতামত

    লন্ডনে ইসরায়েলি রিয়েল-এস্টেট এক্সপো কেন বাতিল করা আবশ্যক?

    জুন 13, 2026
    অর্থনীতি

    কেমন হতে পারে আগামী তিন বছরের অর্থনীতির চিত্র?

    জুন 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.