Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, জুন 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিচার প্রক্রিয়ায় এআইয়ের নীরব পক্ষপাত
    আইন আদালত

    বিচার প্রক্রিয়ায় এআইয়ের নীরব পক্ষপাত

    মনিরুজ্জামানজুন 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    প্রযুক্তিনির্ভর বিচার ব্যবস্থার দ্রুত বিস্তার বিচারক ও আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় থাকা সম্ভাব্য জ্ঞানগত সীমাবদ্ধতাগুলো নিয়ন্ত্রণে বাধা তৈরি করছে কি না—এ বিষয়টি এখন গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখছে। কারণ এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মৌলিক প্রশ্ন এবং নাগরিকদের আইনগত অধিকারের ভবিষ্যৎ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব সীমাবদ্ধতা যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদী উভয়ের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বর্তমান সময়ে চ্যাটজিপিটি, জেমিনি, ক্লড, ডিপসিকের মতো উৎপাদনশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়ছে। এসব প্রযুক্তি মূলত বৃহৎ ভাষা মডেল নামে পরিচিত ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

    শুধু সাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, এখন বিভিন্ন বিশেষায়িত বৃহৎ ভাষা মডেলভিত্তিক সরঞ্জামও বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা, প্রকৌশল, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, সামরিক বাহিনীসহ নানা খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি অনেক দেশে সরকারি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও এসব প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

    দাপ্তরিক কাজের সুবিধা ও গতি বাড়াতে এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার যখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, তখন বিশ্বের বহু দেশের বিচার বিভাগও পিছিয়ে নেই। আদালতের প্রশাসনিক ও বিচারিক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য এসব ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

    ফলে আইনজীবী, নিজে নিজে মামলা পরিচালনাকারী মামলাকারী, বিচারক এবং আদালতের কর্মীরা এখন বিভিন্ন বৃহৎ ভাষা মডেলভিত্তিক সিস্টেম ব্যবহার করে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন। এতে একদিকে যেমন কাজের গতি বাড়ছে, অন্যদিকে এর ন্যায্যতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন প্রশ্ন। বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রা বিচার ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ করলেও এর প্রভাব, সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবি।

    চীন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা সহ একাধিক দেশে আইন ও বিচার ব্যবস্থায় মামলা জট কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বৃহৎ ভাষা মডেল (এলএলএম) ও অন্যান্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে।

    অন্যদিকে যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জ্যামাইকা, পাকিস্তান, ইতালি, স্পেন, ভারতের কিছু অঙ্গরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ অবস্থান নিয়েছে ভিন্নভাবে। এসব দেশে আদালতের মূল রায় বা চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এ ধরনের প্রযুক্তির সরাসরি ব্যবহার না করে এটিকে সীমিতভাবে প্রশাসনিক ও প্রস্তুতিমূলক কাজে ব্যবহারের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    এই দেশগুলোতে এলএলএম প্রযুক্তিকে সহায়ক সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ রাখা হয়েছে মূলত কিছু নির্দিষ্ট কাজে। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী নজির বা তথ্য অনুসন্ধান, দীর্ঘ নথি সংক্ষিপ্তকরণ, আইনি পরিভাষার ব্যাখ্যা, অনুবাদ এবং রায়কে আরও পাঠযোগ্য করে তোলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা। তবে বিচারকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় এখনো কোনো স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা সরাসরি প্রভাব বিস্তার করছে না। অর্থাৎ কোন মামলায় কে জয়ী বা পরাজিত হবে, তা নির্ধারণে কম্পিউটার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরাসরি ভূমিকা নেই।

    এরপরও বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, আদালতের প্রস্তুতিমূলক বা রুটিন কাজে এলএলএম ব্যবহারের ফলে বিচারকদের ওপর পরোক্ষ প্রভাব পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়। নিয়মিত এই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা বিচারিক মানসিকতায় নানা ধরনের পক্ষপাত তৈরি করতে পারে, যা পরবর্তীতে চূড়ান্ত রায় প্রণয়নের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় একাধিক মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো হিউরিস্টিক, অটোমেশন পক্ষপাত, জ্ঞানগত অফলোডিং, অ্যাংকরিং এবং ফ্রেমিং প্রভাব।

