দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিব একটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দিয়েছেন। আদেশে কাজী নাবিল আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশজুড়ে থাকা বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কাজী নাবিল আহমেদের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমি এবং ভবন রয়েছে। তার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৩৪ দশমিক ৬৩ একর জমি, বোদা উপজেলায় ২৫ দশমিক ৫৫ একর এবং পঞ্চগড় সদরে ১০ দশমিক ০৮ একর জমি রয়েছে। খুলনায় ২৪৬ একর জমি, রূপসায় ২৬ দশমিক ৫১ একর জমি, ধানমন্ডিতে ১১ শতক জমি এবং ছয়তলা ভবনের এক তৃতীয়াংশও তার নামে রয়েছে। এছাড়া, মোহাম্মদপুরে দুটি প্লট এবং গুলশানে একটি ফ্ল্যাটও তার সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত।
কাজী নাবিলের পিতা প্রয়াত কাজী শাহেদ আহমেদের নামে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি রয়েছে। তার ধানমন্ডিতে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ জমিসহ ছয়তলা ভবন, যশোরে জমিসহ দুইতলা বাড়ি, যশোরের কাজীপাড়ায় ১৫ দশমিক ৯৮ একর জমি এবং কক্সবাজারের টেকনাফে ২ দশমিক ২৪ একর জমি ক্রোক করা হয়েছে।
এছাড়া, কাজী নাবিলের মায়ের নামে ধানমন্ডিতে তিনটি ফ্ল্যাট এবং কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে ১ দশমিক ৪৪ একর জমি রয়েছে। কাজী নাবিলের ভাই কাজী আনিস আহমেদের নামে ধানমন্ডিতে ১১ শতক জমিসহ ছয়তলা ভবনের এক তৃতীয়াংশ এবং গুলশানে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। অন্য ভাই কাজী ইনামের নামে ধানমন্ডিতে ১১ শতক জমি। ছয়তলা ভবনের এক তৃতীয়াংশ এবং গুলশানে দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের আওতায় এসেছে।
এ আদেশের পর এসব সম্পত্তি এখন দুদকের নজরদারিতে রয়েছে এবং আরো তদন্তের অংশ হিসেবে এই সম্পত্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

