প্রস্তাবিত সাইবার আইন নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, আইন তৈরির সময় সাংবাদিকদের উদ্বেগ ও মতামত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত সাইবার আইন নিয়ে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের কাছ থেকে এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া যাচ্ছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষকে হয়রানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কাউকে বিতর্কিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রবণতা ঠেকাতে কার্যকর আইন প্রয়োজন বলে বিভিন্ন পক্ষ একমত হয়েছে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, খসড়াটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে যায়নি।
অনৈতিক কর্মকাণ্ডে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
একই অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, কোনো আইনজীবী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাঁর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কোনো আইনজীবী পেশাগতভাবে যতই প্রভাবশালী বা শক্তিশালী হন না কেন, বার কাউন্সিল আইনের আওতায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আইন শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এজিও ইউএনডিপি ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী এবং তৃতীয় ব্যাচের ইন্টার্নদের বরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকসসহ অন্যরা।
আইনজীবী হতে সর্বোচ্চ বয়স ৩৫
এদিকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
তিনি জানান, গত ১৯ আগস্ট বার কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নেয়।