    হিউরিস্টিক হলো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত মানসিক সংক্ষিপ্ত পথ, যা জটিল তথ্য বিশ্লেষণকে সহজ করে। অটোমেশন পক্ষপাত বলতে বোঝায়—স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুপারিশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করার প্রবণতা, এমনকি তা ভুল হলেও সেটিকে সঠিক ধরে নেওয়া।

    অন্যদিকে জ্ঞানগত অফলোডিং হলো মানসিক চাপ কমাতে কাজের একটি অংশ বাহ্যিক প্রযুক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়ার অভ্যাস। অ্যাংকরিং পক্ষপাতের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় প্রথম পাওয়া তথ্য বা ধারণাকে ভিত্তি হিসেবে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ফ্রেমিং প্রভাব আবার ভিন্নভাবে কাজ করে। একই তথ্য কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ পরিবর্তিত হতে পারে। এই সব মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব একত্রে বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

    বিচারিক কাজে মানবিক সীমাবদ্ধতা, কাজের অতিরিক্ত চাপ, ক্লান্তি এবং অনেক ক্ষেত্রে সীমিত সম্পদে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা বিচারকদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তুতিমূলক কাজে বৃহৎ ভাষা মডেল (এলএলএম) ব্যবহার করা হলেও আগের আলোচিত মনস্তাত্ত্বিক ঝুঁকিগুলো পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব হয় না বলে বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন।

    তাদের মতে, বিচারকরা সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার না করলেও প্রাথমিক গবেষণা, তথ্য বা নজির অনুসন্ধান, দীর্ঘ নথি সংক্ষিপ্তকরণ, আইনি শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা কিংবা অনুবাদের মতো কাজে এসব প্রযুক্তির সহায়তা নিলে এর আউটপুট পরোক্ষভাবে বিচারকের মানসিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রভাব শেষ পর্যন্ত রায়ের ওপরও ছায়া ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ফলে বিষয়টি শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের সীমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, রায় প্রদানে যুক্তিসংগত কারণ ব্যাখ্যার আইনি দায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা ও সততা, আইনের শাসন এবং সমতার নীতি—এসব মৌলিক নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হয়ে পড়ে।

    ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকের মানসিক ও জ্ঞানগত দিকগুলোকে সাধারণত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাত্ত্বিকভাবে মানব বিচারকদেরই সবচেয়ে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে ধরা হয়, যাদের দায়িত্ব হলো পক্ষপাতমুক্তভাবে বিচার নিশ্চিত করা।

    একজন বিচারক সাধারণত মামলার নথি পর্যালোচনা করে বিরোধের মূল বিষয়গুলো চিহ্নিত করেন। এরপর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনগত যুক্তি বিশ্লেষণ করে এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোর সমন্বয়ে রায়ের ভিত্তি তৈরি করেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি গভীর মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

    কিন্তু প্রস্তুতিমূলক পর্যায়ে যদি জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর বৃহৎ ভাষা মডেলের সহায়তা নেওয়া হয়, তাহলে তার তৈরি করা প্রাথমিক সারাংশ, সুপারিশ বা নজির তালিকা বিচারকের চিন্তার সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করতে পারে। এতে বিচারকের নিজস্ব বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই একটি নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা তৈরি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    অন্যদিকে, যখন বিচারক আইনি শব্দের অর্থ খোঁজা, দীর্ঘ নথির সারসংক্ষেপ তৈরি, কিংবা নজির শনাক্তকরণের মতো কাজ প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করেন, তখন এক ধরনের ‘জ্ঞানগত দায়িত্ব’ আংশিকভাবে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এই নির্ভরতা বাড়তে থাকলে বিচারকের নিজস্ব বিশ্লেষণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়।

