দাফনে বাধা দেওয়া কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আইন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান খান। ধর্মীয় নির্দেশনা অনুযায়ী মৃত্যুর পর দ্রুত দাফনের কথা বলা হলেও ধর্মীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দাফনে বাধা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ‘প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন’ এমন দাবিতে মানিক পশারীকে গার্ড অব অনার দেওয়া এবং দাফনে বাধা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর লোকজন। মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট দেওয়ার দায়িত্ব কোনো রাজনৈতিক দলের হাতে থাকা উচিত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওই ব্যক্তিকে গার্ড অব অনার দেওয়ার পর ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দাফনে সহায়তা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বিএনপির ভুলত্রুটি থাকতে পারে, তবে দলটি মৌলিক জায়গা থেকে সরে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে নিজেরও প্রশ্ন রয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মাহবুবুর রহমান খান। তবে এ কারণে কারও দাফনে বাধা দেওয়াকে সমর্থন করা যায় না বলে মত দেন তিনি।
তিনি বলেন, মৃত্যুর পর দ্রুত দাফনের বিষয়ে ধর্মীয় নির্দেশনা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে ধর্মীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দাফনে বাধা দেওয়ার রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক।
মাহবুবুর রহমান খান জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহসম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিটেনশন অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

