Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, অক্টো. 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশের ৭৮ শতাংশ ইটভাটাই ছাড়পত্রহীন, চার বছরেও কার্যকর হয়নি হাইকোর্টের নির্দেশ
    আইন আদালত

    দেশের ৭৮ শতাংশ ইটভাটাই ছাড়পত্রহীন, চার বছরেও কার্যকর হয়নি হাইকোর্টের নির্দেশ

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশে চালু থাকা ইটভাটার প্রায় ৭৮ শতাংশই পরিবেশগত ছাড়পত্র বা নবায়ন ছাড়া অবৈধভাবে চলছে। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ইটভাটা ৭ হাজার ৫৩০টি। এর মধ্যে ছাড়পত্র বা নবায়ন আছে মাত্র ১ হাজার ৬৭৫টির, বাকি ৫ হাজার ৮৫৫টির নেই। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রায় চার বছর পেরোলেও সেই নির্দেশ বাস্তবে কার্যকর হয়নি। সামনে শুষ্ক মৌসুম শুরু হওয়ায় ভাটাগুলো আবার পুরোদমে চালু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    তথ্যগুলো উঠে এসেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের তৈরি নয় পৃষ্ঠার একটি নীতিপত্রে। নথির নাম ‘পরিবেশগত মান উন্নয়নে পোড়ানো ইট ও ব্লকের ব্যবহারবিষয়ক কর্মকৌশল’। এতে ইটভাটার কারণে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি নষ্ট হওয়া, ফসল উৎপাদন কমে যাওয়া, বায়ুদূষণ, কয়লায় সালফারের ব্যবহার এবং জনস্বাস্থ্যের ক্ষতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক বছরে ইটভাটা বন্ধ ও রূপান্তরের একটি কর্মপরিকল্পনাও প্রস্তাব করা হয়েছে।

    প্রযুক্তিভেদে সবচেয়ে বেশি ছাড়পত্রহীন ভাটা জিগজ্যাগ ধরনের। দেশে জিগজ্যাগ ভাটা ৬ হাজার ৪০৬টি, যার মধ্যে ছাড়পত্র বা নবায়ন আছে মাত্র ১ হাজার ৬২৫টির। বাকি ৪ হাজার ৭৮১টি, অর্থাৎ প্রায় ৭৫ শতাংশ জিগজ্যাগ ভাটা অবৈধভাবে চলছে। হাইব্রিড হফম্যান ভাটা ৫৪টি, এর মধ্যে ২৪টির ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই। অটোমেটিক বা টানেল কিলন ৩২টির মধ্যে ১২টির একই অবস্থা। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ফিক্সড ও ড্রাম চিমনির ভাটায়। ৭৮৮টি ফিক্সড চিমনি এবং ২৫০টি ড্রাম চিমনির ভাটার কোনোটিরই ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই।

    অনুমোদনহীন এসব ভাটায়ই তৈরি হচ্ছে বিপুল পরিমাণ ইট। নথির হিসাবে, দেশে বছরে প্রায় ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি পোড়ানো ইট উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে জিগজ্যাগ ভাটায় হয় প্রায় ৩ হাজার ২০০ কোটি। হাইব্রিড হফম্যানে ১৪০ কোটি, টানেল কিলনে ১০০ কোটি, ফিক্সড চিমনিতে ৩৯৪ কোটি এবং ড্রাম চিমনিতে প্রায় ১০০ কোটি ইট উৎপাদনের প্রাক্কলন রয়েছে। অর্থাৎ ছাড়পত্রহীন ভাটার ইট সরাসরি দেশের নির্মাণ খাতে ঢুকছে।

    আইনেও দূরত্বের বিধান আছে। ২০১৩ সালের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, সংশোধিত ২০১৯-এর ৮(৩) ধারা অনুযায়ী, নিষিদ্ধ এলাকার সীমারেখা থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে ইটভাটা বসাতে হবে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের সংগৃহীত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, জিগজ্যাগ ভাটার উল্লেখযোগ্য অংশ নিষিদ্ধ স্থানের এক কিলোমিটারের মধ্যেই। নথি অনুযায়ী ৫০০ মিটারের মধ্যে আছে ১ হাজার ৪২৮টি ভাটা। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৯০টি, রাজশাহীতে ২৪৬টি, ঢাকায় ২২৭টি, রংপুরে ১৯৩টি, খুলনায় ১৬৬টি, ময়মনসিংহে ৫৩টি, সিলেটে ২৭টি ও বরিশালে ২৬টি। আরও ১ হাজার ৪৫৮টি ভাটার তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