    এর ফলে বিচারক অনেক ক্ষেত্রে মূল বিশ্লেষণধর্মী কাজের পরিবর্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি তথ্য সঠিক কি না তা যাচাই-বাছাই করার দিকেই বেশি মনোযোগী হয়ে পড়তে পারেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পরিবর্তন বিচারকের প্রথাগত ভূমিকার কাঠামোও বদলে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।

    শুধু প্রস্তুতিমূলক পর্যায়ে বৃহৎ ভাষা মডেল (এলএলএম) ব্যবহারের পর আবার সম্পূর্ণভাবে সেই প্রযুক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা—এই প্রক্রিয়াটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও বিচারকদের সাধারণত নিরপেক্ষ, চিন্তাশীল এবং প্রভাবমুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তবুও আচরণগত ও জ্ঞানীয় বিজ্ঞান বলছে, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীই পুনরাবৃত্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট জ্ঞানগত পক্ষপাত থেকে পুরোপুরি মুক্ত নন।

    দীর্ঘদিনের গবেষণায় দেখা গেছে, পেশাগত দক্ষতা থাকলেও হিউরিস্টিক, অ্যাংকরিং, ফ্রেমিং বা অটোমেশন পক্ষপাতের মতো মানসিক প্রবণতার প্রতি সংবেদনশীলতা সম্পূর্ণভাবে দূর হয় না। বিচারকরাও অন্যান্য বিশেষজ্ঞ পেশাজীবীদের মতোই বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও চাপের মধ্যে কাজ করেন। ফলে প্রযুক্তিনির্ভর সহায়ক ব্যবস্থার প্রভাব তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনিচ্ছাকৃতভাবে ঢুকে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

    এলএলএম প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি তথ্যের সঠিকতা বা আইনি নির্ভুলতা নির্বিশেষে মানুষের মতো যুক্তিনির্ভর ও আত্মবিশ্বাসী ভাষায় উত্তর তৈরি করতে পারে। এই ধরনের আউটপুট ব্যবহারকারীর কাছে প্ররোচনামূলক ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হওয়ায় তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা রাখে। এর ফলে বিচারকের নিজস্ব বিশ্লেষণ প্রক্রিয়াও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

    এই বাস্তবতা বিচারকদের স্বাধীন যুক্তিবোধের মৌলিক দায়িত্বের সঙ্গে এক ধরনের গভীর টানাপোড়েন তৈরি করে। অর্থাৎ, বিচারককে নিজস্ব বিচার-বিবেচনার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে হবে—এই নীতির সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর সহায়তার সম্ভাব্য প্রভাব একে অপরের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, উপযুক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং এই ধরনের জ্ঞানগত দুর্বলতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা ছাড়া আদালতের কার্যক্রমে এলএলএমকে শুধুমাত্র সহায়ক সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করাও অনিচ্ছাকৃতভাবে বিচারিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে দিতে পারে। এতে বিচার ব্যবস্থার ওপর জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর বিচার ব্যবস্থায় এই জ্ঞানগত সীমাবদ্ধতাগুলো কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে কি না, তা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা এখন অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এর প্রভাব সরাসরি ন্যায়বিচার ও নাগরিকদের আইনগত অধিকারের ওপর পড়তে পারে।

    এই ধরনের পক্ষপাত নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা শেষ পর্যন্ত বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং আদালতের প্রতি আস্থার ভিত্তিকে দুর্বল করে দিতে পারে।

    • রাইসুল সৌরভ: আয়ারল্যান্ডের গলওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিচারিক সিদ্ধান্তে এআইয়ের ব্যবহার বিষয়ক ডক্টরাল গবেষক; সহযোগী অধ্যাপক (শিক্ষা ছুটিতে), আইন বিভাগ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ); আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; আইন ও বিচার বিশ্লেষক।
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    পুতিন কীভাবে ২৬ বছর ধরে ক্ষমতায় টিকে আছেন?

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    আদালতের নির্দেশনায় চমেকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    নিষ্পত্তির চেয়ে দ্রুত বাড়ছে মৃত্যুদণ্ড মামলা

    জুন 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.