আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। তবে এই নিয়ম এখনই কার্যকর হচ্ছে না। বর্তমানে এলএলবি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় আগামী ১ জানুয়ারি ২০৩০ থেকে এটি বাস্তবায়িত হবে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত কাউন্সিল সভায় বয়সসীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এখন আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জনসমক্ষে আনা হলো।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখ থেকে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদন গ্রহণ, প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই এবং পরবর্তী সব কার্যক্রমে এই বয়সসীমা অনুসরণ করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত কার্যকরের জন্য প্রায় সাড়ে তিন বছরের সময় রাখা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, চলমান শিক্ষার্থীরা যেন নতুন নিয়মের কারণে হঠাৎ সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ফলে যাঁরা এখন এলএলবি পড়ছেন, তাঁরা নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগেই তালিকাভুক্তির আবেদন করার সুযোগ পাবেন বলে ধারণা করা যায়। তবে বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে আলাদা করে কিছু বলা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও কিছু বিষয় স্পষ্ট করা হয়নি। যেমন, বয়স গণনা হবে কোন তারিখ ধরে, কিংবা ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য কোনো ব্যতিক্রম থাকবে কি না। আবেদনের সময় বয়স ধরা হবে, নাকি তালিকাভুক্তির সময়, সেটিও জানা যায়নি। বিষয়গুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে বার কাউন্সিলের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রত্যাশিত। সব মিলিয়ে সিদ্ধান্তটি আইন পেশায় প্রবেশের পথে একটি নতুন কাঠামো তৈরি করতে যাচ্ছে। এর প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে বয়স গণনার পদ্ধতি এবং সম্ভাব্য ব্যতিক্রমের ওপর।