    সরেজমিনে নবাবগঞ্জের দোহারের চিত্র এই বাস্তবতার একটি উদাহরণ। কলাকোপা ইউনিয়নের বড় জাফরপুর গ্রামে মাদরাসায়ে জালালুদ্দীন রুমী নামে একটি মাদ্রাসা আছে, যেখানে কয়েক শ শিক্ষার্থী পড়ে। এই মাদ্রাসার ৫০০ থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে অন্তত ছয়টি ইটভাটা রয়েছে। এগুলোর একটিরও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। জনবসতির এক কিলোমিটারের মধ্যে ভাটা বসানো নিষিদ্ধ হলেও ছয়টিই লোকালয়ের মধ্যে। ফসলি জমির এক কিলোমিটারের মধ্যে ভাটা স্থাপনেও নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এখানকার সব ভাটাই ফসলি জমিতে। ফলে আশপাশের বাসিন্দাদের শ্বাসতন্ত্রসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

    এলাকার দুই ভাটার ম্যানেজার ছাড়পত্র না থাকার কথা স্বীকার করেছেন। একটির ম্যানেজার সাদেকুর রহমান বলেন, তাঁদের কোনো অনুমোদন নেই, তবে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। আরেকটির ম্যানেজার রফিকও একই কথা বলেন। তবে এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি।

    কৃষির ওপর ইটভাটার প্রভাব নীতিপত্রে বিশেষভাবে এসেছে। ইট তৈরিতে বছরে প্রায় ১৫ কোটি টন মাটি ব্যবহৃত হচ্ছে। কাঁচা ইটের জন্য জমির ওপরের প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার মাটি তুলে ফেলা হয়, যা জমির উর্বরতা কমায়। দীর্ঘ মেয়াদে ফলন ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। ভাটার ধোঁয়া, ছাই ও ধূলিকণা থেকে সিসা, ক্যাডমিয়াম ও আর্সেনিক মাটিতে জমা হতে পারে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণার বরাত দিয়ে নথিতে বলা হয়েছে, ভাটার এক কিলোমিটারের মধ্যে ধানের ফলন ২০ থেকে ২৫ শতাংশ, গমের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ, সরিষার ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ এবং সবজির ফলন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। অর্থাৎ ভাটার ক্ষতি শুধু বাতাসে নয়, দেশের খাদ্য উৎপাদনেও পড়ছে।

    জ্বালানি নিয়েও উদ্বেগ আছে। ইট পোড়াতে বছরে ৬০ থেকে ৭০ লাখ মেট্রিক টন কয়লা ব্যবহৃত হয়। আমদানি নীতিতে কয়লায় সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ সালফারের কথা বলা আছে। ঢাকার পাঁচটি ভাটা থেকে নেওয়া কয়লার নমুনা বিসিএসআইআরে পরীক্ষা করে সালফারের পরিমাণ পাওয়া গেছে শূন্য দশমিক ৯৩ থেকে ১ দশমিক ১৩ শতাংশ। তবে সাত হাজারের বেশি ভাটায় ব্যবহৃত কয়লার মান জানতে আরও ব্যাপক নমুনা পরীক্ষা দরকার বলে নথিতে উল্লেখ আছে। ভাটাগুলোতে ধোঁয়া থেকে সালফার সরানোর ব্যবস্থা (এফজিডি) নেই। তাই কয়লায় সালফারের সর্বোচ্চ মাত্রা ১ শতাংশ নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    অভিযান যে একেবারে হয়নি, তা নয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ বছরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে ২ হাজার ২০৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। এতে ৪ হাজার ৯৮১টি মামলায় ১১৬ কোটি ৮ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ধার্য হয়, আদায় হয়েছে ১০৮ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা। এ সময় ১ হাজার ৬৭৮টি ইটভাটা ভেঙে দেওয়া এবং ১৫ লাখ ইট ও ২৪০ টন কয়লা জব্দ করা হয়। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ১৭৩টি অভিযানে ৩৮৪টি মামলায় ৯ কোটি ৫৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে। ১২৩টি ভাটার চিমনি ভাঙা এবং ৫৬টি অবৈধ ভাটার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

    তবে হিসাব মেলালে ব্যবধান স্পষ্ট। পাঁচ বছরে ভাঙা হয়েছে ১ হাজার ৬৭৮টি ভাটা, অথচ এখনো ছাড়পত্রহীন ভাটা ৫ হাজার ৮৫৫টি। জরিমানা দিয়ে ভাটা চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে অভিযান দীর্ঘস্থায়ী ফল দেয় না, এমন প্রশ্নও থেকে যায়।

