Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পৃথক সচিবালয়ের দাবি ও ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়ে রুলের শুনানি নতুন বেঞ্চে
    আইন আদালত

    পৃথক সচিবালয়ের দাবি ও ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়ে রুলের শুনানি নতুন বেঞ্চে

    ইভান মাহমুদUpdated:এপ্রিল 22, 2025এপ্রিল 22, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    পৃথক সচিবালয়ের দাবি ও ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়ে রুলের শুনানি নতুন বেঞ্চে
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি গ্রহণের জন্য নতুন একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করেছেন প্রধান বিচারপতি। রোববার (২০ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারীদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

    তিনি জানান, হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এখন এ রুলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, গত বছরের ২৭ অক্টোবর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ রুল জারি করেন। তবে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব বর্তমানে আপিল বিভাগে পদোন্নতি পাওয়ায় প্রধান বিচারপতি নতুন বেঞ্চ গঠন করেছেন।

    ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীরা হলেন—মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, মো. জহিরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল্লাহ সাদিক, মো. মিজানুল হক, আমিনুল ইসলাম শাকিল ও যায়েদ বিন আমজাদ। তাদের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন শিশির মনির।

    রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা কেন সংবিধান পরিপন্থি ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হবে না এবং বিচার বিভাগের জন্য কেন একটি পৃথক সচিবালয় গঠন করা হবে না। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধস্তন আদালতে নিয়োজিত বিচারকদের (বিশেষত ম্যাজিস্ট্রেটদের) নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত। কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটির মঞ্জুরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন।

    তবে রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির মনে করেন, রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত এ ক্ষমতা বাস্তবে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি করে যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানে এসব নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকলেও ১৯৭৪ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে তা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে ‘সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে’ রাষ্ট্রপতি এ ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন—এমন বিধান সংযোজন করা হয়। কিন্তু ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবারও ১১৬ অনুচ্ছেদের বর্তমান রূপটি বহাল রাখা হয় যা আগে আদালত অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছিল।

    শিশির মনির বলেন, “সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থি। এ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে বিচার বিভাগের উপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ বলবৎ রয়েছে, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করে।” তিনি আরও দাবি করেন, বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি কার্যত আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় বিচার বিভাগ একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

    তিনি জানান, পৃথক সচিবালয় না থাকায় বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমের ওপর আইন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ বিরাজ করছে। যার ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকরা অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ বাস্তবতায় বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের পুনর্বিন্যাস ও পৃথক সচিবালয়ের প্রয়োজনীয়তা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

    এই রুলের শুনানির মাধ্যমে বিচার বিভাগের সাংবিধানিক কাঠামো এবং স্বাধীনতা প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিতর্কের অবসান ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    বিচার প্রক্রিয়ায় এআইয়ের নীরব পক্ষপাত

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    আদালতের নির্দেশনায় চমেকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    নিষ্পত্তির চেয়ে দ্রুত বাড়ছে মৃত্যুদণ্ড মামলা

    জুন 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.