    সমাধান হিসেবে নীতিপত্রে পোড়ানো ইটের বদলে কংক্রিট ব্লক ব্যবহারে জোর দেওয়া হয়েছে। দেশে এখন ১৬০টি ব্লক কারখানা আছে, যেখানে প্রায় ২১ কোটি ব্লক তৈরি হচ্ছে। নথির ভাষ্য, ব্লক ব্যবহারে কৃষিজমির মাটি, কয়লা ও জ্বালানির ব্যবহার কমবে। নদীর ড্রেজিংয়ের মাটি-বালু, পরিত্যক্ত ভবনের কংক্রিট ও ইট এবং বিভিন্ন বর্জ্যও ব্লক তৈরিতে কাজে লাগানো যাবে। এতে উর্বর মাটি রক্ষা এবং নদীর নাব্য বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    সরকারি নির্মাণকাজে ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্যও আগে ঠিক করা হয়েছিল। সরকারি প্রজ্ঞাপনে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে ৩০ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে ১০০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিটও আছে বলে নীতিপত্রে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এখনো ঘাটতি আছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি দেয়ালে ব্লকের ব্যবহার ৮১ শতাংশ, ৫ ইঞ্চি দেয়ালে ৬৭ শতাংশ এবং রাস্তার কাজে ৬০ শতাংশ। গড় অগ্রগতি ৬৯ শতাংশ, অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুনের শতভাগ লক্ষ্য পূরণ হয়নি। অন্য সরকারি দপ্তরের অগ্রগতির উল্লেখযোগ্য তথ্য নথিতে পাওয়া যায়নি।

    হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনের কথাও জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর হাইকোর্ট সব জেলার অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সাত দিনের মধ্যে ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার বন্ধ করতে বলা হয়। পরিবেশবাদী ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে এ রিট করেছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, রিটের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে নির্দেশ বাস্তবায়নের কাজ চলছিল। প্রতিবছর ইটভাটার মৌসুম শুরু হলে ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তাঁরা জেলাভিত্তিক নতুন আদেশ এনেছেন, নির্দেশ না মানলে আদালত অবমাননার অভিযোগও করেছেন। প্রশাসনও কতগুলো ভাটা ভাঙা হলো, তার নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দিচ্ছিল।

    মনজিল মোরসেদ জানান, ২০২৪ সালের আগস্টের পর প্রশাসনিক স্থবিরতা দেখা দেওয়ায় তাঁরা আর আদালতে যাননি। কারণ প্রশাসন অকার্যকর থাকলে প্রতিবেদন কোথা থেকে আসবে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আবার আদালতে কার্যক্রম ও শুনানি শুরু করা হয়েছে। এরই মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের অবৈধ ইটভাটা নিয়ে আদালতের নতুন আদেশ এসেছে। সারা দেশের যেসব ভাটার লাইসেন্স বা পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই, সেগুলো বন্ধ ও ভাঙার বিষয়ে তাঁরা নতুন আবেদন করেছেন। আদালত খোলার পর শুনানি শেষে নতুন নির্দেশনা এবং আগে কতগুলো ভাটা ভাঙা হয়েছে, সেই বকেয়া প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হবে বলে তিনি আশা করছেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার পরিচালক মো. মাহবুব জামিল জানান, সামনে শুষ্ক মৌসুম আসছে এবং ভাটাগুলো মূলত এ সময়েই চলে। তাই অবৈধ ভাটার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি হয়েছে। জেলা কার্যালয়গুলোতে কঠোর নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, কাঠ পোড়ানো, ড্রাম চিমনি ও ফিক্সড চিমনির ভাটাসহ সব অবৈধ ভাটাকে এবার কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দেশজুড়ে জোরদার অভিযান শুরু হবে।

    এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। একদিকে আছে হাইকোর্টের নির্দেশ ও আইনের স্পষ্ট বিধান, অন্যদিকে ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে হাজার হাজার ভাটা, যার কিছু স্কুল-মাদ্রাসা ও ফসলি জমির গা ঘেঁষে। স্বাস্থ্য ও কৃষির ক্ষতির যে তথ্য সরকারি নথিতেই উঠে এসেছে, তাতে অভিযান শুধু মৌসুমের শুরুতে সীমিত না রেখে স্থায়ী তদারকিতে রূপ দেওয়াই হবে চ্যালেঞ্জ।

    এখন নজর থাকবে শুষ্ক মৌসুমে ঘোষিত অভিযান কত দ্রুত ও কত কঠোরভাবে শুরু হয়, আদালত খোলার পর হাইকোর্ট নতুন কী নির্দেশ দেন এবং ছাড়পত্রহীন ভাটা বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর কতটা সফল হয়, সেদিকে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    জয়পুরহাটে ল্যাপটপ ও সার ডিলারশিপে অনিয়মের অভিযোগ, ফেসবুকে বিএনপি নেতার পোস্ট

    অক্টোবর 18, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ‘আমি সাধারণ বিদেশি নই’: ভারত ছাড়ার নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে নায়ক ইমরান খান

    অক্টোবর 18, 2026
    আইন আদালত

    অবকাশ শেষে ২৫ অক্টোবর থেকে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত কার্যক্রম

    অক্টোবর 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.